3621 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:386] عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: «كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ صَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ، فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ كَانَ هُوَ الْفَرِيضَةَ، وَتُرِكَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ، فَمَنْ شَاءَ صَامَ، وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ»
رقم طبعة با وزير = (3612)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2110): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
رقم طبعة با وزير = (3612)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2110): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আশুরার দিনটি এমন একটি দিন ছিল, যাতে জাহেলী যুগে কুরাইশরাও সিয়াম রাখতো। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন তিনি নিজে এই দিন সিয়াম রাখনে এবং সাহাবীদেরকেও সিয়াম রাখার নির্দেশ দেন। অতঃপর যখন রমযানের সিয়াম ফরয করা হয়, তখন সেটাই ফরয থাকে আর আশুরার সিয়াম ছেড়ে দেওয়া হয়। কাজেই যে ব্যক্তি চায়, সে এই সিয়াম রাখবে আর যে চায় তা ছেড়ে দিতে পারে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯৯; আবূ দাঊদ: ২৪৪২; সুনান বাইহাকী: ৪/২৮৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৮৪৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৬২; সহীহুল বুখারী: ৩৮৩১; সহীহ মুসলিম: ১১২৫; তিরমিযী: ৭৫৩; সহীহ ইবনু খুযিইমাহ: ২০৮০; দারেমী: ২/২৩; ইমাম শাফেঈ: ১/২৬২-২৬৩; তাহাবী: ২/৭৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২১১০)
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯৯; আবূ দাঊদ: ২৪৪২; সুনান বাইহাকী: ৪/২৮৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৮৪৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৬২; সহীহুল বুখারী: ৩৮৩১; সহীহ মুসলিম: ১১২৫; তিরমিযী: ৭৫৩; সহীহ ইবনু খুযিইমাহ: ২০৮০; দারেমী: ২/২৩; ইমাম শাফেঈ: ১/২৬২-২৬৩; তাহাবী: ২/৭৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২১১০)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3621)