النوع الثاني: «براعة الاستهلال»
وهذا النوع أخص من الأول، وهو:
[أن يشتمل أول الكلام على ما يناسب الحال المتكلم فيه، ويشير إلى ما سيق الكلام لأجله].
والعلم الأسنى في هذا الفنّ سورة فاتحة الكتاب، التي هي مطلع القرآن، وجديرة أن تسمّى ب (عنوان القرآن).
لأن عنوان الكتاب يجمع مقاصده، بعبارة وجيزة في أوّله. وسورة الفاتحة قد اشتملت على جميع مقاصده، وعلومه، إذ أنّ القرآن قد حوى علوم الأديان جميعا، وأحصاها الأئمة، فبلغت لديهم أربعة: علم الأصول، علم العبادات، علم السلوك، علم القصص.
ولهذه الأربعة إرشادات قد حوتها فاتحة الكتاب.
فعلم الأصول: وهو ما يدور حول معرفة الله تعالى وصفاته.
فقد أشير إليه ب رَبِّ الْعالَمِينَ (2) الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ.
ومعرفة النبوات: ب صِراطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ.
ومعرفة المعاد: ب مالِكِ يَوْمِ الدِّينِ.
وعلم العبادات أشير إليه: ب إِيَّاكَ نَعْبُدُ.
وعلم السلوك أشير إليه: ب وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5) اهْدِنَا الصِّراطَ الْمُسْتَقِيمَ.
وهذا النوع أخص من الأول، وهو:
[أن يشتمل أول الكلام على ما يناسب الحال المتكلم فيه، ويشير إلى ما سيق الكلام لأجله].
والعلم الأسنى في هذا الفنّ سورة فاتحة الكتاب، التي هي مطلع القرآن، وجديرة أن تسمّى ب (عنوان القرآن).
لأن عنوان الكتاب يجمع مقاصده، بعبارة وجيزة في أوّله. وسورة الفاتحة قد اشتملت على جميع مقاصده، وعلومه، إذ أنّ القرآن قد حوى علوم الأديان جميعا، وأحصاها الأئمة، فبلغت لديهم أربعة: علم الأصول، علم العبادات، علم السلوك، علم القصص.
ولهذه الأربعة إرشادات قد حوتها فاتحة الكتاب.
فعلم الأصول: وهو ما يدور حول معرفة الله تعالى وصفاته.
فقد أشير إليه ب رَبِّ الْعالَمِينَ (2) الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ.
ومعرفة النبوات: ب صِراطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ.
ومعرفة المعاد: ب مالِكِ يَوْمِ الدِّينِ.
وعلم العبادات أشير إليه: ب إِيَّاكَ نَعْبُدُ.
وعلم السلوك أشير إليه: ب وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5) اهْدِنَا الصِّراطَ الْمُسْتَقِيمَ.
দ্বিতীয় প্রকার: ‘প্রারম্ভিক চমৎকারিত্ব (براعة الاستهلال)’
এই প্রকারটি প্রথমটির চেয়ে অধিকতর বিশেষ, আর তা হলো:
[বক্তব্যের শুরুতে এমন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকা যা বক্তার অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং যা সেই বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে যার উদ্দেশ্যে বক্তব্যটি পেশ করা হয়েছে]।
এই শিল্পে সর্বশ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত হলো সূরাতুল ফাতিহা, যা কুরআনের প্রারম্ভিকা এবং যা ‘কুরআনের শিরোনাম (عنوان القرآن)’ নামে অভিহিত হওয়ার যোগ্য।
কারণ বইয়ের শিরোনাম তার শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যসমূহকে একত্রিত করে। আর সূরাতুল ফাতিহা কুরআনের সকল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও জ্ঞানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কেননা কুরআন সমস্ত ধর্মীয় জ্ঞানকে ধারণ করেছে এবং ইমামগণ তা গণনা করে চারটিতে নির্ধারণ করেছেন: মূলনীতি বিষয়ক জ্ঞান (علم الأصول), ইবাদত বিষয়ক জ্ঞান (علم العبادات), আত্মশুদ্ধি ও আচরণ বিষয়ক জ্ঞান (علم السلوك) এবং কাহিনী বিষয়ক জ্ঞান (علم القصص)।
আর এই চারটি বিষয়েরই নির্দেশনা সূরাতুল ফাতিহায় বিদ্যমান রয়েছে।
মূলনীতি বিষয়ক জ্ঞান (علم الأصول): এটি মূলত আল্লাহ তাআলা ও তাঁর গুণাবলি চেনার পরিমণ্ডলে আবর্তিত হয়।
এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ‘বিশ্বজগতের প্রতিপালক, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
নবুওয়াত বিষয়ক জ্ঞান: ‘তাদের পথ, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
পরকাল বিষয়ক জ্ঞান: ‘প্রতিদান দিবসের মালিক’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
ইবাদত বিষয়ক জ্ঞান (علم العبادات) এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে: ‘আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
আচরণ ও আত্মশুদ্ধি বিষয়ক জ্ঞান (علم السلوك) এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে: ‘এবং আমরা কেবল আপনারই সাহায্য চাই, আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করুন’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
এই প্রকারটি প্রথমটির চেয়ে অধিকতর বিশেষ, আর তা হলো:
[বক্তব্যের শুরুতে এমন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকা যা বক্তার অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং যা সেই বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে যার উদ্দেশ্যে বক্তব্যটি পেশ করা হয়েছে]।
এই শিল্পে সর্বশ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত হলো সূরাতুল ফাতিহা, যা কুরআনের প্রারম্ভিকা এবং যা ‘কুরআনের শিরোনাম (عنوان القرآن)’ নামে অভিহিত হওয়ার যোগ্য।
কারণ বইয়ের শিরোনাম তার শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যসমূহকে একত্রিত করে। আর সূরাতুল ফাতিহা কুরআনের সকল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও জ্ঞানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কেননা কুরআন সমস্ত ধর্মীয় জ্ঞানকে ধারণ করেছে এবং ইমামগণ তা গণনা করে চারটিতে নির্ধারণ করেছেন: মূলনীতি বিষয়ক জ্ঞান (علم الأصول), ইবাদত বিষয়ক জ্ঞান (علم العبادات), আত্মশুদ্ধি ও আচরণ বিষয়ক জ্ঞান (علم السلوك) এবং কাহিনী বিষয়ক জ্ঞান (علم القصص)।
আর এই চারটি বিষয়েরই নির্দেশনা সূরাতুল ফাতিহায় বিদ্যমান রয়েছে।
মূলনীতি বিষয়ক জ্ঞান (علم الأصول): এটি মূলত আল্লাহ তাআলা ও তাঁর গুণাবলি চেনার পরিমণ্ডলে আবর্তিত হয়।
এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ‘বিশ্বজগতের প্রতিপালক, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
নবুওয়াত বিষয়ক জ্ঞান: ‘তাদের পথ, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
পরকাল বিষয়ক জ্ঞান: ‘প্রতিদান দিবসের মালিক’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
ইবাদত বিষয়ক জ্ঞান (علم العبادات) এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে: ‘আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
আচরণ ও আত্মশুদ্ধি বিষয়ক জ্ঞান (علم السلوك) এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে: ‘এবং আমরা কেবল আপনারই সাহায্য চাই, আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করুন’ আয়াতাংশের মাধ্যমে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 263)