3590 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ السَّكَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عِكْرِمَةَ فِي الْيَوْمِ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ مِنْ رَمَضَانَ وَهُوَ يَأْكُلُ، فَقَالَ: ادْنُ فَكُلْ، قُلْتُ: إِنِّي صَائِمٌ، فَقَالَ: وَاللَّهِ لَتَدْنُوَنَّ، قُلْتُ: فَحَدِّثْنِي، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ [ص:357] رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا تَسْتَقْبِلُوا الشَّهْرَ اسْتِقْبَالًا، صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ، وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ، فَإِنْ حَالَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُ غَبَرَةُ سَحَابٍ، أَوْ قَتَرَةٌ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلَاثِينَ»
رقم طبعة با وزير = (3582)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2016). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
رقم طبعة با وزير = (3582)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2016). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
সিমাক বিন হারব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি ইকরামার কাছে যাই, এমন দিনে যেদিন রমযান হওয়া সন্দেহপূর্ণ ছিল। এসময় তিনি খাবার গ্রহণ করছিলেন। তখন তিনি বলেন, “কাছে আসো এবং খাবার খাও।” আমি বললাম, “আমি সিয়াম রেখেছি।” তখন তিনি বলেন, “আল্লাহর কসম, অবশ্যই তুমি কাছে আসবে।” আমি বললাম, “আমাকে হাদীস বলুন।” তখন তিনি বলেন, “আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা (রমযান) মাসকে আগেভাগেই গ্রহণ করে নিবে না (অর্থাৎ মাস শুরু হওয়ার আগেই সিয়াম রাখা শুরু করো না)। তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখবে এবং চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা বাদ দিবে। যদি চাঁদ ও তোমাদের মাঝে মেঘের ধূসরতা ও কালিমা অন্তরায় হয়, তবে তোমরা (শা‘বাস মাসকে) ৩০ দিন গণনা করবে।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯১২; হাকিম: ১/৪২৪-৪২৫; মুসনাদ আহমাদ: ১/২২৬; দারেমী: ২/২; নাসাঈ: ৪/১৩৬; সুনান বাইহাকী: ৪/২০৭; বাগাবী: ১৭১৬; তাবারানী: ১১৭৫৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৮৭; মুসনাদ ইমাম শাফেঈ: ১/২৭৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৩০২; ইবনুল জারূদ: ৩৭৫; সহীহ মুসলিম: ১০৮৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০১৬)
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯১২; হাকিম: ১/৪২৪-৪২৫; মুসনাদ আহমাদ: ১/২২৬; দারেমী: ২/২; নাসাঈ: ৪/১৩৬; সুনান বাইহাকী: ৪/২০৭; বাগাবী: ১৭১৬; তাবারানী: ১১৭৫৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৮৭; মুসনাদ ইমাম শাফেঈ: ১/২৭৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৩০২; ইবনুল জারূদ: ৩৭৫; সহীহ মুসলিম: ১০৮৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০১৬)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3590)