المبحث الثالث: المصادر التي اعتمدت أسماء المؤلفات كقاعدة للتصنيف
من أهم المصادر التي اعتمدت أسماء المؤلفات كقاعدة في التصنيف:
- كشف الظنون لحاجي خليفة ت 1067هـ.
- إيضاح المكنون لإسماعيل باشا البغدادي ت 1339هـ.
أولا: كشف الظنون عن أسامي الكتب والفنون:
المؤلف: حاجي خليفة ت 1067هـ، 1657م، مصطفى بن عبد الله كاتب حلبي، المعروف بالحاج خليفة، مؤرخ بحاثة، تركي الأصل، مستعرب، مولده ووفاته في القسطنطينية تولى أعمالا كتابية في الجيش العثماني، ذهب مع أبيه -وكان من رجال الجند- إلى بغداد سنة 1033هـ، فمات أبوه بالموصل سنة 1035هـ فرحل إلى ديار بكر ثم عاد إلى الأستانة سنة 1038هـ، ورحل إلى الشام في سنة 1043هـ، وصحب والي حلب محمد باشا إلى مكة فحج وزار خزائن الكتب الكبرى، وعاد إلى الأستانة، وشهد حرب كريت سنة 1055هـ، وانقطع في السنوات الأخيرة من عمره إلى تدريس العلوم على طريقة الشيوخ في ذلك العهد، من كتبه:
- تحفه الكبار في أسفار البحار.
- تقويم التواريخ، وهو جداول تاريخية بلغ بها سنة 1058هـ، ألفه بالتركية والفارسية وترجم إلى العربية.
- ميزان الحق في اختيار الأحق.
- سلم الوصول إلى طبقات الفحول في التراجم.
من أهم المصادر التي اعتمدت أسماء المؤلفات كقاعدة في التصنيف:
- كشف الظنون لحاجي خليفة ت 1067هـ.
- إيضاح المكنون لإسماعيل باشا البغدادي ت 1339هـ.
أولا: كشف الظنون عن أسامي الكتب والفنون:
المؤلف: حاجي خليفة ت 1067هـ، 1657م، مصطفى بن عبد الله كاتب حلبي، المعروف بالحاج خليفة، مؤرخ بحاثة، تركي الأصل، مستعرب، مولده ووفاته في القسطنطينية تولى أعمالا كتابية في الجيش العثماني، ذهب مع أبيه -وكان من رجال الجند- إلى بغداد سنة 1033هـ، فمات أبوه بالموصل سنة 1035هـ فرحل إلى ديار بكر ثم عاد إلى الأستانة سنة 1038هـ، ورحل إلى الشام في سنة 1043هـ، وصحب والي حلب محمد باشا إلى مكة فحج وزار خزائن الكتب الكبرى، وعاد إلى الأستانة، وشهد حرب كريت سنة 1055هـ، وانقطع في السنوات الأخيرة من عمره إلى تدريس العلوم على طريقة الشيوخ في ذلك العهد، من كتبه:
- تحفه الكبار في أسفار البحار.
- تقويم التواريخ، وهو جداول تاريخية بلغ بها سنة 1058هـ، ألفه بالتركية والفارسية وترجم إلى العربية.
- ميزان الحق في اختيار الأحق.
- سلم الوصول إلى طبقات الفحول في التراجم.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থসমূহের নামকে শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণকারী উৎসসমূহ
গ্রন্থসমূহের নামকে শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণকারী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহ হলো:
- হাজী খলিফা (মৃত্যু ১০৬৭ হিজরি) রচিত কাশফুজ জুনুন।
- ইসমাইল পাশা আল-বাগদাদি (মৃত্যু ১৩৩৯ হিজরি) রচিত ইজাহুল মাকনুন।
প্রথমত: কাশফুজ জুনুন আন আসামিল কুতুবি ওয়াল ফুনুন:
লেখক: হাজী খলিফা (মৃত্যু ১০৬৭ হিজরি, ১৬৫৭ খ্রিষ্টাব্দ), মোস্তফা বিন আব্দুল্লাহ কাতিব হালাবি, যিনি হাজী খলিফা নামে পরিচিত। তিনি একজন গবেষক ঐতিহাসিক ছিলেন, বংশগতভাবে তুর্কি এবং আরবি ভাষায় পারদর্শী। তাঁর জন্ম ও মৃত্যু কনস্টান্টিনোপলে। তিনি উসমানীয় সেনাবাহিনীতে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। ১০৩৩ হিজরিতে তিনি তাঁর পিতার সাথে—যিনি একজন সেনাসদস্য ছিলেন—বাগদাদে যান। ১০৩৫ হিজরিতে তাঁর পিতা মোসেলে মারা গেলে তিনি দিয়ার বাকিরে চলে যান এবং পরবর্তীতে ১০৩৮ হিজরিতে ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন। ১০৪৩ হিজরিতে তিনি সিরিয়া সফর করেন এবং আলেপ্পোর গভর্নর মুহাম্মদ পাশার সাথে মক্কায় গিয়ে হজ পালন করেন এবং সেখানকার বিশাল গ্রন্থাগারসমূহ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি পুনরায় ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন এবং ১০৫৫ হিজরিতে ক্রিট যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি তৎকালীন আলেমদের পদ্ধতিতে জ্ঞানদান বা শিক্ষকতায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে:
- তুহফাতুল কিবার ফি আসফারিল বিহার।
- তাকভিমুত তাওয়ারিখ; এটি একটি ঐতিহাসিক কালপঞ্জি যা ১০৫৮ হিজরি পর্যন্ত বিস্তৃত। তিনি এটি তুর্কি ও ফারসি ভাষায় রচনা করেন এবং পরবর্তীতে তা আরবিতে অনূদিত হয়েছে।
- মিজানুল হক ফি ইখতিয়ারিল আহাক।
- জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ ‘সুল্লামুল উসুল ইলা তাবাকাতিল ফুহুল’।
গ্রন্থসমূহের নামকে শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণকারী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহ হলো:
- হাজী খলিফা (মৃত্যু ১০৬৭ হিজরি) রচিত কাশফুজ জুনুন।
- ইসমাইল পাশা আল-বাগদাদি (মৃত্যু ১৩৩৯ হিজরি) রচিত ইজাহুল মাকনুন।
প্রথমত: কাশফুজ জুনুন আন আসামিল কুতুবি ওয়াল ফুনুন:
লেখক: হাজী খলিফা (মৃত্যু ১০৬৭ হিজরি, ১৬৫৭ খ্রিষ্টাব্দ), মোস্তফা বিন আব্দুল্লাহ কাতিব হালাবি, যিনি হাজী খলিফা নামে পরিচিত। তিনি একজন গবেষক ঐতিহাসিক ছিলেন, বংশগতভাবে তুর্কি এবং আরবি ভাষায় পারদর্শী। তাঁর জন্ম ও মৃত্যু কনস্টান্টিনোপলে। তিনি উসমানীয় সেনাবাহিনীতে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। ১০৩৩ হিজরিতে তিনি তাঁর পিতার সাথে—যিনি একজন সেনাসদস্য ছিলেন—বাগদাদে যান। ১০৩৫ হিজরিতে তাঁর পিতা মোসেলে মারা গেলে তিনি দিয়ার বাকিরে চলে যান এবং পরবর্তীতে ১০৩৮ হিজরিতে ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন। ১০৪৩ হিজরিতে তিনি সিরিয়া সফর করেন এবং আলেপ্পোর গভর্নর মুহাম্মদ পাশার সাথে মক্কায় গিয়ে হজ পালন করেন এবং সেখানকার বিশাল গ্রন্থাগারসমূহ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি পুনরায় ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন এবং ১০৫৫ হিজরিতে ক্রিট যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি তৎকালীন আলেমদের পদ্ধতিতে জ্ঞানদান বা শিক্ষকতায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে:
- তুহফাতুল কিবার ফি আসফারিল বিহার।
- তাকভিমুত তাওয়ারিখ; এটি একটি ঐতিহাসিক কালপঞ্জি যা ১০৫৮ হিজরি পর্যন্ত বিস্তৃত। তিনি এটি তুর্কি ও ফারসি ভাষায় রচনা করেন এবং পরবর্তীতে তা আরবিতে অনূদিত হয়েছে।
- মিজানুল হক ফি ইখতিয়ারিল আহাক।
- জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ ‘সুল্লামুল উসুল ইলা তাবাকাতিল ফুহুল’।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 62)