952 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ سُلَيْمِ* بْنِ عَامِرٍ الْكَلَاعِيِّ، عَنْ أَوْسَطَ بْنِ عَامِرٍ الْبَجَلِيِّ، [ص:233] قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَقِيتُ أَبَا بَكْرٍ يَخْطُبُ النَّاسَ وَقَالَ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ أَوَّلٍ فَخَنَقَتْهُ الْعَبْرَةُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ قَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ، سَلُوا اللَّهَ الْمُعَافَاةَ، فَإِنَّهُ لَمْ يُعْطَ أَحَدٌ مِثْلَ الْيَقِينِ بَعْدَ الْمُعَافَاةِ، وَلَا أَشَدَّ مِنَ الرِّيبَةِ بَعْدَ الْكُفْرِ، وَعَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّهُ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ وَهُمَا فِي الْجَنَّةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّهُ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ وَهُمَا فِي النَّارِ» أَرَادَ بِهِ مُرْتَكِبَهُمَا لَا نَفْسَهُمَا. [1: 104]
رقم طبعة با وزير = (948)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح «الروض» -أيضا-. * [سُلَيْمِ] قال الشيخ: تحرفت في مطبوعة دار الكتب العلمية إلى: (سلمان)! تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي.
আওসাত বিন আমের আল বাজালী বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মৃত্যুর পর আমি মদীনায় আগমন করে আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সাথে সাক্ষাৎ করি, এসময় তিনি মানুষের উদ্দেশ্য ভাষন দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “এক বছর আগে আমাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়েছিলেন। অতঃপর কান্নার কারণে তার গলা জড়িয়ে আসে। এভাবে তিনবার এরকম করেন। তারপর তিনি বলেন, “হে লোক সকল, তোমরা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাও। কেননা কোন ব্যক্তিকে নিরাপত্তার পর ইয়াকীনের মতো আর কোন কিছু দেওয়া হয় না। আর কুফরের পর সন্দেহের চেয়ে কঠিন আর কিছু দেওয়া হয়না। তোমাদের জন্য আবশ্যক হলো সততা অবলম্বন করা, কেননা সততা মানুষকে সৎ পথে পরিচালিত করে, আর উভয়েই জান্নাতে থাকবে। আর তোমরা মিথ্যা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা মিথ্যা মানুষকে পাপের পথে পরিচালিত করে, আর উভয়েই জাহান্নামে থাকবে।”[1] হাদীসে ‘তারা উভয়’ উদ্দেশ্য হলো এসব দোষ-গুণ প্রতিপালনকারী; খোদ দোষ-গুণ উদ্দেশ্য নয়।







[1] নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ: ৮৮৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/৮; মুসনাদু হুমাইদী: ২; নাসাঈ: ৮৮১; ইবনু মাজাহ: ৩৮৪৯; হাকিম: ১/৫২৯; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ১০/১৭৩; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৭২৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আয রওয: ৯১৭ ।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (952)