1872 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلَيْهِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، قَالَ: أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ شَبَبَةٌ مُتَقَارِبُونَ، فَأَقَمْنَا عِنْدَهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً فَظَنَّ أَنَّا قَدِ اشْتَقْنَا أَهْلِينَا، سَأَلْنَا عَمَّنْ تَرَكْنَا مِنْ أَهْلِينَا، فَأَخْبَرْنَاهُ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَحِيمًا رَفِيقًا، فَقَالَ: «[ص:191] ارْجِعُوا إِلَى أَهْلِيكُمْ، فَعَلِّمُوهُمْ، وَمُرُوهُمْ، وَصَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ، فَلْيُؤَذِّنْ أَحَدُكُمْ، وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ». [5: 4]
رقم طبعة با وزير = (1869)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (213). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، رجاله رجال الشيخين غير مسدد بن مسرهد، فإنه من رجال البخاري.
رقم طبعة با وزير = (1869)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (213). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، رجاله رجال الشيخين غير مسدد بن مسرهد، فإنه من رجال البخاري.
মালিক বিন হুরাইরিস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা (আমাদের এলাকা থেকে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসি, আমরা ছিলাম কাছাকাছি বয়সের যুবক। অতঃপর আমরা তাঁর কাছে কুড়ি রাত অবস্থান করি। অতঃপর তিনি মনে করলেন যে, আমরা হয়তো আমাদের পরিবারে প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি। ফলে তিনি আমাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, আমরা বাড়িতে কাদের রেখে এসেছি। আমরা তাকে আমাদের বৃত্তান্ত জানাই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত দয়ালূ, বন্ধুসুলভ মানুষ ছিলেন। তিনি বললেন, “তোমরা তোমাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাও, গিয়ে তাদের দ্বীন শিক্ষা দিবে, তাদের বিভিন্ন আমলের নির্দেশ দিবে এবং ঠিক সেভাবে সালাত আদায় করবে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছো। আর যখন সালাতের সময় উপস্থিত হবে, তখন আপনাদের কেউ যেন আযান দেয় আর তোমাদের মাঝে বয়সে প্রবীণ ব্যক্তি যেন সালাতের ইমামতি করেন।”[1]
[1] সহীহ আল বুখারী: ৬০০৮; আদাবুল মুফরাদ: ২১৩; সুনান আবূ দাঊদ: ৫৮৯; সুনান বাইহাকী: ৩/১২০; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৩৬; সহীহ মুসলিম: ৬৭৪; নাসাঈ: ২/৯; তাবারানী: ১৯/৬৪০; দারাকুতনী: ১/২৭২-২৭৩; দারেমী: ১/২৮৬; আবূ আওয়ানা: ১/৩৩১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২৯; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২৯৬; ইবনু মাজাহ: ৯৭৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪৩১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৯৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ২১৩)
[1] সহীহ আল বুখারী: ৬০০৮; আদাবুল মুফরাদ: ২১৩; সুনান আবূ দাঊদ: ৫৮৯; সুনান বাইহাকী: ৩/১২০; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৩৬; সহীহ মুসলিম: ৬৭৪; নাসাঈ: ২/৯; তাবারানী: ১৯/৬৪০; দারাকুতনী: ১/২৭২-২৭৩; দারেমী: ১/২৮৬; আবূ আওয়ানা: ১/৩৩১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২৯; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২৯৬; ইবনু মাজাহ: ৯৭৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪৩১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৯৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ২১৩)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1872)