2- {وَإِذْ قَالَتْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ إِنْ يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَاراً} 1.
3- {وَلَوْ دُخِلَتْ عَلَيْهِمْ مِنْ أَقْطَارِهَا ثُمَّ سُئِلُوا الْفِتْنَةَ لَآتَوْهَا وَمَا تَلَبَّثُوا بِهَا إِلَّا يَسِيراً} .
4- {وَلَقَدْ كَانُوا عَاهَدُوا اللَّهَ مِنْ قَبْلُ لا يُوَلُّونَ الْأَدْبَارَ وَكَانَ عَهْدُ اللَّهِ مَسْؤُولاً} .
5- {قُلْ لَنْ يَنْفَعَكُمُ الْفِرَارُ إِنْ فَرَرْتُمْ مِنَ الْمَوْتِ أَوِ الْقَتْلِ وَإِذاً لا تُمَتَّعُونَ إِلَّا قَلِيلاً} .
6- {قُلْ مَنْ ذَا الَّذِي يَعْصِمُكُمْ مِنَ اللَّهِ إِنْ أَرَادَ بِكُمْ سُوءاً أَوْ أَرَادَ بِكُمْ رَحْمَةً وَلا يَجِدُونَ لَهُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَلِيّاً وَلا نَصِيراً} .
7- {قَدْ يَعْلَمُ اللَّهُ الْمُعَوِّقِينَ مِنْكُمْ وَالْقَائِلِينَ لِإِخْوَانِهِمْ هَلُمَّ إِلَيْنَا وَلا يَأْتُونَ الْبَأْسَ إِلَّا قَلِيلاً} .
8- {أَشِحَّةً عَلَيْكُمْ فَإِذَا جَاءَ الْخَوْفُ رَأَيْتَهُمْ يَنْظُرُونَ إِلَيْكَ تَدُورُ أَعْيُنُهُمْ كَالَّذِي يُغْشَى عَلَيْهِ مِنَ الْمَوْتِ فَإِذَا ذَهَبَ الْخَوْفُ سَلَقُوكُمْ بِأَلْسِنَةٍ حِدَادٍ أَشِحَّةً عَلَى الْخَيْرِ أُولَئِكَ لَمْ يُؤْمِنُوا فَأَحْبَطَ اللَّهُ أَعْمَالَهُمْ وَكَانَ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيراً} .
9- {يَحْسَبُونَ الْأَحْزَابَ لَمْ يَذْهَبُوا وَإِنْ يَأْتِ الْأَحْزَابُ يَوَدُّوا لَوْ أَنَّهُمْ بَادُونَ فِي الْأَعْرَابِ يَسْأَلونَ عَنْ أَنْبَائِكُمْ وَلَوْ كَانُوا فِيكُمْ مَا قَاتَلُوا إِلَّا قَلِيلاً} 2.--------------------------------------------
1 سورة الأحزاب الآية 13.
2 سورة الأحزاب الآيات من 11- 20.
২- {আর যখন তাদের একদল বলেছিল, ‘হে ইয়াসরিববাসী! তোমাদের জন্য আর কোনো অবস্থানের জায়গা নেই, তাই তোমরা ফিরে যাও।’ আর তাদের একটি দল নবীর কাছে অব্যাহতি প্রার্থনা করছিল এই বলে যে, ‘আমাদের ঘরগুলো অরক্ষিত।’ অথচ সেগুলো অরক্ষিত ছিল না; তারা তো কেবল পালিয়ে যেতেই চেয়েছিল।} ১.
৩- {আর যদি চতুর্দিক থেকে তাদের ওপর আক্রমণ করা হতো, অতঃপর তাদের কাছে ফিতনার (কুফর বা শিরকের) প্রস্তাব দেওয়া হতো, তবে তারা তা গ্রহণ করে নিত এবং এতে তারা সামান্যই বিলম্ব করত।} .
৪- {অথচ তারা ইতিপূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পিঠ প্রদর্শন করবে না (পালিয়ে যাবে না)। আর আল্লাহর অঙ্গীকার সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।} .
৫- {বলুন, ‘তোমরা যদি মৃত্যু বা হত্যার ভয়ে পালিয়ে যাও, তবে এ পলায়ন তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না; আর সেক্ষেত্রে তোমাদেরকে খুব সামান্যই ভোগ করতে দেওয়া হবে।’} .
৬- {বলুন, ‘কে আছে এমন যে তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে রক্ষা করবে, যদি তিনি তোমাদের কোনো অমঙ্গল চান অথবা তিনি তোমাদের প্রতি রহমত করতে চান?’ আর তারা নিজেদের জন্য আল্লাহ ছাড়া কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।} .
৭- {আল্লাহ অবশ্যই জানেন তোমাদের মধ্য থেকে যারা বাধা প্রদানকারী এবং যারা তাদের ভাইদের বলে, ‘আমাদের কাছে চলে এসো।’ আর তারা যুদ্ধে খুব সামান্যই অংশগ্রহণ করে।} .
৮- {তোমাদের প্রতি কৃপণতাবশত; যখন বিপদ আসে, তখন আপনি তাদের দেখবেন আপনার দিকে তাকাচ্ছে, তাদের চোখগুলো সেই ব্যক্তির মতো ঘুরছে যার ওপর মৃত্যুর মূর্ছা ছেয়ে গেছে। কিন্তু যখন ভয় চলে যায়, তখন তারা কল্যাণের (সম্পদের) লোভে তোমাদেরকে তাদের তীক্ষ্ণ জবান দিয়ে বিদ্ধ করে। তারা ঈমান আনেনি, তাই আল্লাহ তাদের আমলগুলো নিষ্ফল করে দিয়েছেন। আর আল্লাহর পক্ষে এটি অতি সহজ।} .
৯- {তারা মনে করে সম্মিলিত বাহিনী চলে যায়নি। আর যদি সম্মিলিত বাহিনী আবার আসে, তবে তারা কামনা করবে যে, তারা যদি মরুভূমিতে বেদুইনদের মাঝে থেকে তোমাদের সংবাদ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করত! আর তারা যদি তোমাদের মাঝে থাকত, তবে তারা সামান্যই যুদ্ধ করত।} ২.--------------------------------------------
১ সূরা আল-আহযাব, আয়াত ১৩।
২ সূরা আল-আহযাব, আয়াত ১১-২০।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 263)