2197 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، [ص:573] قَالَ: حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مُجَاهِدٍ أَبُو حَزْرَةَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى إِذَا كُنَّا عَشِيَّةً وَدَنَوْنَا مِنْ مِيَاهِ الْعَرَبِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ رَجُلٌ يَتَقَدَّمُنَا فَيَرِدُ الْحَوْضَ فَيَشْرَبُ وَيَسْقِينَا؟ » قَالَ جَابِرٌ: فَقُمْتُ فَقُلْتُ: هَذَا رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَيُّ رَجُلٍ مَعَ جَابِرٍ؟ » فَقَامَ جَبَّارُ بْنُ صَخْرٍ، فَانْطَلَقْنَا إِلَى الْبِئْرِ فَنَزَعْنَا فِي الْحَوْضِ سَجْلًا أَوْ سَجْلَيْنِ، ثُمَّ مَدَرْنَاهُ، ثُمَّ نَزَعْنَا فِيهِ حَتَّى أَفْهَقْنَاهُ، فَكَانَ أَوَّلَ طَالِعٍ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَتَأْذَنَانِ؟ » قُلْنَا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَأَشْرَعَ نَاقَتَهُ فَشَرِبَتْ، ثُمَّ شَنَقَ لَهَا فَبَالَتْ، ثُمَّ عَدَلَ بِهَا فَأَنَاخَهَا، ثُمَّ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْحَوْضِ فَتَوَضَّأَ مِنْهُ، ثُمَّ قُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ مِنْ مُتَوَضَّأِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذَهَبَ جَبَّارُ بْنُ صَخْرٍ يَقْضِي حَاجَتَهُ، وَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي وَكَانَتْ عَلَيَّ بُرْدَةٌ، وَكُنْتُ أُخَالِفُ بَيْنَ طَرَفَيْهَا فَلَمْ تَبْلُغْ لِي وَكَانَتْ لَهَا ذَبَاذِبُ [ص:574] فَنَكَّسْتُهَا ثُمَّ خَالَفْتُ بَيْنَ طَرَفَيْهَا فَجِئْتُ حَتَّى قُمْتُ عَنْ يَسَارِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخَذَ بِيَدِي، فَأَدَارَنِي حَتَّى أَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ، وَجَاءَ جَبَّارُ بْنُ صَخْرٍ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ جَاءَ فَقَامَ عَنْ يَسَارِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخَذَنَا بِيَدَيْهِ جَمِيعًا فَدَفَعَنَا حَتَّى أَقَامَنَا مِنْ خَلْفِهِ وَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَرْمُقُنِي وَأَنَا لَا أَشْعُرُ، ثُمَّ فَطِنْتُ فَقَالَ: هَكَذَا وَأَشَارَ بِيَدِهِ شُدَّ، فَلَمَّا فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَا جَابِرُ» قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «إِذَا كَانَ ثَوْبُكَ وَاسِعًا فَخَالِفْ بَيْنَ طَرَفَيْهِ، وَإِنْ كَانَ ضَيِّقًا فَاشْدُدْهُ عَلَى حَقْوِكَ». [5: 8]
رقم طبعة با وزير = (2194)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (644): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
رقم طبعة با وزير = (2194)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (644): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে চলতে থাকি, অতঃপর যখন সন্ধ্যা হলো আমরা আরবের এক জলাধারের কাছাকাছি পৌঁছলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “কে আছে এমন, যে আমাদের অগ্রগামী হয়ে হাওযে অবতরণ করবে অতঃপর সে নিজে পান করবে আর আমাদেরকেও পান করাবে?” জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “জাবিরের সাথে আর কে যাবে?” তখন জাব্বার ইবনু সাখর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়ালেন। তারপর আমরা দু’জন কুয়ার কাছে গেলাম এবং এক বা দু’বালতি কুয়াতে ছাড়লাম। এরপর আমরা কুয়াটি মাটি দ্বারা লেপন করলাম। পরে আমরা কুয়া হতে পানি উঠাতে শুরু করলাম এবং পানি দ্বারা হাওয কানায় কানায় পূর্ণ করলাম। অতঃপর সর্বপ্রথম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে আসেন এবং বলেন, “তোমরা কি আমাকে (এখান হতে পানি পান করার) অনুমতি দিবে?” আমরা বললাম, “নিশ্চয়ই, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। অতঃপর তিনি তাঁর উটনি ছাড়লেন পানি পানের জন্য। উটনি পানি পান করল। অতঃপর তিনি তার উষ্ট্রিকে টান দিলেন। অতঃপর উটনি পেশাব করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরে সেটাকে অন্যত্র নিয়ে গেলেন এবং বসালেন। তারপর আবার তিনি হাওযের কাছে এসে ওযু করলেন। পরে আমিও উঠে গিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত ওযু করলাম। জাব্বার ইবনু সখর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাজত সারার জন্য বের হলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায়ের উদ্দেশে দাঁড়ালেন। আমার গায়ে ছিল একটি চাদর। আমি তার উভয় আঁচল বিপরীত দিকে দেয়ার চেষ্টা করলাম। কিন্তু তা সংকুলান হলো না। সেটার নিচে ঝালর ছিল। তাই সেটাকে আমি উল্টিয়ে নিলাম। এর দু’পাশ আড়াআড়িভাবে দু’কাঁধের উপর রাখলাম এবং গর্দানের সাথে সেটাকে বাঁধলাম। এরপর আমি এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার হাত ধরে ঘুরিয়ে আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন। অতঃপর জাব্বার ইবনু সাখর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে ওযু করলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাম পাশে দাঁড়ালেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’জনের হাত ধরে আমাদেরকে পিছনে সরিয়ে দিলেন এবং আমাদেরকে তাঁর পেছনে দাঁড় করালেন। এ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার প্রতি তীক্ষ্ণভাবে তাকাতে শুরু করলেন, কিন্তু আমি বুঝতে পারছিলাম না, পরিশেষে আমি বুঝতে পারলাম। তখন তিনি আমাকে নিজ হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, “তুমি তোমার কোমর বেঁধে নাও।” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায়ের পর বললেন, “হে জাবির!” আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি উপস্থিত।” তিনি বললেন, “যখন তোমার চাদর প্রশস্ত হবে, তখন তুমি এর দু’পাশ আড়াআড়িভাবে দু’কাঁধের উপর নিবে আর যখন ছোট হবে, তখন সেটাকে তোমার কোমরে (লুঙ্গি হিসেবে) বাঁধবে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৩০১০; আবূ দাঊদ: ৬৪৩; ইবনুল জারূদ, আল মুনতাকা: ১৭২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩০৭; সুনান বাইহাকী: ২/২৩৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৮২৭; হাকিম: ১/২৫৪; আবূ আওয়ানা: ২/৭৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৬৮৪)
[1] সহীহ মুসলিম: ৩০১০; আবূ দাঊদ: ৬৪৩; ইবনুল জারূদ, আল মুনতাকা: ১৭২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩০৭; সুনান বাইহাকী: ২/২৩৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৮২৭; হাকিম: ১/২৫৪; আবূ আওয়ানা: ২/৭৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৬৮৪)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2197)