وفي نفس العام 1946 أسَّس المسلمون والنصارى حزبين: حزب الرابطة الإسلامية، وحزب الأحرار والتقدّم، ثم اندمجا تحت اسم "وحدة إرتريا للإرتريين"، ثم انضمَّت إليه أحزاب أخرى، وتكوَّنت "الكتلة الاستقلالية" لتنادي باستقلال إرتريا التامّ مع احتفاظ كل حزب بكيانه المستقل.
ثم تأسَّست أحزاب أخرى موالية لإيطاليا "رابطة المحاربين القدماء الإرترية، الرابطة الإيطالية الإرترية"، ثم حدث انشقاق داخل الرابطة الإسلامية تشترط الوصاية البريطانية بعد فترة أو بعد عشر سنوات.
وفي 2/ 12/ 1950 تَمَّت مصادقة الجمعية العامَّة على مشروع قرار بإنشاء اتحاد فيدرالي أثيوبيا وإرتريا نصَّ على:
1- تتمتع الحكومة الإرترية بسلطات تشريعية وتنفيذية وقضائية في ميدان الشئون الداخلية.
2- اعتبار إرتريا وحدة تتمتع بحكم ذاتي في اتحاد فيدرالي مع أثيوبيا تحت التاج الأثيوبي.
3- حصر اختصاصات الحكومة الفيدرالية بشئون الدفاع والخارجية والعملة والمالية والتجارة والمواصلات الخارجيتين وبين البلدين1.
وفي مارس سنة 1952 تَمَّ انتخاب أول برلمان "68 عضوًا"، وانتخب البرلمان حكومته في أغسطس 1952، وأزيل العلم البريطاني في 15/ 9/ 1952 ليرتفع علم أثيوبيا.
ومارست أثيوبيا إغراءها وتهديدها لأعضاء البرلمان الأثيوبي، وفي ظلّ تعاون من رئيس الحكومة الإرترية ورئيس البرلمان الجديد، بدأ تنفيذ المخطَّط الجديد الرامي إلى ضم إرتريا إلى أثيوبيا، وتَمَّ إجراء انتخابات جديدة؛ لتعلن الجمعية الوطنية المزيفة في 14/ 11/ 1962 دمج إرتريا في أثيوبيا.--------------------------------------------
1 راجع تفصيلًا: إرتريا والتحديدات المصيرية، لحامد صالح تركي، أحد المسئولين في جبهة إرتريا.
ثم تأسَّست أحزاب أخرى موالية لإيطاليا "رابطة المحاربين القدماء الإرترية، الرابطة الإيطالية الإرترية"، ثم حدث انشقاق داخل الرابطة الإسلامية تشترط الوصاية البريطانية بعد فترة أو بعد عشر سنوات.
وفي 2/ 12/ 1950 تَمَّت مصادقة الجمعية العامَّة على مشروع قرار بإنشاء اتحاد فيدرالي أثيوبيا وإرتريا نصَّ على:
1- تتمتع الحكومة الإرترية بسلطات تشريعية وتنفيذية وقضائية في ميدان الشئون الداخلية.
2- اعتبار إرتريا وحدة تتمتع بحكم ذاتي في اتحاد فيدرالي مع أثيوبيا تحت التاج الأثيوبي.
3- حصر اختصاصات الحكومة الفيدرالية بشئون الدفاع والخارجية والعملة والمالية والتجارة والمواصلات الخارجيتين وبين البلدين1.
وفي مارس سنة 1952 تَمَّ انتخاب أول برلمان "68 عضوًا"، وانتخب البرلمان حكومته في أغسطس 1952، وأزيل العلم البريطاني في 15/ 9/ 1952 ليرتفع علم أثيوبيا.
ومارست أثيوبيا إغراءها وتهديدها لأعضاء البرلمان الأثيوبي، وفي ظلّ تعاون من رئيس الحكومة الإرترية ورئيس البرلمان الجديد، بدأ تنفيذ المخطَّط الجديد الرامي إلى ضم إرتريا إلى أثيوبيا، وتَمَّ إجراء انتخابات جديدة؛ لتعلن الجمعية الوطنية المزيفة في 14/ 11/ 1962 دمج إرتريا في أثيوبيا.--------------------------------------------
1 راجع تفصيلًا: إرتريا والتحديدات المصيرية، لحامد صالح تركي، أحد المسئولين في جبهة إرتريا.
১৯৪৬ সালের একই বছরে মুসলিম এবং খ্রিস্টানরা দুটি দল গঠন করেন: মুসলিম লীগ এবং লিবারেল অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ পার্টি। পরবর্তীতে তারা "ইরিত্রিয়ানদের জন্য ইরিত্রিয়ার ঐক্য" নামে একত্রিত হয়। এরপর অন্যান্য দলগুলোও এতে যোগ দেয় এবং "ইন্ডিপেন্ডেন্স ব্লক" (স্বাধীনতা ব্লক) গঠিত হয়, যা প্রতিটি দলের নিজস্ব স্বতন্ত্র সত্তা বজায় রেখে ইরিত্রিয়ার পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানায়।
এরপর ইতালি-পন্থী আরও কিছু দল গঠিত হয়, যেমন "ইরিত্রিয়ান ভেটেরানস লিগ" ও "ইতালো-ইরিত্রিয়ান লিগ"। পরবর্তীতে মুসলিম লীগের ভেতরে বিভক্তি দেখা দেয়, যেখানে একটি পক্ষ নির্দিষ্ট সময় বা দশ বছর পর ব্রিটিশ অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করে।
১৯৫০ সালের ২/১২ তারিখে সাধারণ পরিষদ ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে একটি ফেডারেল ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করে, যাতে উল্লেখ ছিল:
১- ইরিত্রিয়া সরকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আইন বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় এবং বিচার বিভাগীয় ক্ষমতার অধিকারী হবে।
২- ইরিত্রিয়াকে ইথিওপিয়ান রাজমুকুটের অধীনে ইথিওপিয়ার সাথে একটি ফেডারেল ইউনিয়নের স্বায়ত্তশাসিত একক হিসেবে গণ্য করা হবে।
৩- ফেডারেল সরকারের এখতিয়ার কেবল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, মুদ্রা, অর্থ, বাণিজ্য এবং দুই দেশের মধ্যকার বৈদেশিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ১।
১৯৫২ সালের মার্চ মাসে প্রথম পার্লামেন্ট (৬৮ জন সদস্য) নির্বাচিত হয় এবং ১৯৫২ সালের আগস্টে পার্লামেন্ট তার সরকার নির্বাচন করে। ১৯৫২ সালের ১৫/৯ তারিখে ব্রিটিশ পতাকা নামিয়ে ইথিওপিয়ার পতাকা উত্তোলন করা হয়।
ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি প্রলোভন ও হুমকি প্রদর্শন করে। ইরিত্রিয়া সরকারের প্রধান এবং নতুন পার্লামেন্ট স্পিকারের সহযোগিতায় ইরিত্রিয়াকে ইথিওপিয়ার সাথে একীভূত করার নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয় এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯৬২ সালের ১৪/১১ তারিখে এক পাতানো জাতীয় পরিষদ ইথিওপিয়ার সাথে ইরিত্রিয়ার পূর্ণ একত্রীকরণের ঘোষণা দেয়।--------------------------------------------
১ বিস্তারিত দেখুন: ‘ইরিত্রিয়া ওয়াত তাহদিদাতুল মাসিরিয়্যাহ’, লেখক: হামিদ সালেহ তুর্কি, যিনি ইরিত্রিয়ান ফ্রন্টের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন।
এরপর ইতালি-পন্থী আরও কিছু দল গঠিত হয়, যেমন "ইরিত্রিয়ান ভেটেরানস লিগ" ও "ইতালো-ইরিত্রিয়ান লিগ"। পরবর্তীতে মুসলিম লীগের ভেতরে বিভক্তি দেখা দেয়, যেখানে একটি পক্ষ নির্দিষ্ট সময় বা দশ বছর পর ব্রিটিশ অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করে।
১৯৫০ সালের ২/১২ তারিখে সাধারণ পরিষদ ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে একটি ফেডারেল ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করে, যাতে উল্লেখ ছিল:
১- ইরিত্রিয়া সরকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আইন বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় এবং বিচার বিভাগীয় ক্ষমতার অধিকারী হবে।
২- ইরিত্রিয়াকে ইথিওপিয়ান রাজমুকুটের অধীনে ইথিওপিয়ার সাথে একটি ফেডারেল ইউনিয়নের স্বায়ত্তশাসিত একক হিসেবে গণ্য করা হবে।
৩- ফেডারেল সরকারের এখতিয়ার কেবল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, মুদ্রা, অর্থ, বাণিজ্য এবং দুই দেশের মধ্যকার বৈদেশিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ১।
১৯৫২ সালের মার্চ মাসে প্রথম পার্লামেন্ট (৬৮ জন সদস্য) নির্বাচিত হয় এবং ১৯৫২ সালের আগস্টে পার্লামেন্ট তার সরকার নির্বাচন করে। ১৯৫২ সালের ১৫/৯ তারিখে ব্রিটিশ পতাকা নামিয়ে ইথিওপিয়ার পতাকা উত্তোলন করা হয়।
ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি প্রলোভন ও হুমকি প্রদর্শন করে। ইরিত্রিয়া সরকারের প্রধান এবং নতুন পার্লামেন্ট স্পিকারের সহযোগিতায় ইরিত্রিয়াকে ইথিওপিয়ার সাথে একীভূত করার নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয় এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯৬২ সালের ১৪/১১ তারিখে এক পাতানো জাতীয় পরিষদ ইথিওপিয়ার সাথে ইরিত্রিয়ার পূর্ণ একত্রীকরণের ঘোষণা দেয়।--------------------------------------------
১ বিস্তারিত দেখুন: ‘ইরিত্রিয়া ওয়াত তাহদিদাতুল মাসিরিয়্যাহ’, লেখক: হামিদ সালেহ তুর্কি, যিনি ইরিত্রিয়ান ফ্রন্টের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 176)