نحو (ملاقوا ربهم). وفي مواضع أخرى أيضا.

‌‌3 - مثال قاعدة الهمز
: أن الهمزة إذا كانت ساكنة تكتب بحرف حركة ما قبلها.
نحو: (ائذن. اؤتمن. البأساء.

‌‌4 - مثال قاعدة البدل
: أنّ الألف تكتب (واوا) للتفخيم. نحو (الصلاة) و (الزكاة) فقد كتبتا ب (الصلاة) و (الزكوة).

‌‌5 - مثال قاعدة الفصل والوصل
: وذلك أنّ كلمة (أن) بفتح الهمزة توصل بكلمة (لا) إذا وقعت بعدها. ويستثنى منها عشرة مواضع. منها. (أن لا تقولوا).

‌‌6 - مثال قاعدة ما فيه قراءتان
: وخلاصة هذه القاعدة أنّ الكلمة إذا قرئت على وجهين تكتب برسم أحدهما. كما رسمت كلمة ملك يوم الدّين. بدون ألف، لتشمل القراءتين (مالك- ملك).
যেমন (মুলাকু রব্বিহিম)। এবং অন্যান্য স্থানেও।

‌‌৩ - হামযাহ (الهمز) সংক্রান্ত নিয়মের উদাহরণ
: নিশ্চয়ই হামযাহ (الهمزة) যখন সাকিন (ساكنة) হয়, তখন তা তার পূর্ববর্তী বর্ণের হরকতের অনুকূল বর্ণ দ্বারা লিখিত হয়।
যেমন: (ই’যান, উ’তুমান, আল-বা’সা)।

‌‌৪ - বদল (البدل) সংক্রান্ত নিয়মের উদাহরণ
: নিশ্চয়ই আলিফকে তাফখিম বা গাম্ভীর্য প্রকাশের জন্য ওয়াও (واوا) হিসেবে লেখা হয়। যেমন আস-সালাত (الصلاة) ও আয-যাকাত (الزكاة); শব্দ দুটি (الصلاة) ও (الزكوة) হিসেবে লিখিত হয়েছে।

‌‌৫ - বিচ্ছেদ ও সংযোগ (الفصل والوصل) সংক্রান্ত নিয়মের উদাহরণ
: আর তা হলো, হামযাহ-র ফাতহাহ বিশিষ্ট ‘আন’ (أن) শব্দটি যদি তার পরবর্তী ‘লা’ (لا) শব্দের সাথে আসে, তবে তা সংযুক্ত করে লেখা হয়। তবে দশটি স্থান এর ব্যতিক্রম। তার মধ্যে অন্যতম হলো: (আন লা তাকুলু)।

‌‌৬ - যে শব্দে একাধিক কিরাআত (قراءتان) রয়েছে তার উদাহরণ
: এই নিয়মের সারসংক্ষেপ হলো, কোনো শব্দ যদি দুই পদ্ধতিতে পাঠ করা যায়, তবে তা যেকোনো একটির লিখনশৈলী অনুযায়ী লেখা হয়। যেমন ‘মালিকি ইয়াওমিদ্দিন’ শব্দটি আলিফ ছাড়াই (ملك يوم الدّين) লেখা হয়েছে, যাতে তা উভয় কিরাআতকে (مالك - ملك) অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 83)