2628 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ [ص:357] إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُرَحْبِيلِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ، قَالَ: «أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ حَتَّى نَزَلْنَا السُّقْيَا»، فَقَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ: مَنْ يَسْقِينَا؟ قَالَ: «جَابِرٌ»، فَخَرَجْتُ فِي فَتَيَانٍ مِنَ الْأَنْصَارِ حَتَّى أَتَيْنَا الْمَاءَ الَّذِي بِالْأُثَايَةِ، وَبَيْنَهُمَا قَرِيبٌ مِنْ ثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ مِيلًا، فَسَقَيْنَا وَاسْتَقَيْنَا، حَتَّى إِذَا كَانَ بَعْدَ عَتَمَةٍ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى بَعِيرٍ يُنَازِعُهُ بَعِيرُهُ إِلَى الْحَوْضِ، فَقَالَ لَهُ: أَوْرِدْ، فَأَوْرَدَ، فَأَخَذْتُ بِزِمَامِ رَاحِلَتِهِ فَأَنَخْتُهَا، «فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى الْعَتَمَةَ وَجَابِرٌ إِلَى جَانِبِهِ، فَصَلَّى ثَلَاثَ عَشْرَةَ سَجْدَةً»
رقم طبعة با وزير = (2619)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - انظر ما بعده. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “হুদায়বিয়ার সন্ধিকালিন সময় আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (মদীনা অভিমুখে) আগমন করছিলাম অতঃপর আমরা সুকইয়া নামক জায়গায় আসলাম। তখন মুয়ায বিন জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমাদেরকে কে পানি পান করাবে?” জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর আমি ও আনসারী কয়েকজন যুবক বের হই, অতঃপর আমরা উসায়ায় পানির জায়গায় আসি। উভয় স্থানের মাঝে প্রায় ২৩ মাইলের দূরত্ব। আমরা সেখানে নিজেরা পানি পান করি এবং বাহনদেরও পানি পান করাই। অতঃপর সন্ধার পর উটে আরোহন করে এক ব্যক্তি আসলো, তার উট তাকে পানির চৌবাচ্চার নিকট টেনে নিয়ে যেতে চাইলো। সে তাকে বলে, “সামনে আসো।” অতঃপর সে সামনে আসলো। আমি তার বাহনের লাগাম ধরে সেটাকে বসিয়ে দিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করেন, এসময় জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পাশে দিলেন। তিনি ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন।”[1]







[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা: ২২১৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৮০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৫; বাযযার: ৭২৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৬১)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2628)