حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ { لاَ يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلاَ تَعْضُلُوهُنَّ لِتَذْهَبُوا بِبَعْضِ مَا آتَيْتُمُوهُنَّ إِلاَّ أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُبَيِّنَةٍ } وَذَلِكَ أَنَّ الرَّجُلَ كَانَ يَرِثُ امْرَأَةَ ذِي قَرَابَتِهِ فَيَعْضُلُهَا حَتَّى تَمُوتَ أَوْ تَرُدَّ إِلَيْهِ صَدَاقَهَا فَأَحْكَمَ اللَّهُ عَنْ ذَلِكَ وَنَهَى عَنْ ذَلِكَ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، انظر الحدیث السابق (1304)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، وهذا إسناد حسن . على بن الحسين بن واقد حسن الحديث . يزيد النَّخوِي : هو ابن أبي سعيد المروزي . وانظر ما قبله، وما بعده .
ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।
সুনান আবী দাউদ (2090)