2382 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:144] عَلِيُّ بْنُ إِشْكَابَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الْأَزْرَقُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْبَطْحَاءِ وَهُوَ فِي قُبَّةٍ حَمْرَاءَ وَعِنْدَهُ أُنَاسٌ، فَجَاءَ بِلَالٌ فَأَذَّنَ، ثُمَّ جَعَلَ يَتْبَعُ فَاهُ هَاهُنَا وَهَاهُنَا - قَالَ سُفْيَانُ: يَعْنِي بِقَوْلِ: حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ - قَالَ: وَأَخْرَجَ فَضْلَ وُضُوءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ النَّاسُ مِنْ بَيْنِ نَائِلٍ، وَنَاضِحٍ، حَتَّى جَعَلَ الصَّغِيرُ يُدْخِلُ يَدَهُ تَحْتَ إِبَاطِ الْقَوْمِ فَيُصِيبُ ذَلِكَ، وَرَكَزَ بِلَالٌ بَيْنَ يَدَيْهِ عَنَزَةً، فَيَمُرُّ الْحِمَارُ وَالْمَرْأَةُ وَالْكَلْبُ لَا يُمْنَعُ، فَصَلَّى الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَدِمَ الْمَدِينَةَ». [4: 50]
رقم طبعة با وزير = (2375)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (533 و 689). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، علي بن إشكاب: صدوق روى له أبو داود وابن ماجه، ومن فوقه ثقات من رجال الشيخين، وقد تقدم برقم (2334) من طريق محمد بن بشار، عن عبد الرحمن، عن سفيان.
আবূ জুহাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি বাতহা নামক স্থানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে উপস্থিত ছিলাম, এসময় তিনি লাল বর্ণের একটি তাবূতে ছিলেন আর তাঁর সাথে অনেক সাহাবী ছিলেন। অতঃপর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে আযান দেন এবং তিনি তার মুখকে এদিক-ওদিক ফিরাচ্ছিলেন। সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “অর্থাৎ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ বলার সময় মুখ এদিক-ওদিক ফিরাচ্ছিলেন। রাবী বলেন, “বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওযূর অবশিষ্ট পানি বের করে আনেন। অতঃপর লোকদের মাঝে কেউ পানি পায়, কেউ তার ছিটে-ফোটা পায়, এমনকি ছোট কোন ব্যক্তি লোকদের বগলের নিচ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে সেই পানি নেয়। বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সামনে একটি বর্শা গেড়ে দেন, অতঃপর তার পিছন দিয়ে গাধা, নারী ও কুকুর অতিক্রম করতে থাকে; কোন বাধা দেওয়া হয়নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের সালাত দুই রাকা‘আত আদায় করেন তারপর মদীনা ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে সালাত পড়তে থাকেন।”[1]







[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩০৮; সহীহ আল বুখারী: ৩৭৬; সহীহ মুসলিম: ৫০৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৩৫; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৬৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২৩১৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২৭৭; আত তায়ালিসী: ১/৮৮; আবূ দাঊদ: ৬৮৮; নাসাঈ: ২/৭৩; সুনান বাইহাকী: ২/২৭০ দারেমী: ১/৩১৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৬৮৯।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2382)