1876 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، مَوْلَى ثَقِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ السَّاعِدِيَّ، فِي عَشْرَةٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَحَدُهُمْ أَبُو قَتَادَةَ، قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ: أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ [ص:196] عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالُوا لَهُ: وَلِمَ؟ فَوَاللَّهِ مَا كُنْتَ أَكْثَرَنَا لَهُ تَبَعَةً، وَلَا أَقْدَمَنَا لَهُ صُحْبَةً، قَالَ: بَلَى، قَالُوا: فَاعْرِضْ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ كَبَّرَ، وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ، وَيَقِرَّ كُلُّ عَظْمٍ فِي مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلًا، ثُمَّ يَقْرَأُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ، وَيَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ، وَيَرْكَعُ، وَيَضَعُ رَاحَتَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ، ثُمَّ يَعْتَدِلُ فَلَا يُصَوِّبُ رَأْسَهُ وَلَا يَرْفَعُهُ، ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، وَيَقُولُ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، وَيَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ مُعْتَدِلًا، ثُمَّ يَقُولُ: اللَّهُ أَكْبَرُ، ثُمَّ يَهْوِي إِلَى الْأَرْضِ، وَيُجَافِي يَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ، ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، فَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى، فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا وَيَفْتَحُ أَصَابِعَ رِجْلَيْهِ إِذَا سَجَدَ، ثُمَّ يَعُودُ فَيَسْجُدُ، وَيَرْفَعُ رَأْسَهُ وَيَقُولُ: اللَّهُ أَكْبَرُ، وَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى، فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا حَتَّى يَعُودَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلًا، ثُمَّ يَصْنَعُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ، وَإِذَا قَامَ مِنَ الثِّنْتَيْنِ كَبَّرَ، وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ، كَمَا صَنَعَ عِنْدَ افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ، ثُمَّ صَنَعَ مِثْلَ ذَلِكَ فِي بَقِيَّةِ صَلَاتِهِ، حَتَّى إِذَا كَانَتْ قَعْدَةُ السَّجْدَةِ الَّتِي فِيهَا التَّسْلِيمُ، أَخَّرَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى، وَقَعَدَ مُتَوَرِّكًا عَلَى شِقِّهِ الْأَيْسَرِ» قَالُوا جَمِيعًا: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي. [5: 2]
رقم طبعة با وزير = (1873)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (1862). تنبيه!! رقم (1862) = (1865) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وهو مكرر (1867).
رقم طبعة با وزير = (1873)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (1862). تنبيه!! رقم (1862) = (1865) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وهو مكرر (1867).
মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আতা রহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি আবূ হুমাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দশজন সাহাবীর মাঝে এই হাদীস বলতে শুনেছি, তাদের মাঝে একজন আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, আবূ হুমাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি আপনাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অবগত।” তখন অন্যান্য সাহাবীগণ বললেন, “এটা কিভাবে? আল্লাহর কসম! আপনি তো আমাদের মাঝে অনুসারী হওয়ার দিক দিয়েও আধিক্যের অধিকারী না, সাহাবী হওয়ার দিক থেকে অগ্রগামী ছিলেন না !” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” তাঁরা বললেন, “তবে আপনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিবরণ) পেশ করুন।” তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন, তখন তাকবীর দিতেন, এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, এমনকি হাত কাঁধ বরাবর করতেন। এসময় তাঁর প্রতিটি হাড় স্বস্থানে সোজাভাবে ফিরে যেতো। তারপর কিরা‘আত পাঠ করতেন। তারপর তাকবীর দিতেন এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, এমনকি তা কাঁধ বরাবর করতেন এবং রুকূ‘ করতেন, রুকূ‘তে তিনি দুই হাতের তালূকে হাঁটুর উপর রাখতেন। তারপর রুকূ‘তে পিঠ সোজা রাখতেন; পিঠকে উঁচু করতেন না আবার নিচুও করতেন না। তারপর রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করতেন, বলতেন, سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ (আল্লাহ শ্রবণ করেন, যে তাঁর প্রশংসা করে) এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, এমনকি তা কাঁধ বরাবর করতেন। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তারপর আল্লাহু আকবার বলতেন, তারপর সাজদা করার জন্য জমিনের দিকে ধাবিত হতেন। তারপর সাজদায় দুই হাতকে দুই পার্শ্ব থেকে দূরে রাখতেন। তারপর তিনি সাজদা থেকে মাথা উত্তোলন করতেন এবং বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসতেন। তিনি সাজদার সময় পায়ের আঙ্গুলগুলোকে খোলা রাখতেন। তারপর তিনি পুনরায় সাজদা করতেন। তারপর সাজদা থেকে থেকে মাথা উত্তোলন করতেন এবং বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসতেন, এমনকি তার প্রতিটি হাড় স্বস্থানে সোজা ফিরে যেতো। তারপর পরের রাকা‘আতেও অনুরুপ করতেন। তারপর যখন দ্বিতীয় রাকা‘আত থেকে দাঁড়াতেন, তখন তাকবীর দিতেন এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, এমনকি হাত কাঁধ বরাবর করতেন যেমনটা তিনি সালাত শুরু করার সময় করতেন। তারপর বাকী সালাতেও অনুরুপ করতেন। এভাবে যখন শেষ বৈঠকে বসতেন, তখন তিনি বাম পা বের করে দিতেন এবং বাম পায়ের উপর তাওয়ার্রুক করে বসতেন।” তখন অন্যান্য সাহাবীগণ বলেন, “এভাবেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায় করতেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪২৪; ইমাম বুখারী, কুররাতুল আইনাইন: ৫; আবূ দাঊদ: ৭৩০, ৯৬৩; তিরমিযী: ৩০৪; নাসাঈ: ৩/৩৪; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৫৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২৩৫; বাইহাকী: ২/২৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭২০)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪২৪; ইমাম বুখারী, কুররাতুল আইনাইন: ৫; আবূ দাঊদ: ৭৩০, ৯৬৩; তিরমিযী: ৩০৪; নাসাঈ: ৩/৩৪; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৫৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২৩৫; বাইহাকী: ২/২৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭২০)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1876)