1937 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ الثَّقَفِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ لِسَعْدٍ: قَدْ شَكَاكَ أَهْلُ الْكُوفَةِ فِي كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى فِي الصَّلَاةِ، فَقَالَ: «أُطِيلُ الْأُولَيَيْنِ، وَأَحْذِفُ فِي الْأُخْرَيَيْنِ، وَمَا آلُو مِنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ» فَقَالَ: ذَاكَ الظَّنُّ بِكَ. [5: 27]
رقم طبعة با وزير = (1934)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (765): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما، أبو عون الثقفي: هو محمد بن عبيد الله بن سعيد.
رقم طبعة با وزير = (1934)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (765): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما، أبو عون الثقفي: هو محمد بن عبيد الله بن سعيد.
জাবির বিন সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সা‘দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন, “কুফাবাসীরা আপনার সব বিষয়ে অভিযোগ করেছে এমনকি সালাতের ব্যাপারেও!” জবাবে সা‘দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি সালাতের প্রথম দুই রাকা‘আত দীর্ঘ করি এবং শেষ দুই রাকা‘আত হালকা করি। আর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো আদায় করতে মোটেও ত্রুটি করি না।” তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আপনার ব্যাপারে ধারণাও তো এমনি।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৪৫৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৮০; আত তায়ালিসী: ২১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৭০৬; সহীহ আল বুখারী: ৭৫৫; নাসাঈ: ২/১৭৪; আবূ আওয়ানা: ২/১৪৯; তাবারানী আল কাবীর: ৩০৮; সুনান বাইহাকী: ২/৬৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫০৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৬৫)
[1] সহীহ মুসলিম: ৪৫৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৮০; আত তায়ালিসী: ২১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৭০৬; সহীহ আল বুখারী: ৭৫৫; নাসাঈ: ২/১৭৪; আবূ আওয়ানা: ২/১৪৯; তাবারানী আল কাবীর: ৩০৮; সুনান বাইহাকী: ২/৬৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫০৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৬৫)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1937)