أقوال العلماء في هذه الأدلة:
1 - ذهبت طائفة من العلماء إلى القول بمنع إطلاق ذلك على المخلوقين، أخذا بالأدلة الدالة على ذلك، ورأوا أن حديث عبد الله بن الشخير ناسخ لما سواه من الأحاديث؛ لأن هذا الحديث كان عام الوفود في السنة التاسعة من الهجرة.
مناقشة هذا القول:
هذا القول متعقب بأمور:
الأول: أن أحاديث المنع مقابلة بمثلها، وهي الأحاديث الدالة على الجواز.
الثاني: أن دعوى النسخ تحتاج إلى دليل، ولا دليل يدل على ذلك، وأما كون حديث عبد الله بن الشخير يعد هو الناسخ؛ لكونه عام الوفود، فلربما تكون بعض الأحاديث بعد ذلك.
1 - ذهبت طائفة من العلماء إلى القول بمنع إطلاق ذلك على المخلوقين، أخذا بالأدلة الدالة على ذلك، ورأوا أن حديث عبد الله بن الشخير ناسخ لما سواه من الأحاديث؛ لأن هذا الحديث كان عام الوفود في السنة التاسعة من الهجرة.
مناقشة هذا القول:
هذا القول متعقب بأمور:
الأول: أن أحاديث المنع مقابلة بمثلها، وهي الأحاديث الدالة على الجواز.
الثاني: أن دعوى النسخ تحتاج إلى دليل، ولا دليل يدل على ذلك، وأما كون حديث عبد الله بن الشخير يعد هو الناسخ؛ لكونه عام الوفود، فلربما تكون بعض الأحاديث بعد ذلك.
এই দলীলসমূহের ক্ষেত্রে আলেমদের মতামত:
১ - একদল আলেম এ সংক্রান্ত দলীলসমূহ গ্রহণের মাধ্যমে সৃষ্টির ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ নিষিদ্ধ হওয়ার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা মনে করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে আল-শিখখীরের হাদীসটি অন্যান্য হাদীসসমূহের জন্য রহিতকারী; কারণ এই হাদীসটি হিজরী নবম সনে ‘আমুল উফুদ’ বা প্রতিনিধি দলের আগমনের বছর বর্ণিত হয়েছিল।
এই মতামতের পর্যালোচনা:
এই মতামতের ব্যাপারে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ রয়েছে:
প্রথমত: নিষেধাজ্ঞার হাদীসগুলোর বিপরীতে সমপর্যায়ের হাদীস বিদ্যমান, যা বৈধতা নির্দেশ করে।
দ্বিতীয়ত: রহিতকরণের (নাসখ) দাবির জন্য দলীল প্রয়োজন, অথচ এ বিষয়ে কোনো দলীল নেই। আর আবদুল্লাহ ইবনে আল-শিখখীরের হাদীসটি আমুল উফুদ-এর হওয়ার কারণে সেটিকে রহিতকারী গণ্য করার বিষয়ে বলা যায় যে, সম্ভবত এর পরেও কিছু হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
১ - একদল আলেম এ সংক্রান্ত দলীলসমূহ গ্রহণের মাধ্যমে সৃষ্টির ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ নিষিদ্ধ হওয়ার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা মনে করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে আল-শিখখীরের হাদীসটি অন্যান্য হাদীসসমূহের জন্য রহিতকারী; কারণ এই হাদীসটি হিজরী নবম সনে ‘আমুল উফুদ’ বা প্রতিনিধি দলের আগমনের বছর বর্ণিত হয়েছিল।
এই মতামতের পর্যালোচনা:
এই মতামতের ব্যাপারে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ রয়েছে:
প্রথমত: নিষেধাজ্ঞার হাদীসগুলোর বিপরীতে সমপর্যায়ের হাদীস বিদ্যমান, যা বৈধতা নির্দেশ করে।
দ্বিতীয়ত: রহিতকরণের (নাসখ) দাবির জন্য দলীল প্রয়োজন, অথচ এ বিষয়ে কোনো দলীল নেই। আর আবদুল্লাহ ইবনে আল-শিখখীরের হাদীসটি আমুল উফুদ-এর হওয়ার কারণে সেটিকে রহিতকারী গণ্য করার বিষয়ে বলা যায় যে, সম্ভবত এর পরেও কিছু হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 184)