" العلم "
تعريف العلم في اللغة:
1 ـ قال في المصباح المنير: " العلم: اليقين، يقال علم يعلم إذا تيقن، وجاء بمعنى المعرفة أيضاً، كما جاءت بمعناه، ضُمِّن كل واحد معنى الآخر لاشتراكهما في كون كل واحد مسبوقاً بالجهل" (1)
2 ـ وقال في القاموس: " علمه كسمعه، علماً بالكسر عرفه، وعلم هو في نفسه، ورجل عالم، وعليم، جمع علماء، وعلام، كجهال.." (2)
تعريف العلم في الاصطلاح:
فد اختلف في العلم هل يُحدُّ أو لا؟
فقال بعضهم: إنه لا يحد لعسر تصوره، أو لأنه ضروري يحصل بمجرد التفات النفس إليه من غير نظر واكتساب.
وقيل: إنه يحد وعليه الأكثر، ومن الحدود التي قيلت فيه مااختاره صاحب الكوكب المنير وهو أنه: " صفة يميز المتصف بها بين الجواهر، والأجسام، والأعراض، والواجب، والممكن، والممتنع، تمييزاً جازماً مطاباً، لأي لا يحتمل النقيض " (3) .--------------------------------------------
(1) ص (162) .
(2) ص (1471) .
(3) 1/60.
تعريف العلم في اللغة:
1 ـ قال في المصباح المنير: " العلم: اليقين، يقال علم يعلم إذا تيقن، وجاء بمعنى المعرفة أيضاً، كما جاءت بمعناه، ضُمِّن كل واحد معنى الآخر لاشتراكهما في كون كل واحد مسبوقاً بالجهل" (1)
2 ـ وقال في القاموس: " علمه كسمعه، علماً بالكسر عرفه، وعلم هو في نفسه، ورجل عالم، وعليم، جمع علماء، وعلام، كجهال.." (2)
تعريف العلم في الاصطلاح:
فد اختلف في العلم هل يُحدُّ أو لا؟
فقال بعضهم: إنه لا يحد لعسر تصوره، أو لأنه ضروري يحصل بمجرد التفات النفس إليه من غير نظر واكتساب.
وقيل: إنه يحد وعليه الأكثر، ومن الحدود التي قيلت فيه مااختاره صاحب الكوكب المنير وهو أنه: " صفة يميز المتصف بها بين الجواهر، والأجسام، والأعراض، والواجب، والممكن، والممتنع، تمييزاً جازماً مطاباً، لأي لا يحتمل النقيض " (3) .--------------------------------------------
(1) ص (162) .
(2) ص (1471) .
(3) 1/60.
জ্ঞান
আভিধানিক সংজ্ঞায় জ্ঞানের পরিচয়:
১ ـ 'আল-মিসবাহুল মুনীর' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "ইলম বা জ্ঞান হলো: ইয়াকীন বা নিশ্চিত বিশ্বাস। বলা হয় 'আলিমা ইয়া'লামু' (সে জানল) যখন সে নিশ্চিত হয়। এটি মারিফাহ বা পরিচয়ের অর্থেও আসে, যেমনটি মারিফাহ শব্দটিও ইলম-এর অর্থে আসে। একটিকে অপরটির অর্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কারণ উভয়ের মধ্যে সাধারণ বিষয় হলো যে, এদের প্রত্যেকেরই পূর্বে অজ্ঞতা বিদ্যমান থাকে।" (১)
২ ـ 'আল-কামূস' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "সে এটি জানল (সামি'আ-এর ওজনে), ইলম (লাম বর্ণে কাসরা সহযোগে) অর্থাৎ সে এটি চিনল। সে নিজেও বিজ্ঞ হলো। তাকে বলা হয় আলিম এবং আলীম, এর বহুবচন হলো উলামা এবং আল্লাম..." (২)
পারিভাষিক সংজ্ঞায় জ্ঞানের পরিচয়:
জ্ঞানের কি কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা (সীমানা নির্ধারণ) দেওয়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন: এর কোনো সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কারণ এর রূপরেখা কল্পনা করা কঠিন, অথবা এটি একটি স্বত:সিদ্ধ বিষয় যা কোনো চিন্তা-গবেষণা বা অর্জন ছাড়াই কেবল মনের একাগ্রতার মাধ্যমেই অর্জিত হয়।
আবার বলা হয়েছে: এর সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব এবং অধিকাংশ আলিম এই মত পোষণ করেন। যে সকল সংজ্ঞা এতে প্রদান করা হয়েছে, তার মধ্যে 'আল-কাওকাবুল মুনীর' এর লেখক যা পছন্দ করেছেন তা হলো: "এটি এমন একটি গুণ যার অধিকারী ব্যক্তি মৌলিক সত্তা (জাওহার), দেহ (জিসম), আপাত গুণাবলি (আ’রাজ), অপরিহার্য (ওয়াজিব), সম্ভাব্য (মুমকিন) এবং অসম্ভব (মুমতানি’)-এর মাঝে এমন অকাট্য ও বাস্তবসম্মত পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে, যা কোনো বৈপরীত্যের অবকাশ রাখে না।" (৩) .--------------------------------------------
(১) পৃষ্ঠা (১৬২) ।
(২) পৃষ্ঠা (১৪৭১) ।
(৩) ১/৬০।
আভিধানিক সংজ্ঞায় জ্ঞানের পরিচয়:
১ ـ 'আল-মিসবাহুল মুনীর' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "ইলম বা জ্ঞান হলো: ইয়াকীন বা নিশ্চিত বিশ্বাস। বলা হয় 'আলিমা ইয়া'লামু' (সে জানল) যখন সে নিশ্চিত হয়। এটি মারিফাহ বা পরিচয়ের অর্থেও আসে, যেমনটি মারিফাহ শব্দটিও ইলম-এর অর্থে আসে। একটিকে অপরটির অর্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কারণ উভয়ের মধ্যে সাধারণ বিষয় হলো যে, এদের প্রত্যেকেরই পূর্বে অজ্ঞতা বিদ্যমান থাকে।" (১)
২ ـ 'আল-কামূস' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "সে এটি জানল (সামি'আ-এর ওজনে), ইলম (লাম বর্ণে কাসরা সহযোগে) অর্থাৎ সে এটি চিনল। সে নিজেও বিজ্ঞ হলো। তাকে বলা হয় আলিম এবং আলীম, এর বহুবচন হলো উলামা এবং আল্লাম..." (২)
পারিভাষিক সংজ্ঞায় জ্ঞানের পরিচয়:
জ্ঞানের কি কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা (সীমানা নির্ধারণ) দেওয়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন: এর কোনো সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কারণ এর রূপরেখা কল্পনা করা কঠিন, অথবা এটি একটি স্বত:সিদ্ধ বিষয় যা কোনো চিন্তা-গবেষণা বা অর্জন ছাড়াই কেবল মনের একাগ্রতার মাধ্যমেই অর্জিত হয়।
আবার বলা হয়েছে: এর সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব এবং অধিকাংশ আলিম এই মত পোষণ করেন। যে সকল সংজ্ঞা এতে প্রদান করা হয়েছে, তার মধ্যে 'আল-কাওকাবুল মুনীর' এর লেখক যা পছন্দ করেছেন তা হলো: "এটি এমন একটি গুণ যার অধিকারী ব্যক্তি মৌলিক সত্তা (জাওহার), দেহ (জিসম), আপাত গুণাবলি (আ’রাজ), অপরিহার্য (ওয়াজিব), সম্ভাব্য (মুমকিন) এবং অসম্ভব (মুমতানি’)-এর মাঝে এমন অকাট্য ও বাস্তবসম্মত পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে, যা কোনো বৈপরীত্যের অবকাশ রাখে না।" (৩) .--------------------------------------------
(১) পৃষ্ঠা (১৬২) ।
(২) পৃষ্ঠা (১৪৭১) ।
(৩) ১/৬০।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 15)