حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ عَلَى أَحَدٍ أَوْ يَدْعُوَ لِأَحَدٍ قَنَتَ بَعْدَ الرُّكُوعِ فَرُبَّمَا قَالَ إِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ وَسَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ وَعَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ وَالْمُسْتَضْعَفِينَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ وَاجْعَلْهَا سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ وَيَجْهَرُ بِذَلِكَ يَقُولُ فِي بَعْضِ صَلَاتِهِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا وَفُلَانًا لِحَيَّيْنِ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى لَيْسَ لَكَ مِنْ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
১৬৩৩. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কারো বিপক্ষে বদদু’আ করার ইচ্ছা করতেন কিংবা কারো জন্য দু’আ করতে চাইতেন, তখন তিনি রুকূ’র পরে ‘কুনুত’ পড়তেন। কখনো “সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ, রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু’“ বলার পরেই তিনি (দু’আয়) বলতেন: ‘‘হে আল্লাহ্! ওয়ালীদ ইবনুল ওয়ালীদ, সালামাহ ইবনু হিশাম, আইয়াশ ইবনু আবূ রবীআ ও (মক্কা’র) অসহায় মু’মিনদের নাজাত (মুক্তি) দিন। হে আল্লাহ্! মুযার গোত্রের উপর আপনার পাকড়াও জোরদার করুন এবং তাদের উপর ইউসুফ (আ:) এর সময়কার দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষ দিন।’’ তিনি উচ্চ স্বরে এ দু’আ করতেন। আর তিনি আরবের গোত্রসমূহের মধ্য থেকে কোনো কোনো গোত্রের বিরুদ্ধে ফজরের সালাতে (দু’আ কুনুতে) বলতেন: “হে আল্লাহ! অমুক অমুকের উপর লা’নত বর্ষণ করুন।“ ফলে আল্লাহ তা’আলা (এ আয়াত) নাযিল করলেন: [“এ কার্যে তোমার কোনোই কর্তৃত্ব নেই যে, তিনি তাদেরকে ক্ষমা করেন অথবা শাস্তি প্রদান করেন; কেননা, নিশ্চয়ই তারা অত্যাচারী।“][1] (সূরা: আলে ইমরান: ১২৮)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, আযান ৭৯৭, দাওয়াত ৬৩৯৩; মুসলিম, মাসাজিদ ৬৭৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭৩, ৫৯৯৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৭২, ১৯৮৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৮ তে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, আযান ৭৯৭, দাওয়াত ৬৩৯৩; মুসলিম, মাসাজিদ ৬৭৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭৩, ৫৯৯৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৭২, ১৯৮৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৮ তে।
সুনান আদ-দারিমী (1632)