أولا: مصادر غريب الحديث
نشط العلماء منذ بدء التدوين إلى التصنيف في غريب الحديث، ومن أوائل ما صنف فيه: غريب الحديث للنضر بن شميل ت 203هـ، ثم تتابعت المؤلفات وظهرت العشرات من المؤلفات ما بين ت 210-600هـ.
ومعنى الغريب لغة: الغامض البعيد الفهم.
اصطلاحا: هو العلم الذي يفسر معاني المفردات الصعبة في الحديث النبوي الشريف.
ومن أشهر ما صنف في هذا الفن:
1- غريب الحديث للنضر بن شميل ت 203هـ.
2- غريب الآثار لقطرب ت 206هـ.
3- كتاب في الغريب لمعمر بن المثنى البصري ت 210هـ.
4- كتاب في الغريب لعبد الملك بن قريب الأصمعي ت 216هـ.
5- غريب الحديث لأبي عبيد القاسم بن سلام ت 224هـ.
6- غريب الحديث لعبد الله بن مسلم بن قتيبة ت 266هـ.
7- غريب الحديث لإبراهيم بن إسحاق الحربي ت 285هـ.
8- غريب الحديث للمبرد محمد بن يزيد الثمالي ت 285هـ.
9- غريب الحديث لأحمد بن يحيى، المعروف بثعلب ت 291هـ.
10- كتاب لأبي بكر محمد بن القاسم الأنباري ت 321هـ.
11-غريب الحديث على مسند أحمد لمحمد الزاهد ت 345هـ.
12- غريب الحديث لأبي سليمان الخطابي البستي ت 388هـ.
13- الغريبين، غريب القرآن والسنة لأحمد الهروي ت 401هـ.
14- المغيث أكمل به الغريبين لمحمد بن أبي بكر الأصبهاني ت 581هـ.
15- الفائق في غريب الحديث لمحمود بن عمر الزمخشري ت 583هـ.
نشط العلماء منذ بدء التدوين إلى التصنيف في غريب الحديث، ومن أوائل ما صنف فيه: غريب الحديث للنضر بن شميل ت 203هـ، ثم تتابعت المؤلفات وظهرت العشرات من المؤلفات ما بين ت 210-600هـ.
ومعنى الغريب لغة: الغامض البعيد الفهم.
اصطلاحا: هو العلم الذي يفسر معاني المفردات الصعبة في الحديث النبوي الشريف.
ومن أشهر ما صنف في هذا الفن:
1- غريب الحديث للنضر بن شميل ت 203هـ.
2- غريب الآثار لقطرب ت 206هـ.
3- كتاب في الغريب لمعمر بن المثنى البصري ت 210هـ.
4- كتاب في الغريب لعبد الملك بن قريب الأصمعي ت 216هـ.
5- غريب الحديث لأبي عبيد القاسم بن سلام ت 224هـ.
6- غريب الحديث لعبد الله بن مسلم بن قتيبة ت 266هـ.
7- غريب الحديث لإبراهيم بن إسحاق الحربي ت 285هـ.
8- غريب الحديث للمبرد محمد بن يزيد الثمالي ت 285هـ.
9- غريب الحديث لأحمد بن يحيى، المعروف بثعلب ت 291هـ.
10- كتاب لأبي بكر محمد بن القاسم الأنباري ت 321هـ.
11-غريب الحديث على مسند أحمد لمحمد الزاهد ت 345هـ.
12- غريب الحديث لأبي سليمان الخطابي البستي ت 388هـ.
13- الغريبين، غريب القرآن والسنة لأحمد الهروي ت 401هـ.
14- المغيث أكمل به الغريبين لمحمد بن أبي بكر الأصبهاني ت 581هـ.
15- الفائق في غريب الحديث لمحمود بن عمر الزمخشري ت 583هـ.
প্রথমত: গরীবুল হাদীসের (হাদীসের দুষ্পাঠ্য শব্দসমূহের) উৎসসমূহ
হাদীস লিপিবদ্ধকরণ শুরু হওয়ার সময় থেকেই ওলামায়ে কেরাম গরীবুল হাদীস বা হাদীসের অস্পষ্ট ও কঠিন শব্দাবলি বিন্যাস ও সংকলনের কাজে সক্রিয় ছিলেন। এ বিষয়ে প্রথম দিকে রচিত গ্রন্থগুলোর অন্যতম হলো: নযর বিন শুমাইল (মৃত্যু: ২০৩ হি.)-এর 'গরীবুল হাদীস'। এরপর ধারাবাহিকভাবে অসংখ্য গ্রন্থ রচিত হতে থাকে এবং ২১০-৬০০ হিজরীর মধ্যে কয়েক ডজন গ্রন্থ আত্মপ্রকাশ করে।
আভিধানিক অর্থে 'গরীব' হলো: অস্পষ্ট এবং যা সহজে বোধগম্য নয়।
পরিভাষায়: এটি এমন এক শাস্ত্র যা প্রিয় নবী (সা.)-এর হাদীসে ব্যবহৃত কঠিন শব্দাবলির অর্থ ব্যাখ্যা করে।
এই শাস্ত্রে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু হলো:
১- গরীবুল হাদীস - নযর বিন শুমাইল (মৃত্যু: ২০৩ হি.)।
২- গরীবুল আসার - কুতরুব (মৃত্যু: ২০৬ হি.)।
৩- গরীব বিষয়ে গ্রন্থ - মা'মার বিন আল-মুসান্না আল-বাসরী (মৃত্যু: ২১০ হি.)।
৪- গরীব বিষয়ে গ্রন্থ - আব্দুল মালিক বিন কুরাইব আল-আসমায়ী (মৃত্যু: ২১৬ হি.)।
৫- গরীবুল হাদীস - আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম (মৃত্যু: ২২৪ হি.)।
৬- গরীবুল হাদীস - আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতাইবা (মৃত্যু: ২৬৬ হি.)।
৭- গরীবুল হাদীস - ইব্রাহীম বিন ইসহাক আল-হারবী (মৃত্যু: ২৮৫ হি.)।
৮- গরীবুল হাদীস - আল-মুবররাদ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আস-সুমালী (মৃত্যু: ২৮৫ হি.)।
৯- গরীবুল হাদীস - আহমাদ বিন ইয়াহইয়া, যিনি সা'লাব নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৯১ হি.)।
১০- আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম আল-আনবারী (মৃত্যু: ৩২১ হি.)-এর একটি গ্রন্থ।
১১- মুসনাদে আহমাদ-এর ওপর ভিত্তি করে রচিত 'গরীবুল হাদীস' - মুহাম্মদ আয-যাহিদ (মৃত্যু: ৩৪৫ হি.)।
১২- গরীবুল হাদীস - আবু সুলাইমান আল-খাত্তাবী আল-বুস্তী (মৃত্যু: ৩৮৮ হি.)।
১৩- আল-গারীবাইন (কুরআন ও সুন্নাহর অস্পষ্ট শব্দাবলি) - আহমাদ আল-হারাবী (মৃত্যু: ৪০১ হি.)।
১৪- আল-মুগীস (যার মাধ্যমে আল-গারীবাইন গ্রন্থটি পূর্ণ করা হয়েছে) - মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-আসবাহানী (মৃত্যু: ৫৮১ হি.)।
১৫- আল-ফায়েক ফী গরীবিল হাদীস - মাহমুদ বিন উমর আল-যামাখশারী (মৃত্যু: ৫৮৩ হি.)।
হাদীস লিপিবদ্ধকরণ শুরু হওয়ার সময় থেকেই ওলামায়ে কেরাম গরীবুল হাদীস বা হাদীসের অস্পষ্ট ও কঠিন শব্দাবলি বিন্যাস ও সংকলনের কাজে সক্রিয় ছিলেন। এ বিষয়ে প্রথম দিকে রচিত গ্রন্থগুলোর অন্যতম হলো: নযর বিন শুমাইল (মৃত্যু: ২০৩ হি.)-এর 'গরীবুল হাদীস'। এরপর ধারাবাহিকভাবে অসংখ্য গ্রন্থ রচিত হতে থাকে এবং ২১০-৬০০ হিজরীর মধ্যে কয়েক ডজন গ্রন্থ আত্মপ্রকাশ করে।
আভিধানিক অর্থে 'গরীব' হলো: অস্পষ্ট এবং যা সহজে বোধগম্য নয়।
পরিভাষায়: এটি এমন এক শাস্ত্র যা প্রিয় নবী (সা.)-এর হাদীসে ব্যবহৃত কঠিন শব্দাবলির অর্থ ব্যাখ্যা করে।
এই শাস্ত্রে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু হলো:
১- গরীবুল হাদীস - নযর বিন শুমাইল (মৃত্যু: ২০৩ হি.)।
২- গরীবুল আসার - কুতরুব (মৃত্যু: ২০৬ হি.)।
৩- গরীব বিষয়ে গ্রন্থ - মা'মার বিন আল-মুসান্না আল-বাসরী (মৃত্যু: ২১০ হি.)।
৪- গরীব বিষয়ে গ্রন্থ - আব্দুল মালিক বিন কুরাইব আল-আসমায়ী (মৃত্যু: ২১৬ হি.)।
৫- গরীবুল হাদীস - আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম (মৃত্যু: ২২৪ হি.)।
৬- গরীবুল হাদীস - আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতাইবা (মৃত্যু: ২৬৬ হি.)।
৭- গরীবুল হাদীস - ইব্রাহীম বিন ইসহাক আল-হারবী (মৃত্যু: ২৮৫ হি.)।
৮- গরীবুল হাদীস - আল-মুবররাদ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আস-সুমালী (মৃত্যু: ২৮৫ হি.)।
৯- গরীবুল হাদীস - আহমাদ বিন ইয়াহইয়া, যিনি সা'লাব নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৯১ হি.)।
১০- আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম আল-আনবারী (মৃত্যু: ৩২১ হি.)-এর একটি গ্রন্থ।
১১- মুসনাদে আহমাদ-এর ওপর ভিত্তি করে রচিত 'গরীবুল হাদীস' - মুহাম্মদ আয-যাহিদ (মৃত্যু: ৩৪৫ হি.)।
১২- গরীবুল হাদীস - আবু সুলাইমান আল-খাত্তাবী আল-বুস্তী (মৃত্যু: ৩৮৮ হি.)।
১৩- আল-গারীবাইন (কুরআন ও সুন্নাহর অস্পষ্ট শব্দাবলি) - আহমাদ আল-হারাবী (মৃত্যু: ৪০১ হি.)।
১৪- আল-মুগীস (যার মাধ্যমে আল-গারীবাইন গ্রন্থটি পূর্ণ করা হয়েছে) - মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-আসবাহানী (মৃত্যু: ৫৮১ হি.)।
১৫- আল-ফায়েক ফী গরীবিল হাদীস - মাহমুদ বিন উমর আল-যামাখশারী (মৃত্যু: ৫৮৩ হি.)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 135)