• الكلام عليه من وجوه:
* الوجه الأول: في التعريف براويه:
ابن عباس: هو الصحابي الجليل عبد الله بن العباس بن عبد المطلب القرشي الهاشمي، ابن عم النبي صلى الله عليه وسلم، وأحد العلماء الفقهاء المكثرين من رواية الحديث، ولد بمكة قبل الهجرة بثلاث سنين، وتوفي بالطائف بعد أن كف بصره، سنة: 68 هـ، وفضائله ومناقبه كثيرة.
* الوجه الثاني: في تخريجه:
الحديث أخرجه البخاري ومسلم في الصحيحين(1) بنحوه.
* الوجه الثالث: في شرح ألفاظه:
(يسدل شعره)، سَدْلُ الشعر معناه: إرساله على الجبين ومن ورائه، وتركه على هيئته مسترسلاً.
(يفرقون رؤوسهم)، فرق الرأس معناه: فرق الشعر وقسمته من وسط الرأس، وكشفه عن الجبين بأن يجعله فرقتين، كل فرقة ذؤابة.
* الوجه الرابع: معنى الحديث أن النبي صلى الله عليه وسلم عندما قدم المدينة مهاجراً كان في بداية أمره يسدل شعره، ويتركه مرسلاً على حاله، لأن اليهود كانوا يفعلون ذلك، وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقتهم فيما لم يؤمر فيه بشيء، من باب التأليف لهم، لأنهم كانوا أهل كتاب وأقرب إلى الإيمان من عبدة الأوثان، فلمَّا استمروا في عنادهم ولم يفد معهم الاستئلاف والموافقة استحب النبي صلى الله عليه وسلم مخالفتهم، فخالفهم في أشياء كثيرة، منها مسألة سدل--------------------------------------------
(1) «صحيح البخاري» (5918)، «صحيح مسلم» (2336).
* الوجه الأول: في التعريف براويه:
ابن عباس: هو الصحابي الجليل عبد الله بن العباس بن عبد المطلب القرشي الهاشمي، ابن عم النبي صلى الله عليه وسلم، وأحد العلماء الفقهاء المكثرين من رواية الحديث، ولد بمكة قبل الهجرة بثلاث سنين، وتوفي بالطائف بعد أن كف بصره، سنة: 68 هـ، وفضائله ومناقبه كثيرة.
* الوجه الثاني: في تخريجه:
الحديث أخرجه البخاري ومسلم في الصحيحين(1) بنحوه.
* الوجه الثالث: في شرح ألفاظه:
(يسدل شعره)، سَدْلُ الشعر معناه: إرساله على الجبين ومن ورائه، وتركه على هيئته مسترسلاً.
(يفرقون رؤوسهم)، فرق الرأس معناه: فرق الشعر وقسمته من وسط الرأس، وكشفه عن الجبين بأن يجعله فرقتين، كل فرقة ذؤابة.
* الوجه الرابع: معنى الحديث أن النبي صلى الله عليه وسلم عندما قدم المدينة مهاجراً كان في بداية أمره يسدل شعره، ويتركه مرسلاً على حاله، لأن اليهود كانوا يفعلون ذلك، وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقتهم فيما لم يؤمر فيه بشيء، من باب التأليف لهم، لأنهم كانوا أهل كتاب وأقرب إلى الإيمان من عبدة الأوثان، فلمَّا استمروا في عنادهم ولم يفد معهم الاستئلاف والموافقة استحب النبي صلى الله عليه وسلم مخالفتهم، فخالفهم في أشياء كثيرة، منها مسألة سدل--------------------------------------------
(1) «صحيح البخاري» (5918)، «صحيح مسلم» (2336).
• এর ওপর আলোচনা কয়েকটি দিক থেকে:
* প্রথম দিক: বর্ণনাকারীর পরিচিতি:
ইবনে আব্বাস: তিনি হলেন মহান সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব আল-কুরাশী আল-হাশেমী, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাই এবং ফিকহবিদ আলেমদের মধ্যে অন্যতম যারা প্রচুর পরিমাণে হাদিস বর্ণনা করেছেন। হিজরতের তিন বছর পূর্বে মক্কায় তাঁর জন্ম হয় এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর ৬৮ হিজরীতে তায়েফে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মর্যাদা ও গুণাবলি অসংখ্য।
* দ্বিতীয় দিক: হাদিসের উৎস বর্ণনা:
হাদিসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম তাঁদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে(১) অনুরূপ শব্দে বর্ণনা করেছেন।
* তৃতীয় দিক: শব্দাবলির ব্যাখ্যা:
(তিনি তাঁর চুল ঝুলিয়ে রাখতেন), চুল ঝুলিয়ে রাখা বা ‘সাদল’-এর অর্থ হলো: কপালে এবং মাথার পেছনের দিকে চুল ছেড়ে দেওয়া এবং একে তার স্বাভাবিক অবস্থায় প্রলম্বিত রাখা।
(তারা তাদের মাথার চুল সিঁথি করত), মাথা সিঁথি করার অর্থ হলো: মাথার মাঝখান থেকে চুল পৃথক করা ও ভাগ করা এবং কপাল থেকে চুল সরিয়ে নেওয়া—চুলকে দুই ভাগে বিভক্ত করার মাধ্যমে, যার প্রতিটি ভাগ হবে একেকটি গুচ্ছ বা বেণী।
* চতুর্থ দিক: হাদিসের মর্মার্থ হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরত করে মদিনায় আসলেন, তখন প্রাথমিক অবস্থায় তিনি তাঁর চুল ঝুলিয়ে রাখতেন এবং সেগুলোকে স্বাভাবিকভাবে ছেড়ে দিতেন; কারণ ইহুদিরা এমনটি করত। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐসব বিষয়ে তাদের সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখা পছন্দ করতেন যে বিষয়ে তাঁকে কোনো সুনির্দিষ্ট ওহী বা নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এটি ছিল তাদের ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে, কারণ তারা ছিল আহলে কিতাব এবং মূর্তিপূজকদের তুলনায় ঈমানের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর যখন তারা তাদের হঠকারিতায় অবিচল থাকল এবং এই হৃদ্যতা ও সাদৃশ্য তাদের ক্ষেত্রে কোনো ফলপ্রসূ হলো না, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিরোধিতা করা পছন্দনীয় মনে করলেন। ফলে তিনি অনেক বিষয়েই তাদের বিপরীত পদ্ধতি অবলম্বন করলেন, যার মধ্যে চুল ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টিও অন্যতম...
--------------------------------------------
(১) «সহীহ বুখারী» (৫৯১৮), «সহীহ মুসলিম» (২৩৩৬)।
* প্রথম দিক: বর্ণনাকারীর পরিচিতি:
ইবনে আব্বাস: তিনি হলেন মহান সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব আল-কুরাশী আল-হাশেমী, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাই এবং ফিকহবিদ আলেমদের মধ্যে অন্যতম যারা প্রচুর পরিমাণে হাদিস বর্ণনা করেছেন। হিজরতের তিন বছর পূর্বে মক্কায় তাঁর জন্ম হয় এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর ৬৮ হিজরীতে তায়েফে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মর্যাদা ও গুণাবলি অসংখ্য।
* দ্বিতীয় দিক: হাদিসের উৎস বর্ণনা:
হাদিসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম তাঁদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে(১) অনুরূপ শব্দে বর্ণনা করেছেন।
* তৃতীয় দিক: শব্দাবলির ব্যাখ্যা:
(তিনি তাঁর চুল ঝুলিয়ে রাখতেন), চুল ঝুলিয়ে রাখা বা ‘সাদল’-এর অর্থ হলো: কপালে এবং মাথার পেছনের দিকে চুল ছেড়ে দেওয়া এবং একে তার স্বাভাবিক অবস্থায় প্রলম্বিত রাখা।
(তারা তাদের মাথার চুল সিঁথি করত), মাথা সিঁথি করার অর্থ হলো: মাথার মাঝখান থেকে চুল পৃথক করা ও ভাগ করা এবং কপাল থেকে চুল সরিয়ে নেওয়া—চুলকে দুই ভাগে বিভক্ত করার মাধ্যমে, যার প্রতিটি ভাগ হবে একেকটি গুচ্ছ বা বেণী।
* চতুর্থ দিক: হাদিসের মর্মার্থ হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরত করে মদিনায় আসলেন, তখন প্রাথমিক অবস্থায় তিনি তাঁর চুল ঝুলিয়ে রাখতেন এবং সেগুলোকে স্বাভাবিকভাবে ছেড়ে দিতেন; কারণ ইহুদিরা এমনটি করত। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐসব বিষয়ে তাদের সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখা পছন্দ করতেন যে বিষয়ে তাঁকে কোনো সুনির্দিষ্ট ওহী বা নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এটি ছিল তাদের ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে, কারণ তারা ছিল আহলে কিতাব এবং মূর্তিপূজকদের তুলনায় ঈমানের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর যখন তারা তাদের হঠকারিতায় অবিচল থাকল এবং এই হৃদ্যতা ও সাদৃশ্য তাদের ক্ষেত্রে কোনো ফলপ্রসূ হলো না, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিরোধিতা করা পছন্দনীয় মনে করলেন। ফলে তিনি অনেক বিষয়েই তাদের বিপরীত পদ্ধতি অবলম্বন করলেন, যার মধ্যে চুল ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টিও অন্যতম...
--------------------------------------------
(১) «সহীহ বুখারী» (৫৯১৮), «সহীহ মুসলিম» (২৩৩৬)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 28)