2ـ أننا خوطبنا في القرآن بما لا معنى له بل هو ألفاظ جوفاء.
3ـ أننا خوطبنا في القرآن بما لا نفهم منه شيئاً بل هو بمنزلة الألفاظ الرموز.
4ـ قال تعالى: {أفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ} [محمَّد: 24] وجه الدلالة أنه لو كانت معرفة النصوص مستحيلة لم يأمرنا الله سبحانه وتعالى بالتدبر.
5ـ أنه لو كانت معرفة النصوص مستحيلة لكان إنزال القرآن والأمر بتدبره عبثاً والله منزه عن ذلك جلت قدرته.
3ـ أننا خوطبنا في القرآن بما لا نفهم منه شيئاً بل هو بمنزلة الألفاظ الرموز.
4ـ قال تعالى: {أفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ} [محمَّد: 24] وجه الدلالة أنه لو كانت معرفة النصوص مستحيلة لم يأمرنا الله سبحانه وتعالى بالتدبر.
5ـ أنه لو كانت معرفة النصوص مستحيلة لكان إنزال القرآن والأمر بتدبره عبثاً والله منزه عن ذلك جلت قدرته.
২. আমাদেরকে কুরআনে এমন সব বিষয় দিয়ে সম্বোধন করা হয়েছে যার কোনো অর্থ নেই, বরং সেগুলো স্রেফ অন্তঃসারশূন্য শব্দ মাত্র।
৩. আমাদেরকে কুরআনে এমন সব বিষয় দিয়ে সম্বোধন করা হয়েছে যা থেকে আমরা কিছুই বুঝি না, বরং সেগুলো সাংকেতিক শব্দের মতো।
৪. মহান আল্লাহ বলেন: {তবে কি তারা কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করে না?} [মুহাম্মাদ: ২৪]। প্রমাণের দিকটি হলো, যদি নসুস বা পাঠ্যসমূহের অর্থ অনুধাবন করা অসম্ভব হতো, তবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদেরকে তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ দিতেন না।
৫. যদি নসুস বা পাঠ্যসমূহের অর্থ জানা অসম্ভব হতো, তবে কুরআন অবতীর্ণ করা এবং তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ প্রদান নিরর্থক হতো; অথচ আল্লাহ তাআলা তা থেকে পবিত্র, তাঁর ক্ষমতা অতি সুমহান।
৩. আমাদেরকে কুরআনে এমন সব বিষয় দিয়ে সম্বোধন করা হয়েছে যা থেকে আমরা কিছুই বুঝি না, বরং সেগুলো সাংকেতিক শব্দের মতো।
৪. মহান আল্লাহ বলেন: {তবে কি তারা কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করে না?} [মুহাম্মাদ: ২৪]। প্রমাণের দিকটি হলো, যদি নসুস বা পাঠ্যসমূহের অর্থ অনুধাবন করা অসম্ভব হতো, তবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদেরকে তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ দিতেন না।
৫. যদি নসুস বা পাঠ্যসমূহের অর্থ জানা অসম্ভব হতো, তবে কুরআন অবতীর্ণ করা এবং তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ প্রদান নিরর্থক হতো; অথচ আল্লাহ তাআলা তা থেকে পবিত্র, তাঁর ক্ষমতা অতি সুমহান।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 306)