‌‌المقصد السادس: الأدوات التي يحتاج إليها المفسر
قاعدة: كل حرف له معنى متبادر، ثم استُعمل في غيره، فإنه لا ينسلخ من معناه الأول بالكلية، بل يبقى فيه رائحة منه ويلاحظ معه.
قاعدة: يستدل على افتراق معاني الحروف بافتراق الأجوبة عنها.
قاعدة: لكل حرف من حروف المعاني وجه هو به أولى من غيره، فلا يجوز تحويل ذلك عنه إلى غيره إلا بحجة.
قاعدة: إذا جاءت "مِنْ" قبل المبتدأ، أو الفاعل، أو المفعول، فهي لتأكيد النفي وزيادة التنكير، والتنصيص في العموم.
قاعدة: حيث وقعت "إذ" بعد "واذكر" فالمراد به الأمر بالنظر إلى ما اشتمل عليه ذلك الزمان؛ لغرابة ما وقع فيه.
قاعدة: إذا دخلت "قد" على المضارع المسند إلى الله تعالى، فهي للتحقيق دائمًا.
قاعدة: إذا دخلت "الألف واللام" على اسم موصوف اقتضت أنه أحق بتلك الصفة من غيره.
قاعدة: الاسم الموصول يفيد علِّيَّة الحكم.
ষষ্ঠ উদ্দেশ্য: মুফাসসিরের (المفسر) জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ
নীতি: প্রতিটি হরফ বা অব্যয়ের একটি স্বতস্ফূর্ত অর্থ থাকে; অতঃপর যখন তা অন্য কোনো অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তা থেকে মূল অর্থটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায় না, বরং তাতে পূর্বের অর্থের কিছুটা রেশ থেকে যায় এবং ব্যবহারের সময় তা বিবেচনায় রাখা হয়।
নীতি: অব্যয়সমূহের উত্তরের ভিন্নতা দ্বারা তাদের অর্থের ভিন্নতা নির্ণয় করা হয়।
নীতি: অর্থবোধক অব্যয়সমূহের (حروف المعاني) প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট দিক বা অর্থ রয়েছে যা অন্যটির তুলনায় অধিক অগ্রগণ্য; সুতরাং কোনো প্রমাণ (حجة) ছাড়া সেই অর্থ পরিবর্তন করা বৈধ নয়।
নীতি: যখন ‘মিন’ (مِنْ) শব্দটি মুবতাদা (المبتدأ), ফায়েল (الفاعل) অথবা মাফউল (المفعول)-এর পূর্বে আসে, তখন তা নেতিবাচকতাকে জোরালো করার (تأكيد النفي), অনির্দিষ্টতাকে বৃদ্ধি করার (زيادة التنكير) এবং ব্যাপকতাকে সুনির্দিষ্ট করার (التنصيص في العموم) অর্থ প্রদান করে।
নীতি: যেখানেই ‘ইজ’ (إذ) শব্দটি ‘ওয়াজকুর’ (واذكر)-এর পরে আসে, সেখানে উদ্দেশ্য হয় সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহের প্রতি লক্ষ্য করার আদেশ (الأمر); কারণ সেই সময়ে যা ঘটেছিল তা ছিল বিস্ময়কর বা নজিরবিহীন (غرابة)।
নীতি: যখন ‘ক্বাদ’ (قد) শব্দটি আল্লাহ তাআলার দিকে সম্বন্ধযুক্ত মুজারি (المضارع) ক্রিয়ার শুরুতে আসে, তখন তা সর্বদা সুদৃঢ়করণ বা নিশ্চয়তার (التحقيق) জন্য ব্যবহৃত হয়।
নীতি: যখন কোনো বিশেষিত বিশেষ্যের (اسم موصوف) শুরুতে ‘আলিফ-লাম’ (الألف واللام) যুক্ত হয়, তখন এটি দাবি করে যে, সেই সত্তাটি উক্ত গুণের ক্ষেত্রে অন্যের তুলনায় অধিক হকদার।
নীতি: ইসম মাওসুল (الاسم الموصول) কোনো বিধানের কারণ হওয়ার (علِّيَّة الحكم) অর্থ প্রদান করে।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 13)