920 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ الطَّائِيُّ بِمَنْبَجَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْأَغَرِّ، وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «يَنْزِلُ رَبُّنَا [ص:200] جَلَّ وَعَلَا كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْآخِرُ فَيَقُولُ: مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ؟ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ؟ مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي أَغْفِرُ لَهُ؟ »
رقم طبعة با وزير = (916) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: صِفَاتُ اللَّهِ جَلَّ وَعَلَا لَا تُكَيَّفُ، وَلَا تُقَاسُ إِلَى صِفَاتِ الْمَخْلُوقِينَ، فَكَمَا أَنَّ اللَّهَ جَلَّ وَعَلَا مُتَكَلِّمٌ مِنْ غَيْرِ آلَةٍ بَأَسْنَانٍ وَلَهَوَاتٍ وَلِسَانٍ وَشَفَةٍ كَالْمَخْلُوقِينَ، جَلَّ رَبُّنَا وَتَعَالَى عَنْ مِثْلِ هَذَا وَأَشْبَاهِهِ، وَلَمْ يَجُزْ [ص:201] أَنْ يُقَاسَ كَلَامُهُ إِلَى كَلَامِنَا، لِأَنَّ كَلَامَ الْمَخْلُوقِينَ لَا يُوجَدُ إِلَّا بِآلَاتٍ، وَاللَّهُ جَلَّ وَعَلَا يَتَكَلَّمُ كَمَا شَاءَ بِلَا آلَةٍ، كَذَلِكَ يَنْزِلُ بِلَا آلَةٍ، وَلَا تَحَرُّكٍ، وَلَا انْتِقَالٍ مِنْ مَكَانٍ إِلَى مَكَانٍ، وَكَذَلِكَ السَّمْعُ وَالْبَصَرُ، فَكَمَا لَمْ يَجُزْ أَنْ يُقَالَ: اللَّهُ يُبْصِرُ كَبَصَرِنَا بِالْأَشْفَارِ وَالْحَدَقِ وَالْبَيَاضِ، بَلْ يُبْصِرُ كَيْفَ يَشَاءُ بِلَا آلَةٍ، وَيَسْمَعُ مِنْ غَيْرِ أُذُنَيْنِ، وَسِمَاخَيْنِ، وَالْتِوَاءٍ، وَغَضَارِيفَ فِيهَا، بَلْ يَسْمَعُ كَيْفَ يَشَاءُ بِلَا آلَةٍ، وَكَذَلِكَ يَنْزِلُ كَيْفَ يَشَاءُ بِلَا آلَةٍ مِنْ غَيْرِ أَنْ يُقَاسَ نُزُولُهُ إِلَى نُزُولِ الْمَخْلُوقِينَ، كَمَا يُكَيَّفُ نُزُولُهُمْ، جَلَّ رَبُّنَا وَتَقَدَّسَ مِنْ أَنْ تُشَبَّهَ صِفَاتُهُ بِشَيْءٍ مِنْ صِفَاتِ الْمَخْلُوقِينَتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «ابن ماجه» (1366): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين.
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেছেন, “যখন রাতের শেষ এক তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে, তখন মহান আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, অতঃপর বলেন, “কে আমার কাছে দু‘আ করবে, তবে আমি তার দু‘আ কবুল করব, কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দিব, কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আল্লাহর গুণাবলীর ধরণ বর্ণনা করা যাবেনা এবং মাখলূকের সিফাতের সাথে তুলনা করা যাবেনা। সুতরাং মাখলূকাত যেমন ঠোট, জবান, আলজিহবা, দাঁত প্রভৃতি অঙ্গের মাধ্যমে কথা বলেন, মহান আল্লাহ তা‘আলা এরকম অঙ্গ ছাড়াই কথা বলেন। তিনি এরকম অঙ্গের সাহায্যে কথা বলা, এরকম হওয়া থেকে সুমহান। তাঁর কথাকে আমাদের কথার সাথে তুলনা করা জায়েয নেই। কেননা মাখলূকাতের কথা অঙ্গ ছাড়া হয় না। আল্লাহ তা‘আলা অঙ্গ ছাড়াই যেভাবে ইচ্ছা কথা বলেন। অনুরুপভাবে তিনি অঙ্গ, নড়াচড়া করা এবং স্থানান্তর ছাড়াই অবতরণ করেন। শ্রবণ করা, দর্শন করার ব্যাপারটিও অনুরুপ। সুতরাং যেভাবে এটা বলা জায়েয নেই যে, তিনি আমাদের মতো চোখের কোন, সাদা অংশ ও চোখের তারার মাধ্যমে দেখেন, বরং তিনি অঙ্গ ছাড়াই যেভাবে ইচ্ছা দেখেন। তিনি কান, কানের ছিদ্র, কানের প্যাঁচ, কানের নরম হাড্ডি অঙ্গ ছাড়াই যেভাবে ইচ্ছা কথা শুনেন। অনুরুপভাবে তিনি কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সাহায্য ছাড়াই যেভাবে ইচ্ছা অবতরণ করেন, এক্ষেত্রে তাঁর অবতরণকে মাখলূকাতের অবতরণের সাথে তুলনা করা যাবেনা, যেভাবে মাখলূকাতের অবতরণের ধরন বর্ণনা করা যায়, সেভাবে মাখলূকাতের সিফাতের সাথে তাঁর সিফাতকে সাদৃশ্য দেওয়া থেকে তিনি সুমহান ও পুতঃপবিত্র।”







[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২১৪; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৮৭; সহীহ আল বুখারী: ১১৪৫; সহীহ মুসলিম: ৭৫৮; আবূ দাঊদ: ১৩১৫; সুনান বাইহাকী: ৩/২; ইবনু মাজাহ: ১৩৬৬; তিরমিযী: ৪৪৬; নাসাঈ: ৪৮৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইবনু মাজাহ: ১৩৬৬।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (920)