سابعا:
القرآن الكريم ذاته. وذلك أن القرآن كان أعظم ما عرفته الإنسانية في تاريخها الممتد الطويل.. وقد تضمن القواعد الرصينة الكفيلة بقيام المجتمع الإنساني السليم. تشده الإنسانية فتجد فيه مبتغاها من التشريعات الفردية، والعلائق الأسرية، والمعاملات الاقتصادية والحربية، والقوانين المدنية، والأنظمة الدولية، وبعبارة أوجز.. تجد فيه الأمة كل ما تحتاج إليه في حياتها العامة والخاصة، الدين والدنيا..
القرآن الكريم ذاته. وذلك أن القرآن كان أعظم ما عرفته الإنسانية في تاريخها الممتد الطويل.. وقد تضمن القواعد الرصينة الكفيلة بقيام المجتمع الإنساني السليم. تشده الإنسانية فتجد فيه مبتغاها من التشريعات الفردية، والعلائق الأسرية، والمعاملات الاقتصادية والحربية، والقوانين المدنية، والأنظمة الدولية، وبعبارة أوجز.. تجد فيه الأمة كل ما تحتاج إليه في حياتها العامة والخاصة، الدين والدنيا..
সপ্তম:
পবিত্র কুরআন স্বয়ং। আর তা এজন্য যে, সুদীর্ঘ ইতিহাসে মানবজাতি যত কিছুর পরিচয় পেয়েছে, তার মধ্যে কুরআনই সর্বশ্রেষ্ঠ। এটি এমন সব সুদৃঢ় নীতিমালা ধারণ করে আছে, যা একটি সুস্থ মানব সমাজ গঠনের নিশ্চয়তা প্রদান করে। মানবতা যখনই এর প্রতি আকৃষ্ট হয়, তখনই এতে তার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত বিধিবিধান, পারিবারিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও যুদ্ধকালীন লেনদেন, দেওয়ানি আইন এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালার সন্ধান পায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই উম্মাহ তাদের প্রকাশ্য ও ব্যক্তিগত জীবন তথা দ্বীন ও দুনিয়ার যা কিছু প্রয়োজন, তার সবকিছুই এতে খুঁজে পায়।
পবিত্র কুরআন স্বয়ং। আর তা এজন্য যে, সুদীর্ঘ ইতিহাসে মানবজাতি যত কিছুর পরিচয় পেয়েছে, তার মধ্যে কুরআনই সর্বশ্রেষ্ঠ। এটি এমন সব সুদৃঢ় নীতিমালা ধারণ করে আছে, যা একটি সুস্থ মানব সমাজ গঠনের নিশ্চয়তা প্রদান করে। মানবতা যখনই এর প্রতি আকৃষ্ট হয়, তখনই এতে তার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত বিধিবিধান, পারিবারিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও যুদ্ধকালীন লেনদেন, দেওয়ানি আইন এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালার সন্ধান পায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই উম্মাহ তাদের প্রকাশ্য ও ব্যক্তিগত জীবন তথা দ্বীন ও দুনিয়ার যা কিছু প্রয়োজন, তার সবকিছুই এতে খুঁজে পায়।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 75)