المزيّة الأولى الدلالة على القراءات المتنوعة في الكلمة الواحدة قدر الإمكان
ولم تكتب الكلمة بشكلها هكذا إلّا بعد ملاحظة ومتابعة دقيقة إذا كان فيها أكثر من قراءة، فإن وجد فيها أكثر من قراءة بحث عن صورة تخالف الأصل، لكنّها تحتمل القراءة الأخرى، حتى يعلم جواز القراءة بها، وبالحرف الذي هو الأصل، أمّا إذا توحّدت القراءة بها، رسمت بحرف الأصل.
مثال هذه المزيّة
قال الله تعالى إِنْ هذانِ لَساحِرانِ طه/ 63/.
فقد رسمت هكذا في المصحف العثماني، بدون نقط، ولا شكل ولا تشديد، ولا تخفيف في نوني (إن) و (هذان).
ومن غير ألف، ولا ياء بعد (الذال) من (هذان).
لماذا هذا؟.
أما من وظيفة لذاك؟!.
أجل. لقد حوى شكل هذا الرّسم أربعة وجوه من القراءة، كلها جاءت بأسانيد صحيحة.
الأول: (إنّ هذان). وهي قراءة نافع ومن معه.
الثاني: (إن هذانّ). وهي قراءة ابن كثير وحده.
الثالث: (إن هذان). وهي قراءة حفص.
ولم تكتب الكلمة بشكلها هكذا إلّا بعد ملاحظة ومتابعة دقيقة إذا كان فيها أكثر من قراءة، فإن وجد فيها أكثر من قراءة بحث عن صورة تخالف الأصل، لكنّها تحتمل القراءة الأخرى، حتى يعلم جواز القراءة بها، وبالحرف الذي هو الأصل، أمّا إذا توحّدت القراءة بها، رسمت بحرف الأصل.
مثال هذه المزيّة
قال الله تعالى إِنْ هذانِ لَساحِرانِ طه/ 63/.
فقد رسمت هكذا في المصحف العثماني، بدون نقط، ولا شكل ولا تشديد، ولا تخفيف في نوني (إن) و (هذان).
ومن غير ألف، ولا ياء بعد (الذال) من (هذان).
لماذا هذا؟.
أما من وظيفة لذاك؟!.
أجل. لقد حوى شكل هذا الرّسم أربعة وجوه من القراءة، كلها جاءت بأسانيد صحيحة.
الأول: (إنّ هذان). وهي قراءة نافع ومن معه.
الثاني: (إن هذانّ). وهي قراءة ابن كثير وحده.
الثالث: (إن هذان). وهي قراءة حفص.
প্রথম বৈশিষ্ট্য: যতটা সম্ভব একটি শব্দের মধ্যে বিভিন্ন কিরাত (قراءات)-এর প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা
যদি কোনো শব্দে একাধিক কিরাত (قراءة) বিদ্যমান থাকে, তবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ও নিবিড় অনুসরণের পরেই কেবল শব্দটিকে সেই বিশেষ অবয়বে লেখা হয়েছে। যখন একাধিক কিরাত (قراءة) পাওয়া যায়, তখন এমন একটি রূপ অন্বেষণ করা হয় যা মূল (أصل) রীতির পরিপন্থী মনে হলেও অন্য কিরাতকে ধারণ করার যোগ্যতা রাখে; যাতে উক্ত কিরাত এবং মূল (أصل) অক্ষর—উভয় মাধ্যমেই পাঠের বৈধতা নিশ্চিত হওয়া যায়। পক্ষান্তরে, কিরাত (قراءة) যদি অভিন্ন হয়, তবে তা মূল (أصل) অক্ষর অনুযায়ীই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
এই বৈশিষ্ট্যের উদাহরণ
আল্লাহ তাআলা বলেন: "ইন্নাহাজানি লাসাহিরান" (ত্বহা/৬৩)।
এটি উসমানি মুসহাফে নুকতা (نقط), হরকত (شكل) এবং তাশদিদ (تشديد) বিহীন অবস্থায় লেখা হয়েছে; এমনকি "ইন্না" ও "হাজানি" এর 'নুন' বর্ণদ্বয়ে কোনো তাশদিদ বা হালকা করার চিহ্নও যুক্ত করা হয়নি।
এবং (হাজানি) শব্দের 'যাল' (الذال) বর্ণের পরে কোনো আলিফ (ألف) বা ইয়া (ياء) যুক্ত করা হয়নি।
কেন এমনটি করা হয়েছে?
এর কি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নেই?!
অবশ্যই আছে। এই লিখনশৈলীর (الرسم) অবয়বটি কিরাতের (القراءة) চারটি রূপকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার সবকটিই সহিহ (صحيحة) সনদের (أسانيد) মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে।
প্রথম: (ইন্না হাজানি)। এটি ইমাম নাফি এবং তাঁর সহযোগীদের কিরাত (قراءة)।
দ্বিতীয়: (ইন হাজান্নি)। এটি কেবল ইবনে কাসীরের কিরাত (قراءة)।
তৃতীয়: (ইন হাজানি)। এটি ইমাম হাফসের কিরাত (قراءة)।
যদি কোনো শব্দে একাধিক কিরাত (قراءة) বিদ্যমান থাকে, তবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ও নিবিড় অনুসরণের পরেই কেবল শব্দটিকে সেই বিশেষ অবয়বে লেখা হয়েছে। যখন একাধিক কিরাত (قراءة) পাওয়া যায়, তখন এমন একটি রূপ অন্বেষণ করা হয় যা মূল (أصل) রীতির পরিপন্থী মনে হলেও অন্য কিরাতকে ধারণ করার যোগ্যতা রাখে; যাতে উক্ত কিরাত এবং মূল (أصل) অক্ষর—উভয় মাধ্যমেই পাঠের বৈধতা নিশ্চিত হওয়া যায়। পক্ষান্তরে, কিরাত (قراءة) যদি অভিন্ন হয়, তবে তা মূল (أصل) অক্ষর অনুযায়ীই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
এই বৈশিষ্ট্যের উদাহরণ
আল্লাহ তাআলা বলেন: "ইন্নাহাজানি লাসাহিরান" (ত্বহা/৬৩)।
এটি উসমানি মুসহাফে নুকতা (نقط), হরকত (شكل) এবং তাশদিদ (تشديد) বিহীন অবস্থায় লেখা হয়েছে; এমনকি "ইন্না" ও "হাজানি" এর 'নুন' বর্ণদ্বয়ে কোনো তাশদিদ বা হালকা করার চিহ্নও যুক্ত করা হয়নি।
এবং (হাজানি) শব্দের 'যাল' (الذال) বর্ণের পরে কোনো আলিফ (ألف) বা ইয়া (ياء) যুক্ত করা হয়নি।
কেন এমনটি করা হয়েছে?
এর কি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নেই?!
অবশ্যই আছে। এই লিখনশৈলীর (الرسم) অবয়বটি কিরাতের (القراءة) চারটি রূপকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার সবকটিই সহিহ (صحيحة) সনদের (أسانيد) মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে।
প্রথম: (ইন্না হাজানি)। এটি ইমাম নাফি এবং তাঁর সহযোগীদের কিরাত (قراءة)।
দ্বিতীয়: (ইন হাজান্নি)। এটি কেবল ইবনে কাসীরের কিরাত (قراءة)।
তৃতীয়: (ইন হাজানি)। এটি ইমাম হাফসের কিরাত (قراءة)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 85)