1448 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ كَانَ قَاعِدًا عَلَى بَابِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي إِمَارَتِهِ عَلَى الْمَدِينَةِ، وَمَعَهُ عُرْوَةُ، فَأَخَّرَ عُمَرُ الْعَصْرَ شَيْئًا، فَقَالَ لَهُ عُرْوَةُ: أَمَا إِنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى أَمَامَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ عُمَرُ: أَعْلَمُ مَا تَقُولُ يَا عُرْوَةُ، فَقَالَ: سَمِعْتُ بَشِيرَ بْنَ أَبِي مَسْعُودٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ [ص:297] رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «نَزَلَ جِبْرِيلُ فَصَلَّى، فَصَلَّيْتُ مَعَهُ، ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ، ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ، ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ، ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ» فَحَسَبَ بِأَصَابِعِهِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ. [1: 21]
رقم طبعة با وزير = (1445)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما بعده. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، يزيد بن موهب: هو يزيد بن خالد بن يزيد بن عبد الله بن موهب، ثقة، وباقي السند على شرطهما.
ইবনু শিহাব যুহরী রহিমাহুল্লাহ বলেন যে, তিনি উমার বিন আব্দুল আযীয রহিমাহুল্লাহর মদীনা শাসন কালে তাঁর দরজায় বসে ছিলেন, এসময় তার সাথে উরওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও ছিলেন। উমার বিন আব্দুল আযীয রহিমাহুল্লাহ আসরের সালাত কিছুটা বিলম্বে আদায় করেন, তখন উরওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “জেনে রাখুন, জিবরাঈল আলাইহিস সালাম নেমে আসেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে সালাত আদায় করেন।” তখন উমার বিন আব্দুল আযীয রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হে উরওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), আপনি ভেবে দেখুন যে, আপনি কী বলছেন!” জবাবে তিনি বলেন, “আমি বাশীর বিন আবী মাস‘ঊদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি আবূ মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “জিবরাঈল অবতরণ করেন অতঃপর তিনি সালাত আদায় করেন এবং আমিও তাঁর সাথে সালাত আদায় করি। তারপর আবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করি। তারপর আবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করি। তারপর আবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করি। তারপর আবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করি।” তিনি আঙ্গুল দিয়ে পাঁচবার গণনা করেন।”[1]







[1] সহীহ আল বুখারী: ৩২২১; সহীহ মুসলিম: ৬১০; নাসাঈ: ১/২৪৫; ইবনু মাজাহ: ৬৬৮; তাবারানী: ১৭/৭১৫; আবূ আওয়ানা: ১/৩৪২; হুমাইদী: ৪৫১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৩১৯; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৪৮; সুনান বাইহাকী: ১/৩৬৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০৪৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/১২০-১২১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪১৮)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1448)