وقولُهُ: {الحي القيوم} : إشارةٌ إلى صفةِ الذاتِ وجلاله، فإن معنى القَيُّوم هو الذي يقوم بنفسه ويقوم به غيره، فلا يتعلق قِوَامُهُ بشيء ويتعلق به قِوَامُ كل شيء، وذلك غايةُ الجَلال والعظمة.
وقولُهُ {لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ} : تَنْزيهٌ وتقديسٌ له عما يستحيل عليه من أوصاف الحوادث، والتَّقديس عما يستحيل أحدُ أقسام المعرفة، بل هو أَوْضح أقسامها.
وقولُهُ {لَّهُ مَا فِي السماوات وَمَا فِي الأرض} : إشارةٌ إلى كُلِّها، وأنَّ جميعها منه مصدَرُها وإليه مرجِعُها.
وقولُهُ {مَن ذَا الذي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَاّ بِإِذْنِهِ} : إشارةٌ إلى انفراده بالمُلكِ والحُكمِ والأمر، وأنَّ مَن يملك الشفاعةَ فإنما يملكُ بِتَشريفِهِ إياه والإذن فيه، وهذا نفي لِلشَّرِكَة عنه في المُلكِ والأمر.
وقوله {يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَاّ بِمَا شَآءَ} إشارةٌ إلى صفة العلم وتفضيل بعض المعلومات، والانفراد بالعلم، حتى لا عِلْمَ لغيره من ذاته، وإن كان لغيره علمٌ فهو من عطائه وهبته، وعلى قَدْرِ إرادته ومشيئَتِه.
وقوله {وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السماوات والأرض} : إشارةٌ إلى عَظمة مُلْكهِ وكمالِ قُدرته، وفيه سِرٌّ لا يحتملُ الحالُ كشفَهُ، فإن معرفةَ الكُرسي ومعرفةَ صفاته، واتِّساعِ السماواتِ والأرض معرفةٌ شريفةٌ غامضة، ويرتبط بها علوم كثيرة.
وقولُهُ {لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ} : تَنْزيهٌ وتقديسٌ له عما يستحيل عليه من أوصاف الحوادث، والتَّقديس عما يستحيل أحدُ أقسام المعرفة، بل هو أَوْضح أقسامها.
وقولُهُ {لَّهُ مَا فِي السماوات وَمَا فِي الأرض} : إشارةٌ إلى كُلِّها، وأنَّ جميعها منه مصدَرُها وإليه مرجِعُها.
وقولُهُ {مَن ذَا الذي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَاّ بِإِذْنِهِ} : إشارةٌ إلى انفراده بالمُلكِ والحُكمِ والأمر، وأنَّ مَن يملك الشفاعةَ فإنما يملكُ بِتَشريفِهِ إياه والإذن فيه، وهذا نفي لِلشَّرِكَة عنه في المُلكِ والأمر.
وقوله {يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَاّ بِمَا شَآءَ} إشارةٌ إلى صفة العلم وتفضيل بعض المعلومات، والانفراد بالعلم، حتى لا عِلْمَ لغيره من ذاته، وإن كان لغيره علمٌ فهو من عطائه وهبته، وعلى قَدْرِ إرادته ومشيئَتِه.
وقوله {وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السماوات والأرض} : إشارةٌ إلى عَظمة مُلْكهِ وكمالِ قُدرته، وفيه سِرٌّ لا يحتملُ الحالُ كشفَهُ، فإن معرفةَ الكُرسي ومعرفةَ صفاته، واتِّساعِ السماواتِ والأرض معرفةٌ شريفةٌ غامضة، ويرتبط بها علوم كثيرة.
তাঁর বাণী: {আল-হাইয়্যুল কাইয়্যুম}: এটি সত্তাগত গুণ ও তাঁর মহিমার প্রতি ইঙ্গিত। কেননা ‘কাইয়্যুম’ শব্দের অর্থ হলো—যিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং যাঁর মাধ্যমে অন্যরা অস্তিত্বশীল থাকে; ফলে তাঁর স্থায়িত্ব কোনো কিছুর ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সব কিছুর স্থায়িত্ব তাঁর ওপর নির্ভরশীল। আর এটিই হলো মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের চরম সীমা।
তাঁর বাণী {তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না}: এটি সৃষ্টিজীবের গুণাবলি থেকে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা ও তাঁকে মহিমান্বিত করার বর্ণনা যা তাঁর ক্ষেত্রে অসম্ভব। আর অসম্ভব বিষয় থেকে পবিত্রতা বর্ণনা করা জ্ঞানের অন্যতম একটি প্রকার, বরং এটি এর সবচেয়ে সুস্পষ্ট প্রকার।
তাঁর বাণী {আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই}: এটি সৃষ্টিজগতের সবকিছুর ওপর তাঁর মালিকানার ইঙ্গিত, আর এ সবকিছুর উৎস তিনি এবং তাঁর দিকেই সবকিছুর প্রত্যাবর্তন।
তাঁর বাণী {কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করবে?}: এটি রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও নির্দেশের ক্ষেত্রে তাঁর এককত্বের ইঙ্গিত। আর যে ব্যক্তি সুপারিশের অধিকার লাভ করবে, সে কেবল তাঁর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সম্মান ও অনুমতির মাধ্যমেই তা লাভ করবে। এটি রাজত্ব ও নির্দেশের ক্ষেত্রে তাঁর কোনো অংশীদার থাকার বিষয়টি নাকচ করে দেয়।
তাঁর বাণী {তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তিনি তা জানেন এবং তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না তবে তিনি যতটুকু চান তা ব্যতীত}: এটি তাঁর জ্ঞানগুণের প্রতি ইঙ্গিত এবং কিছু বিষয়ের বিশেষত্বের ও জ্ঞানের এককত্বের বর্ণনা। এমনকি তাঁর সত্তা ব্যতিরেকে অন্যের কোনো নিজস্ব জ্ঞান নেই। যদি অন্যের কোনো জ্ঞান থেকেও থাকে, তবে তা তাঁরই দান ও অনুগ্রহ এবং তা তাঁর ইচ্ছা ও অভিপ্রায় অনুযায়ী নির্ধারিত।
তাঁর বাণী {তাঁর কুরসি আসমান ও জমিনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে}: এটি তাঁর রাজত্বের বিশালতা ও ক্ষমতার পূর্ণতার প্রতি ইঙ্গিত। এর মধ্যে এমন এক রহস্য নিহিত রয়েছে যা বর্তমান অবস্থায় উন্মোচন করা সম্ভব নয়। কেননা কুরসি ও এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা এবং আসমান ও জমিনের বিশালতা সম্পর্কে অবগত হওয়া এক মর্যাদাশীল ও সূক্ষ্ম জ্ঞান, যার সাথে অনেক শাস্ত্র জড়িত।
তাঁর বাণী {তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না}: এটি সৃষ্টিজীবের গুণাবলি থেকে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা ও তাঁকে মহিমান্বিত করার বর্ণনা যা তাঁর ক্ষেত্রে অসম্ভব। আর অসম্ভব বিষয় থেকে পবিত্রতা বর্ণনা করা জ্ঞানের অন্যতম একটি প্রকার, বরং এটি এর সবচেয়ে সুস্পষ্ট প্রকার।
তাঁর বাণী {আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই}: এটি সৃষ্টিজগতের সবকিছুর ওপর তাঁর মালিকানার ইঙ্গিত, আর এ সবকিছুর উৎস তিনি এবং তাঁর দিকেই সবকিছুর প্রত্যাবর্তন।
তাঁর বাণী {কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করবে?}: এটি রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও নির্দেশের ক্ষেত্রে তাঁর এককত্বের ইঙ্গিত। আর যে ব্যক্তি সুপারিশের অধিকার লাভ করবে, সে কেবল তাঁর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সম্মান ও অনুমতির মাধ্যমেই তা লাভ করবে। এটি রাজত্ব ও নির্দেশের ক্ষেত্রে তাঁর কোনো অংশীদার থাকার বিষয়টি নাকচ করে দেয়।
তাঁর বাণী {তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তিনি তা জানেন এবং তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না তবে তিনি যতটুকু চান তা ব্যতীত}: এটি তাঁর জ্ঞানগুণের প্রতি ইঙ্গিত এবং কিছু বিষয়ের বিশেষত্বের ও জ্ঞানের এককত্বের বর্ণনা। এমনকি তাঁর সত্তা ব্যতিরেকে অন্যের কোনো নিজস্ব জ্ঞান নেই। যদি অন্যের কোনো জ্ঞান থেকেও থাকে, তবে তা তাঁরই দান ও অনুগ্রহ এবং তা তাঁর ইচ্ছা ও অভিপ্রায় অনুযায়ী নির্ধারিত।
তাঁর বাণী {তাঁর কুরসি আসমান ও জমিনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে}: এটি তাঁর রাজত্বের বিশালতা ও ক্ষমতার পূর্ণতার প্রতি ইঙ্গিত। এর মধ্যে এমন এক রহস্য নিহিত রয়েছে যা বর্তমান অবস্থায় উন্মোচন করা সম্ভব নয়। কেননা কুরসি ও এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা এবং আসমান ও জমিনের বিশালতা সম্পর্কে অবগত হওয়া এক মর্যাদাশীল ও সূক্ষ্ম জ্ঞান, যার সাথে অনেক শাস্ত্র জড়িত।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 74)