756 - عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ في أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ في الْأَرْضِ وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرًا وَيَقُولُونَ إِذَا بَرَأَ الدَّبَرْ وَعَفَا الْأَثَرْ(1) وَانْسَلَخَ صَفَرْ حَلَّتْ الْعُمْرَةُ لِمَنْ اعْتَمَرْ فَقَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ أَيُّ الْحِلِّ قَالَ الْحِلُّ كُلُّهُ. (م 4/ 56)
ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তারা মনে করত যে, হজের মাসসমূহে উমরাহ করা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় পাপসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর তারা মুহাররম মাসকে সফর মাস হিসেবে গণ্য করত এবং বলত: যখন পিঠের ক্ষত সেরে যায়, পায়ের চিহ্ন মুছে যায় এবং সফর মাস শেষ হয়ে যায়, তখন যে উমরাহকারী উমরাহ করতে চায়, তার জন্য উমরাহ হালাল হয়। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ (যুলহাজ্জের) চতুর্থ দিনের সকালে হজের ইহরাম বেঁধে মক্কায় আগমন করলেন। তিনি তাঁদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তাঁরা সেটিকে উমরায় পরিণত করেন। তাঁদের কাছে এটা খুবই বড় (অস্বাভাবিক) মনে হলো। তখন তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এটা কোন্ ধরনের হালাল হওয়া? তিনি বললেন, সম্পূর্ণ হালাল হওয়া (অর্থাৎ সবদিক থেকেই হালাল)।
মুখতাসার সহীহ মুসলিম (756)