1721 - قَالَ أَبُو دَاوُدَ : حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ : ` مَا حَقُّ الزَّوْجِ عَلَى امْرَأَتِهِ ؟ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لا تَمْنَعْهُ نَفْسَهَا وَإِنْ كَانَتْ عَلَى ظَهْرِ قَتَبٍ، وَلا تُعْطِي مِنْ بَيْتِهِ شَيْئًا إِلا بِإِذْنِهِ، فَإِنْ فَعَلَتْ ذَلِكَ كَانَ لَهُ الأَجْرُ وَعَلَيْهَا الْوِزْرُ، وَلا تَصُومُ يَوْمًا تَطَوُّعًا إِلا بِإِذْنِهِ، فَإِنْ فَعَلَتْ ذَلِكَ أَثِمَتْ وَلَمْ تُؤْجَرْ، وَلا تَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ إِلا بِإِذْنِهِ، فَإِنْ فَعَلَتْ لَعَنَتْهَا الْمَلائِكَةُ : مَلائِكَةُ الْعَذَابِ، وَمَلائِكَةُ الرَّحْمَةِ، حَتَّى تَتُوبَ أَوْ تَرْجِعَ، فَقِيلَ : وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا ؟ قَالَ : وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا ` . وَقَالَ مُسَدَّدٌ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، ثنا لَيْثٌ، فَذَكَرَهُ، وَقَالَ بَعْدَ قَوْلِهِ ` وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا `، فَقَالَتْ : وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ نَبِيًّا، لا يَمْلِكُ عَلَيَّ أَمْرِي رَجُلٌ أَبَدًا . وَقَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ لَيْثٍ، فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ عَبْدِ الْوَاحِدِ . وَقَالَ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ قُطْبَةَ، عَنْ لَيْثٍ، فَذَكَرَ نَحْوَ الأَوَّلِ، وَلَمْ يَقُلْ : قِيلَ : وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا إِلَى آخِرِهِ . وَقَالَ أَبُو يَعْلَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، ثنا لَيْثٌ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُما، قَالَ : سَأَلْتِ امْرَأَةٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرَ نَحْوَهُ بِسِيَاقِ جَرِيرٍ دُونَ الزِّيَادَةِ فِي آخِرِهِ، وَهَذَا الاخْتِلافُ مِنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، وَهُوَ ضَعِيفٌ *
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একজন মহিলা এসে জিজ্ঞেস করলেন, ‘স্বামীর ওপর তার স্ত্রীর কী হক?’

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘সে (স্ত্রী) যেন তার স্বামীকে (শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে) বাধা না দেয়, যদিও সে হাওদার পিঠে (সফররত অবস্থায়) থাকে।

আর সে যেন তার অনুমতি ব্যতীত স্বামীর ঘর থেকে কোনো কিছু দান না করে। যদি সে তা করে, তবে তার (স্বামীর) জন্য সওয়াব হবে এবং তার (স্ত্রীর) জন্য গুনাহ হবে।

আর সে যেন তার অনুমতি ছাড়া কোনো নফল রোযা না রাখে। যদি সে তা করে, তবে সে গুনাহগার হবে, কিন্তু কোনো প্রতিদান পাবে না।

আর সে যেন তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার ঘর থেকে বের না হয়। যদি সে তা করে, তবে ফেরেশতারা – আযাবের ফেরেশতা এবং রহমতের ফেরেশতা উভয়েই – তাকে অভিসম্পাত করতে থাকে, যতক্ষণ না সে তওবা করে কিংবা ফিরে আসে।’

জিজ্ঞেস করা হলো, ‘যদি সে (স্বামী) জালেম হয়, তবুও কি?’ তিনি বললেন, ‘যদিও সে জালেম হয়।’

আল মাত্বালিবুল আলিয়াহ (1721)