1041 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي [ص:316] بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمْرَانَ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ جَلَسَ عَلَى الْمَقَاعِدِ , فَجَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ فَآذَنَهُ بِصَلَاةِ الْعَصْرِ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ قَالَ: لَأُحَدِّثَنَّكُمْ حَدِيثًا لَوْلَا آيَةٌ فِي كِتَابِ اللَّهِ لَمَّا حَدَّثْتُكُمُوهُ، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «مَا مِنِ امْرِئٍ يَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ، ثُمَّ يُصَلِّي الصَّلَاةَ، إِلَّا غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الصَّلَاةِ الْأُخْرَى حَتَّى يُصَلِّيَهَا». [ص:317] قَالَ مَالِكٌ: أُرَاهُ يُرِيدُ هَذِهِ الْآيَةَ: {أَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ، ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ} [هود: 114] [1: 2]
رقم طبعة با وزير = (1038)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين.
رقم طبعة با وزير = (1038)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين.
হুমরান রহিমাহুল্লাহ বলেন, উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একবার আসনে বসে আছেন, এমন সময় মুয়ায্যিন এসে তাকে আসরের সালাতের ব্যাপারে জানান। তখন তিনি ওযূর পানি আনতে বলেন তারপর তিনি ওযূ করেন অতঃপর তিনি বলেন, “অবশ্যই আমি তোমাদেরকে একটি হাদীস শুনাবো, যদি আল্লাহর কিতাবে একটি আয়াত না থাকতো, তবে আমি তা তোমাদের কাছে বর্ণনা করতাম না।” তারপর তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “কোন ব্যক্তি যদি উত্তমরুপে ওযূ করে, তারপর সালাত আদায় করে, তাহলে আল্লাহ তাকে তার মাঝে এবং পরবর্তী সালাত আদায় করার মাঝে ক্ষমা করে দেন।”[1] মালিক রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমার ধারণা আয়াতটি হলো এই أَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ (আপনি সালাত প্রতিষ্ঠা করুন দিবসের দুই প্রান্তে এবং রাতের কিছু অংশে। নিশ্চয়ই ভাল কাজসমূহ মন্দ কর্মসমূহকে অবসারণ করে দেয়। এটা উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য উপদেশ।) (সূরা হুদ: ১১৪।)
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৫১; নাসাঈ: ১/৯১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৪১; আত তায়ালিসী: ১/৪৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৫৭; সহীহ মুসলিম: ২২৭; বাইহাকী, মা‘রেফাতুস সুনান ওয়াল আসার: ১/২২৫; সহীহ বুখারী: ১৬০; আবূ দাঊদ: ১০৭; ইবনু মাজাহ: ২৮৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১০৩৮।)
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৫১; নাসাঈ: ১/৯১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৪১; আত তায়ালিসী: ১/৪৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৫৭; সহীহ মুসলিম: ২২৭; বাইহাকী, মা‘রেফাতুস সুনান ওয়াল আসার: ১/২২৫; সহীহ বুখারী: ১৬০; আবূ দাঊদ: ১০৭; ইবনু মাজাহ: ২৮৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১০৩৮।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1041)