وسائل معالجة المراء
السؤال
ما هي الوسائل لمعالجة المراء؟
الجواب
أهم شيء هو ترويض النفس بأن يستحضر الإنسان رقابة الله عز وجل، ويعمل بمبدأ الإحسان (أن تعبد الله كأنك تراه، فإن لم تكن تراه فإنه يراك) فإذا أردت أن تجادل أحداً فاستحضر رقابة الله عز وجل عليك فيما تقول وما تفعل، ثم استحضر أنك تقول في الدين وأنك تجادل في أمر تقول فيه على الله، كذلك استحضر المعاني الأخرى مثل الورع والحذر من القول على الله بغير علم، وأن تتحرى الحق وتتجرد له، وأن تبتعد عن الهوى والتشهير، وأن تكون بذلك مستعداً علماً وخلقاً، وإذا رأيت من نفسك أحياناً الإخلال بهذه الأمور فابتعد.
السؤال
ما هي الوسائل لمعالجة المراء؟
الجواب
أهم شيء هو ترويض النفس بأن يستحضر الإنسان رقابة الله عز وجل، ويعمل بمبدأ الإحسان (أن تعبد الله كأنك تراه، فإن لم تكن تراه فإنه يراك) فإذا أردت أن تجادل أحداً فاستحضر رقابة الله عز وجل عليك فيما تقول وما تفعل، ثم استحضر أنك تقول في الدين وأنك تجادل في أمر تقول فيه على الله، كذلك استحضر المعاني الأخرى مثل الورع والحذر من القول على الله بغير علم، وأن تتحرى الحق وتتجرد له، وأن تبتعد عن الهوى والتشهير، وأن تكون بذلك مستعداً علماً وخلقاً، وإذا رأيت من نفسك أحياناً الإخلال بهذه الأمور فابتعد.
বাদানুবাদ প্রতিকারের উপায়সমূহ
প্রশ্ন
বাদানুবাদ বা অনর্থক বিতর্ক প্রতিকারের উপায়সমূহ কী কী?
উত্তর
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নফস বা প্রবৃত্তিকে এমনভাবে বশীভূত করা যাতে মানুষ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নজরদারির কথা অন্তরে উপস্থিত রাখে এবং ইহসানের মূলনীতি অনুযায়ী আমল করে (তা হলো- তুমি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করবে যেন তুমি তাঁকে দেখছ, আর যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও তবে নিশ্চয়ই তিনি তোমাকে দেখছেন)। সুতরাং তুমি যখন কারো সাথে বিতর্ক করতে চাইবে, তখন তোমার কথা ও কাজের ওপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নজরদারির বিষয়টি অন্তরে উপস্থিত করবে। অতঃপর এ কথা স্মরণ করবে যে, তুমি দ্বীন সম্পর্কে কথা বলছ এবং এমন একটি বিষয়ে বিতর্ক করছ যে বিষয়ে তুমি আল্লাহর পক্ষ থেকে কথা বলছ। তদ্রূপ অন্যান্য বিষয়গুলোও স্মরণ করবে যেমন- আল্লাহভীতি এবং ইলম বা জ্ঞান ব্যতীত আল্লাহ সম্পর্কে কোনো কিছু বলা থেকে সতর্ক থাকা। এছাড়া সত্য অনুসন্ধান করা ও সত্যের জন্য নিজেকে একনিষ্ঠ করা এবং খেয়ালখুশি ও কুৎসা রটানো থেকে দূরে থাকা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও উন্নত চরিত্রের দিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত রাখা। আর যদি কখনও নিজের মাঝে এসব বিষয়ের কোনো বিচ্যুতি বা ত্রুটি দেখতে পাও, তবে বিতর্ক থেকে বিরত থাকবে।
প্রশ্ন
বাদানুবাদ বা অনর্থক বিতর্ক প্রতিকারের উপায়সমূহ কী কী?
উত্তর
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নফস বা প্রবৃত্তিকে এমনভাবে বশীভূত করা যাতে মানুষ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নজরদারির কথা অন্তরে উপস্থিত রাখে এবং ইহসানের মূলনীতি অনুযায়ী আমল করে (তা হলো- তুমি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করবে যেন তুমি তাঁকে দেখছ, আর যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও তবে নিশ্চয়ই তিনি তোমাকে দেখছেন)। সুতরাং তুমি যখন কারো সাথে বিতর্ক করতে চাইবে, তখন তোমার কথা ও কাজের ওপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নজরদারির বিষয়টি অন্তরে উপস্থিত করবে। অতঃপর এ কথা স্মরণ করবে যে, তুমি দ্বীন সম্পর্কে কথা বলছ এবং এমন একটি বিষয়ে বিতর্ক করছ যে বিষয়ে তুমি আল্লাহর পক্ষ থেকে কথা বলছ। তদ্রূপ অন্যান্য বিষয়গুলোও স্মরণ করবে যেমন- আল্লাহভীতি এবং ইলম বা জ্ঞান ব্যতীত আল্লাহ সম্পর্কে কোনো কিছু বলা থেকে সতর্ক থাকা। এছাড়া সত্য অনুসন্ধান করা ও সত্যের জন্য নিজেকে একনিষ্ঠ করা এবং খেয়ালখুশি ও কুৎসা রটানো থেকে দূরে থাকা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও উন্নত চরিত্রের দিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত রাখা। আর যদি কখনও নিজের মাঝে এসব বিষয়ের কোনো বিচ্যুতি বা ত্রুটি দেখতে পাও, তবে বিতর্ক থেকে বিরত থাকবে।
(খণ্ড: 3) (পৃষ্ঠা: 23)