738 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مِهْرَانَ السَّبَّاكُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهُوَ بِأَضَاةِ بَنِي غِفَارَ، فَقَالَ: «يَا مُحَمَّدُ، إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى حَرْفٍ وَاحِدٍ، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَسْأَلُ اللَّهَ مُعَافَاتَهُ وَمَغْفِرَتَهُ، أَوْ مَعُونَتَهُ وَمُعَافَاتَهُ، سَلْ لَهُمُ التَّخْفِيفَ، فَإِنَّهُمْ لَنْ يُطِيقُوا ذَلِكَ فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ: إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى حَرْفَيْنِ، فَقَالَ: أَسْأَلُ اللَّهَ مُعَافَاتَهُ وَمَغْفِرَتَهُ، أَوْ مَعُونَتَهُ وَمُعَافَاتَهُ، سَلْ لَهُمُ التَّخْفِيفَ، فَإِنَّهُمْ لَنْ يُطِيقُوا ذَلِكَ فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ: إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى ثَلَاثَةِ أَحْرُفٍ، قَالَ: أَسْأَلُ اللَّهَ مُعَافَاتَهُ وَمَغْفِرَتَهُ، أَوْ مَعُونَتَهُ وَمُعَافَاتَهُ، سَلْ لَهُمُ التَّخْفِيفَ، فَإِنَّهُمْ لَنْ يُطِيقُوا ذَاكَ، قَالَ: فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ: إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنَّ تَقْرَأَ هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ، فَمَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْهَا فَهُوَ كَمَا قَرَأَ». [1: 20]
رقم طبعة با وزير = (735)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1328): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: جعفر بن مهران: ذكره ابن حبان في «الثقات» وروى عنه جماعة، وقد توبع عليه، وباقي رجاله ثقات.
উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বলেন, “জিবরীল আলাইহিস সালাম নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসেন, সে সময় তিনি বানী গিফার গোত্রের এলাকায় ছিলেন। জিবরীল আলাইহিস সালাম তাঁকে বলেন, “হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এই কুর‘আন এক রীতিতে পাঠ করে শুনাবেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা চাই (রাবী বলেন, “অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। আপনি তাঁর কাছে একটু সহজতা প্রার্থনা করুন। কেননা তারা এটা পারবে না।” অতঃপর জিবরীল আলাইহিস সালাম (আল্লাহর কাছে) চলে গেলেন তারপর আবার ফিরে আসলেন এবং বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এই কুর‘আন এক রীতিতে পাঠ করে শুনাবেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে তাঁর সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা চাই, (রাবী বলেন, “অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। আপনি তাঁর কাছে একটু সহজতা প্রার্থনা করুন। কেননা তারা এটা পারবে না।” অতঃপর জিবরীল আলাইহিস সালাম (আল্লাহর কাছে) চলে গেলেন তারপর আবার ফিরে আসলেন এবং বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এই কুর‘আন দুই রীতিতে পাঠ করে শুনাবেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা চাই, (রাবী বলেন, “অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। আপনি তাঁর কাছে একটু সহজতা প্রার্থনা করুন। কেননা তারা এটা পারবে না।” অতঃপর জিবরীল আলাইহিস সালাম (আল্লাহর কাছে) চলে গেলেন তারপর আবার ফিরে আসলেন এবং বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এই কুর‘আন তিন রীতিতে পাঠ করে শুনাবেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা চাই, (রাবী বলেন, “অথবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। আপনি তাঁর কাছে একটু সহজতা প্রার্থনা করুন। কেননা তারা এটা পারবে না।” অতঃপর জিবরীল আলাইহিস সালাম (আল্লাহর কাছে) চলে গেলেন তারপর আবার ফিরে আসলেন এবং বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এই কুর‘আন সাত রীতিতে পাঠ করে শুনাবেন। কাজেই যে ব্যক্তি এই সাত রীতির যে কোন এক রীতিতে কুর‘আন পাঠ করবে, সে ব্যক্তি যথাযথভাবেই কুর‘আন পাঠ করলো।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১০/৫১৮; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৩২; আত তায়ালিসী: ২/৮; তিরমিযী: ২৯৪৪। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাঊদ: ১৩২৮।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (738)