إذن لأذقناك ضعف الحياة وضعف الممات 75 د الإسراء أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا 39 د الحج أرأيت الذي يكذب بالدين 1 ك الماعون أرأيت الذي ينهى 9 ك العلق أرأيت إن كان على الهدى 11 ك العلق أرأيت إن كذب وتولى 13 ك العلق أرأيت من اتخذ إلهه هواه 43 ك الفرقان ارجع إليهم فلنأتينهم بجنود لا قبل لهم بها 37 ك النمل ارجعوا إلى أبيكم فقولوا: يا أبانا إن ابنك سرق 81 ك يوسف ارجعي إلى ربك راضية مرضية 28 ك الفجر أرسله معنا غدا يرتع ويلعب 12 ك يوسف اركض برجلك هذا مغتسل بارد وشراب 42 ك ص إرم ذات العماد 7 ك الفجر أزفت الآزفة 57 ك النجم أسباب السماوات فأطلع إلى إله موسى 37 ك غافر استجيبوا لربكم من قبل أن يأتي يوم لا مرد له 47 ك الشورى استحوذ عليهم الشيطان فأنساهم ذكر الله 19 د المجادلة استغفر لهم أولا تستغفر لهم 80 د التوبة استكبارا في الأرض ومكر السيئ 43 ك فاطر
أسكنوهن من حيث سكنتم من وجدكم 6 د الطلاق أسلك يدك في جيبك تخرج بيضاء من غير سوء 32 ك القصص أسمع بهم وأبصر يوم يأتوننا 38 ك مريم اشتروا بآيات الله ثمنا قليلا فصدوا عن سبيله 9 د التوبة
‘তবে আমি অবশ্যই তোমাকে ইহজীবনে দ্বিগুণ এবং পরজীবনে দ্বিগুণ (শাস্তি) আস্বাদন করাতাম’ ৭৫ দ আল-ইসরা; ‘যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে তাদেরকে (যুদ্ধের) অনুমতি প্রদান করা হলো, কারণ তারা অত্যাচারিত হয়েছে’ ৩৯ দ আল-হাজ্জ; ‘আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে বিচার দিবসকে অস্বীকার করে?’ ১ ক আল-মাউন; ‘আপনি কি তাকে দেখেছেন যে বাধা দান করে?’ ৯ ক আল-আলাক; ‘আপনি কি দেখেছেন, যদি সে সঠিক পথের ওপর থাকে?’ ১১ ক আল-আলাক; ‘আপনি কি দেখেছেন, যদি সে অস্বীকার করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়?’ ১৩ ক আল-আলাক; ‘আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছে?’ ৪৩ ক আল-ফুরকান; ‘তাদের কাছে ফিরে যাও; আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে এমন এক বাহিনী নিয়ে আসব যার মোকাবিলা করার ক্ষমতা তাদের নেই’ ৩৭ ক আন-নামল; ‘তোমরা তোমাদের পিতার কাছে ফিরে যাও এবং বলো: হে আমাদের পিতা, আপনার পুত্র তো চুরি করেছে’ ৮১ ক ইউসুফ; ‘তুমি তোমার রবের কাছে ফিরে এসো সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন অবস্থায়’ ২৮ ক আল-ফজর; ‘আগামীকাল তাকে আমাদের সাথে পাঠান, সে মনের সুখে ঘুরে বেড়াবে ও খেলাধুলা করবে’ ১২ ক ইউসুফ; ‘তোমার পা দিয়ে আঘাত করো; এই তো গোসলের শীতল পানি এবং পানীয়’ ৪২ ক সোয়াদ; ‘ইরাম (গোত্র), যারা সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী ছিল’ ৭ ক আল-ফজর; ‘কিয়ামত আসন্ন’ ৫৭ ক আন-নাজম; ‘আকাশসমূহের পথসমূহ, যাতে আমি মূসার ইলাহকে দেখতে পাই’ ৩৭ ক গাফির; ‘তোমরা তোমাদের রবের আহ্বানে সাড়া দাও সেই দিন আসার আগে, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে রদ হওয়ার নয়’ ৪৭ ক আশ-শূরা; ‘শয়তান তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে, ফলে সে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছে’ ১৯ দ আল-মুজাদালা; ‘তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো অথবা না করো’ ৮০ দ আত-তাওবা; ‘জমিনে ঔদ্ধত্য প্রকাশ এবং মন্দ কৌশলের কারণে’ ৪৩ ক ফাতির;
‘তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেখানে বসবাস করো তাদেরকেও সেখানেই থাকতে দাও’ ৬ দ আত-তালাক; ‘তোমার হাত তোমার বগলে প্রবেশ করাও, তা কোনো ত্রুটি ছাড়াই শুভ্র উজ্জ্বল হয়ে বের হয়ে আসবে’ ৩২ ক আল-কাসাস; ‘তারা যেদিন আমাদের কাছে আসবে, সেদিন তারা কত চমৎকার শুনবে ও দেখবে’ ৩৮ ক মারইয়াম; ‘তারা আল্লাহর আয়াতসমূহ সামান্য মূল্যে বিক্রয় করেছে এবং তাঁর পথ থেকে (মানুষকে) নিবৃত্ত করেছে’ ৯ দ আত-তাওবা।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 7)