أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ثَوْبَانَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ هَذَا السَّهَرَ جَهْدٌ وَثِقَلٌ فَإِذَا أَوْتَرَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ فَإِنْ قَامَ مِنْ اللَّيْلِ وَإِلَّا كَانَتَا لَهُ
১৬৩২. ছাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “(রাত্রি) জাগরণ অতি কষ্টকর এবং অত্যন্ত ভারী। ফলে যখন তোমাদের কেউ বিতর আদায় করে, এরপর সে যেন দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়। এরপর যদি সে রাতে (সালাতে) দণ্ডায়মান হতে পারে, (তবে তো ভালো); নতুবা এ দু’ রাকা’আতই তার জন্য (যথেষ্ট) হবে।“[1]

আর বর্ণিত হয়েছে: هَذَا السَّفَرَ (এই সফর)। তবে আমি বলি: السَّهَرَ (রাত্রি জাগরণ)।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৭৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৮৩; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩০২১, ৩৫২৪ তে। ((ইহসান, ৪/১২২ নং ২৫৬৮; ইবনু খুযাইমা ২/১৫৯ নং ১১০৬; বাযযার ১/৩৩৩ নং ৬৯২; তাবারাণী, কাবীর ২/৯২ নং ১৪১০; বাইহাকী, সালাত ৩/৩৩; হাইছামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৬৩ তিনি বলেন: এটি বাযযার বর্ণনা করেছেন, এতে লাইছের কাতিব আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ রয়েছে; তার দলীলযোগ্য হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।... মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৮৩ নং এ টীকা হতে। -অনুবাদক))

সুনান আদ-দারিমী (1631)