1325 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، بِخَبَرٍ غَرِيبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، قَالَ: أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ الْمُرَادِيَّ، فَقَالَ: مَا جَاءَ بِكَ؟ قُلْتُ: جِئْتُ أُنْبِطُ الْعِلْمَ، قَالَ: فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَا مِنْ خَارِجٍ يَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ يَطْلُبُ الْعِلْمَ إِلَّا وَضَعَتْ لَهُ الْمَلَائِكَةُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا بِمَا يَصْنَعُ» قَالَ: جِئْتُ أَسْأَلُكَ عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، قَالَ: نَعَمْ، كُنَّا فِي الْجَيْشِ الَّذِينَ بَعَثَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «فَأَمَرَنَا أَنْ نَمْسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ، إِذَا نَحْنُ أَدْخَلْنَاهُمَا عَلَى طُهُورٍ ثَلَاثًا إِذَا سَافَرْنَا، وَلَا نَخْلَعُهُمَا مِنْ غَائِطٍ وَلَا بَوْلٍ». [1: 71]
رقم طبعة با وزير = (1322)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - مضى (1318). تنبيه!! رقم (1318) = (1321) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن.
رقم طبعة با وزير = (1322)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - مضى (1318). تنبيه!! رقم (1318) = (1321) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن.
যির্র রহিমাহুল্লাহ বলেন, “একবার আমি সাফওয়ান বিন আস্সাল আল মুরাদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে আসি, তিনি আমাকে বলেন, “আপনাকে এখানে কীসে নিয়ে এসেছে?” আমি বললাম, “ইলম অন্বেষণের জন্য।” তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “কোন ব্যক্তি ইলম অন্বেষনের জন্য বের হলে ফেরেস্তাগণ তাদের পাখা বিছিয়ে দেন, ইলম অন্বেষনকারী যা অন্বেষন করে, তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে।” আমি বললাম, `আমি মোজার উপর মাসেহ করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করার জন্য এসেছি।` জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ। আমরা সেই সেনাদলে ছিলাম, যাদেরকে তিনি পাঠিয়েছিলেন। তিনি আমাদেরকে আদেশ করেছেন মোজার উপর মাসেহ করতে, যখন আমরা মোজা ওযূ অবস্থায় পরিধান করবো, তিনদিন মাসেহ করবো যখন আমরা মুসাফির থাকবো আর আমরা মোজা পেশাব ও পায়খানা করার কারণে খুলবো না।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫৯; মুসনাদ শাফেঈ: ১/৩৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৭৭; হুমাইদী: ৮৮১; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২৩৯; নাসাঈ: ১/৮৩; ইবনু মাজাহ: ৪৭৮; শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৮২; সুনান বাইহাকী: ১/২৭৬; তাবারানী: ৭৩৫৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬১; দারাকুতনী: ১/১৯৬; আত তায়ালিসী: ১১৬৬; তিরমিযী: ৯৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/৬২।)
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫৯; মুসনাদ শাফেঈ: ১/৩৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৭৭; হুমাইদী: ৮৮১; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২৩৯; নাসাঈ: ১/৮৩; ইবনু মাজাহ: ৪৭৮; শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৮২; সুনান বাইহাকী: ১/২৭৬; তাবারানী: ৭৩৫৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬১; দারাকুতনী: ১/১৯৬; আত তায়ালিসী: ১১৬৬; তিরমিযী: ৯৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/৬২।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1325)