2- التربية الإسلامية تربية متوازية:
حيث تحرص على تحقيق التوازن الدقيق المعجز بين مطالب الدنيا ومطالب الآخرة، يقول تعالى: {وَابْتَغِ فِيمَا آتَاكَ اللَّهُ الدَّارَ الآخِرَةَ وَلا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا} [القصص: 77] . وهي ترفض التطرف سواء في الجانب المادي -الشهوات- أو في الجانب الروحي -الرهبانية.
حيث تحرص على تحقيق التوازن الدقيق المعجز بين مطالب الدنيا ومطالب الآخرة، يقول تعالى: {وَابْتَغِ فِيمَا آتَاكَ اللَّهُ الدَّارَ الآخِرَةَ وَلا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا} [القصص: 77] . وهي ترفض التطرف سواء في الجانب المادي -الشهوات- أو في الجانب الروحي -الرهبانية.
২- ইসলামী শিক্ষা হলো একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা:
কেননা এটি দুনিয়ার চাহিদা এবং আখিরাতের চাহিদার মধ্যে এক সূক্ষ্ম ও অলৌকিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে। মহান আল্লাহ বলেন: {আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন তা দিয়ে পরকালীন আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেয়ো না} [আল-কাসাস: ৭৭]। এটি চরমপন্থাকে প্রত্যাখ্যান করে, চাই তা বৈষয়িক দিকের—কুপ্রবৃত্তি—ক্ষেত্রে হোক কিংবা আধ্যাত্মিক দিকের—বৈরাগ্যবাদ—ক্ষেত্রে হোক।
কেননা এটি দুনিয়ার চাহিদা এবং আখিরাতের চাহিদার মধ্যে এক সূক্ষ্ম ও অলৌকিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে। মহান আল্লাহ বলেন: {আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন তা দিয়ে পরকালীন আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেয়ো না} [আল-কাসাস: ৭৭]। এটি চরমপন্থাকে প্রত্যাখ্যান করে, চাই তা বৈষয়িক দিকের—কুপ্রবৃত্তি—ক্ষেত্রে হোক কিংবা আধ্যাত্মিক দিকের—বৈরাগ্যবাদ—ক্ষেত্রে হোক।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 41)