للعباد وَأَنَّهَا مُرَادة لله تَعَالَى وَأَنه متفضل بالخلق والاختراع وأنّ لَهُ تَعَالَى تَكْلِيف مَا لَا يُطَاق وأنّ لَهُ إيلام البريء وَلَا يجب عَلَيْهِ رِعَايَة الْأَصْلَح وَأَنه لَا وَاجِب إِلَّا بِالشَّرْعِ وأنّ بَعثه الْأَنْبِيَاء جَائِز وأنّ نبوة نَبينَا مُحَمَّد صلى الله عليه وسلم ثَابِتَة مؤيدة بالمعجزات
الرُّكْن الرَّابِع فِي السمعيات ومداره على عشرَة أصُول وَهِي إِثْبَات الْحَشْر والنشر وسؤال مُنكر وَنَكِير وَعَذَاب الْقَبْر وَالْمِيزَان والصراط وَخلق الْجنَّة وَالنَّار وَأَحْكَام الْإِمَامَة وأنّ فضل الصَّحَابَة على حسب ترتيبهم وشروط الْإِمَامَة
বান্দাদের জন্য এবং নিশ্চয়ই তা মহান আল্লাহর অভিপ্রেত। তিনি সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে অনুগ্রহকারী। মহান আল্লাহর জন্য (বান্দার ওপর) সাধ্যাতীত কোনো কার্যভার অর্পণ করা সম্ভব এবং নিরপরাধকে দুঃখ-যন্ত্রণা দেওয়াও তাঁর জন্য জায়েজ। তাঁর ওপর (বান্দার জন্য) অধিকতর কল্যাণকর বিষয়টি পরিপালন করা ওয়াজিব নয়। নিশ্চয়ই শরীয়ত ব্যতিরেকে কোনো কিছুই ওয়াজিব হয় না। নবীগণের প্রেরণ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্ভবপর। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবুওয়াত সুসাব্যস্ত এবং তা মুজিজাসমূহ দ্বারা সমর্থিত।
চতুর্থ রুকন: শ্রবণনির্ভর বিষয়াদি প্রসঙ্গে; এর ভিত্তি দশটি মূলনীতির ওপর। সেগুলো হলো: হাশর ও নশর সাব্যস্ত করা, মুনকার ও নাকিরের সওয়াল, কবরের আজাব, মিজান, সিরাত, জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি হওয়া, ইমামতের বিধানাবলি, সাহাবীগণের শ্রেষ্ঠত্ব তাঁদের ক্রমবিন্যাস অনুযায়ী হওয়া এবং ইমামতের শর্তাবলি।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 146)