1784 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا السَّائِبِ، مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ، فَهِيَ خِدَاجٌ، فَهِيَ خِدَاجٌ، غَيْرُ تَمَامٍ» فَقُلْتُ: يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، إِنِّي أَحْيَانًا أَكُونُ وَرَاءَ الْإِمَامِ، قَالَ: فَغَمَزَ ذِرَاعِي، وَقَالَ: اقْرَأْ بِهَا يَا فَارِسِيُّ فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «قَالَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا: قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ، فَنِصْفُهَا لِي، وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ»، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اقْرَءُوا يَقُولُ الْعَبْدُ {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} [الفاتحة: 2]، يَقُولُ اللَّهُ: حَمِدَنِي عَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ {الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} [الفاتحة: 1]، يَقُولُ اللَّهُ: أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ {مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ}، يَقُولُ اللَّهُ: مَجَّدَنِي عَبْدِي، وَهَذِهِ الْآيَةُ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ: {إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ} [الفاتحة: 5]، فَهَذِهِ الْآيَةُ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ، يَقُولُ الْعَبْدُ: {اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ، صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ، غَيْرِ [ص:85] الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ} [الفاتحة: 7]، فَهَؤُلَاءِ لِعَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ». [1: 21]
رقم طبعة با وزير = (1781)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (502)، و «صحيح أبي داود» (779): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
رقم طبعة با وزير = (1781)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (502)، و «صحيح أبي داود» (779): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি এমন সালাত আদায় করে, যাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা হয় না, সেটি অসম্পন্ন, সেটি অসম্পন্ন; অসম্পন্ন।“ অধঃস্তন রাবী বলেন, “আমি বললাম, “হে আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), আমি কোন কোন সময় ইমামের পেছনে থাকি (তখন আমি কিভাবে সূরা ফাতিহা পড়বো)?” তখন তিনি আমার বাহুতে খোঁচা দিয়ে বললেন, হে পারস্যের অধিবাসী ব্যক্তি, তুমি তা মনে মনে পড়বে। কেননা আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ বলেছেন, “আমি সালাতকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার ও আমার বান্দার মাঝে অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি। কাজেই অর্ধেক আমার জন্য আর অর্ধেক আমার বান্দার জন্য। আর আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে, যা সে চেয়েছে।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কিরা‘আত পাঠ করো। বান্দা যখন বলে, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রভু), তখন আল্লাহ বলেন, حَمِدَنِي عَبْدِي (আমার বান্দা আমার প্রশংসা করলো।বান্দা যখন বলে, (সর্বদয়ালূ, সবিশেষ করুণাময়), তখন আল্লাহ বলেন, (আমার বান্দা আমার গুণকীর্তন করলো), বান্দা যখন বলে, (প্রতিফল দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ বলেন, (আমার বান্দা আমার মর্যাদা প্রকাশ করেছে), এই আয়াত আমার ও আমার বান্দার মাঝে। বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (আমরা কেবল আপনারই উপাসনা করি এবং কেবল আপনার কাছেই সাহায্য চাই), (তখন আল্লাহ বলেন,) এই আয়াত আমার ও আমার বান্দার মাঝে। আর আমার বান্দার জন্য চাই রয়েছে, যা সে চেয়েছে।” বান্দা বলে, اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ (আপনি আমাদেরকে সোজা-সঠিক পথ প্রদর্শন করুন; তাদের পথ যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন; তাদের পথ নয় যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট), (তখন আল্লাহ বলেন,) এসব আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দার জন্য চাই রয়েছে, যা সে চেয়েছে।”[1]
[1] বাগাবী; ৫৭৮; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৮৪-৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২৭৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৬০; সহীহ মুসলিম: ৩৯৫; আবূ দাঊদ: ৮২১; নাসাঈ: ২/২১৫-২১৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/২১৫; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২৩; আবূ আওয়ানা: ২/১২৬; সুনান বাইহাকী: ২/৩৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫০২; আত তায়ালিসী: ২৫৬১; ইবনু মাজাহ: ৮৩৮; তিরমিযী: ২৯৫৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৭৯)
[1] বাগাবী; ৫৭৮; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৮৪-৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২৭৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৬০; সহীহ মুসলিম: ৩৯৫; আবূ দাঊদ: ৮২১; নাসাঈ: ২/২১৫-২১৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/২১৫; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২৩; আবূ আওয়ানা: ২/১২৬; সুনান বাইহাকী: ২/৩৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫০২; আত তায়ালিসী: ২৫৬১; ইবনু মাজাহ: ৮৩৮; তিরমিযী: ২৯৫৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৭৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1784)