الاتجاه وقعوا فيه بسبب الجهل بالمعايير الضابطة للتفسير أو الهوس بالتجديد غير المنضبط بالضوابط الشرعية.
وتتجلى بوادر استفحال الخطر في تبني بعض الجامعات منهج هذه القراءات، ونشر مقولاتها بمختلف وسائل التبليغ، والتشجيع على تناول موضوعاتها في رسائل جامعية، ودعوة رموزها إلى المحاضرة والإسهام في الندوات المشبوهة، والإقبال على ترجمة ما كتب من آرائها بلغات أجنبية، ونشر بعض المؤسسات لكتبهم المسمومة.
ثانياً: أصبح التصدي لتيار هذه القراءات من فروض الكفاية، ومن وسائل التصدي لهذا التيار وحسم خطره ما يلي:
- دعوة الحكومات الإسلامية إلى مواجهة هذا الخطر الداهم وتجلية الفرق بين حرية الرأي المسؤولة الهادفة المحترمة للثوابت وبين الحرية المنفلتة الهدامة، لكي تقوم هذه الحكومات باتخاذ الإجراءات اللازمة لمراقبة مؤسسات النشر ومراكز الثقافة، ومؤسسات الإعلام والعمل على تعميق التوعية الإسلامية العامة في نفوس النشء والشباب الجامعي، والتعريف بمعايير الاجتهاد الشرعي، والتفسير الصحيح، وشرح الحديث النبوي.
- اتخاذ وسائل مناسبة (مثل عقد ندوات مناقشة) للإرشاد إلى التعمق في دراسة علوم الشريعة ومصطلحاتها، وتشجيع الاجتهاد المنضبط بالضوابط الشرعية وأصول اللغة العربية ومعهوداتها.
- توسيع مجال الحوار المنهجي الإيجابي مع حملة هذا الاتجاه.
وتتجلى بوادر استفحال الخطر في تبني بعض الجامعات منهج هذه القراءات، ونشر مقولاتها بمختلف وسائل التبليغ، والتشجيع على تناول موضوعاتها في رسائل جامعية، ودعوة رموزها إلى المحاضرة والإسهام في الندوات المشبوهة، والإقبال على ترجمة ما كتب من آرائها بلغات أجنبية، ونشر بعض المؤسسات لكتبهم المسمومة.
ثانياً: أصبح التصدي لتيار هذه القراءات من فروض الكفاية، ومن وسائل التصدي لهذا التيار وحسم خطره ما يلي:
- دعوة الحكومات الإسلامية إلى مواجهة هذا الخطر الداهم وتجلية الفرق بين حرية الرأي المسؤولة الهادفة المحترمة للثوابت وبين الحرية المنفلتة الهدامة، لكي تقوم هذه الحكومات باتخاذ الإجراءات اللازمة لمراقبة مؤسسات النشر ومراكز الثقافة، ومؤسسات الإعلام والعمل على تعميق التوعية الإسلامية العامة في نفوس النشء والشباب الجامعي، والتعريف بمعايير الاجتهاد الشرعي، والتفسير الصحيح، وشرح الحديث النبوي.
- اتخاذ وسائل مناسبة (مثل عقد ندوات مناقشة) للإرشاد إلى التعمق في دراسة علوم الشريعة ومصطلحاتها، وتشجيع الاجتهاد المنضبط بالضوابط الشرعية وأصول اللغة العربية ومعهوداتها.
- توسيع مجال الحوار المنهجي الإيجابي مع حملة هذا الاتجاه.
এই ধারায় তারা নিপতিত হয়েছে তাফসিরের নিয়ন্ত্রণকারী মানদণ্ড সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা শরীয়াহর নীতিমালা বহির্ভূত সংস্কারের মোহের কারণে।
এই বিপদের ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরণের ব্যাখ্যার পদ্ধতি গ্রহণ করে, বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে তাদের বক্তব্য প্রচার করে, উচ্চতর গবেষণাপত্রে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার উৎসাহ দেয় এবং এই ধারার প্রবক্তাদের বক্তৃতা ও সন্দেহজনক সেমিনারে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানায়; সেই সাথে তাদের মতামতসমূহ বিদেশি ভাষায় অনুবাদ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তাদের বিষাক্ত বইসমূহ প্রকাশের আগ্রহের মাধ্যমে এই বিপদ আরও প্রকট হয়।
দ্বিতীয়ত: এই ধরণের ব্যাখ্যার স্রোতধারা মোকাবিলা করা বর্তমানে ফরজে কেফায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে; আর এই স্রোতধারা রুখতে এবং এর বিপদ নির্মূল করার কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:
- মুসলিম সরকারগুলোকে এই আসন্ন বিপদের মোকাবিলায় আহ্বান জানানো এবং দ্বীনের মৌলিক বিষয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দায়িত্বশীল ও উদ্দেশ্যমূলক বাকস্বাধীনতা এবং অনিয়ন্ত্রিত ধ্বংসাত্মক স্বাধীনতার মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্ট করা; যাতে এই সরকারগুলো প্রকাশনা সংস্থা, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও সংবাদ মাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে এবং নতুন প্রজন্ম ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের হৃদয়ে সাধারণ ইসলামি সচেতনতা গভীর করতে এবং শরয়ি ইজতিহাদের মানদণ্ড, সঠিক তাফসির ও হাদিসের ব্যাখ্যার স্বরূপ পরিচিত করতে কাজ করতে পারে।
- উপযুক্ত মাধ্যম গ্রহণ করা (যেমন আলোচনা সভার আয়োজন), যাতে শরয়ি বিজ্ঞান ও এর পরিভাষাগুলোর গভীর অধ্যয়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করা যায় এবং শরয়ি নীতিমালা ও আরবি ভাষার উসুল ও প্রয়োগরীতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত ইজতিহাদকে উৎসাহিত করা যায়।
- এই ধারার ধারকদের সাথে ইতিবাচক ও পদ্ধতিগত সংলাপের ক্ষেত্র প্রসারিত করা।
এই বিপদের ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরণের ব্যাখ্যার পদ্ধতি গ্রহণ করে, বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে তাদের বক্তব্য প্রচার করে, উচ্চতর গবেষণাপত্রে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার উৎসাহ দেয় এবং এই ধারার প্রবক্তাদের বক্তৃতা ও সন্দেহজনক সেমিনারে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানায়; সেই সাথে তাদের মতামতসমূহ বিদেশি ভাষায় অনুবাদ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তাদের বিষাক্ত বইসমূহ প্রকাশের আগ্রহের মাধ্যমে এই বিপদ আরও প্রকট হয়।
দ্বিতীয়ত: এই ধরণের ব্যাখ্যার স্রোতধারা মোকাবিলা করা বর্তমানে ফরজে কেফায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে; আর এই স্রোতধারা রুখতে এবং এর বিপদ নির্মূল করার কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:
- মুসলিম সরকারগুলোকে এই আসন্ন বিপদের মোকাবিলায় আহ্বান জানানো এবং দ্বীনের মৌলিক বিষয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দায়িত্বশীল ও উদ্দেশ্যমূলক বাকস্বাধীনতা এবং অনিয়ন্ত্রিত ধ্বংসাত্মক স্বাধীনতার মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্ট করা; যাতে এই সরকারগুলো প্রকাশনা সংস্থা, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও সংবাদ মাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে এবং নতুন প্রজন্ম ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের হৃদয়ে সাধারণ ইসলামি সচেতনতা গভীর করতে এবং শরয়ি ইজতিহাদের মানদণ্ড, সঠিক তাফসির ও হাদিসের ব্যাখ্যার স্বরূপ পরিচিত করতে কাজ করতে পারে।
- উপযুক্ত মাধ্যম গ্রহণ করা (যেমন আলোচনা সভার আয়োজন), যাতে শরয়ি বিজ্ঞান ও এর পরিভাষাগুলোর গভীর অধ্যয়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করা যায় এবং শরয়ি নীতিমালা ও আরবি ভাষার উসুল ও প্রয়োগরীতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত ইজতিহাদকে উৎসাহিত করা যায়।
- এই ধারার ধারকদের সাথে ইতিবাচক ও পদ্ধতিগত সংলাপের ক্ষেত্র প্রসারিত করা।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 194)