شبهة إضافة التشريف والرد عليها
من شبه المعتزلة أنهم يقولون: إن كلام الله مخلوق لكنه أضيف إلى الله إضافة تشريف وتكريم، كما أضيفت الناقة إلى الله، فقيل: ناقة الله، وكما أضيف البيت الحرام (الكعبة) إلى الله، فقيل: بيت الله، وكما أضيف العبد إلى الله، فقيل: عبد الله، وكما أضيف الرسول إلى الله، فقيل: رسول الله، وكما أضيف عيسى إلى الله، فقيل: روح الله، فهذه إضافة تشريف وتكريم.
ويجاب عن هذه الشبهة بأن هذا تلبيس من الجهمية والمعتزلة فإن الإضافة نوعان: النوع الأول: إضافة أعيان قائمة بنفسها، كالعبد والرسول والناقة، فهذه من باب إضافة المخلوق إلى خالقه؛ لأنها عين قائمة بنفسها، وتقتضي هذه الإضافة التشريف والتكريم، لما امتاز به ذلك المضاف من الصفات.
النوع الثاني: إضافة معان وصفات لا تقوم بنفسها، بل لا بد لها من شيء تقوم به، فهذه إضافة الصفة إلى موصوفها، وتقتضي هذه الإضافة قيام هذه المعاني بالمضاف إليه واختصاصه بها، وهذا فرق بدهي.
فهذه شبه المعتزلة العقلية، وهي موجودة الآن ومنتشرة في الكتب والمؤلفات.
من شبه المعتزلة أنهم يقولون: إن كلام الله مخلوق لكنه أضيف إلى الله إضافة تشريف وتكريم، كما أضيفت الناقة إلى الله، فقيل: ناقة الله، وكما أضيف البيت الحرام (الكعبة) إلى الله، فقيل: بيت الله، وكما أضيف العبد إلى الله، فقيل: عبد الله، وكما أضيف الرسول إلى الله، فقيل: رسول الله، وكما أضيف عيسى إلى الله، فقيل: روح الله، فهذه إضافة تشريف وتكريم.
ويجاب عن هذه الشبهة بأن هذا تلبيس من الجهمية والمعتزلة فإن الإضافة نوعان: النوع الأول: إضافة أعيان قائمة بنفسها، كالعبد والرسول والناقة، فهذه من باب إضافة المخلوق إلى خالقه؛ لأنها عين قائمة بنفسها، وتقتضي هذه الإضافة التشريف والتكريم، لما امتاز به ذلك المضاف من الصفات.
النوع الثاني: إضافة معان وصفات لا تقوم بنفسها، بل لا بد لها من شيء تقوم به، فهذه إضافة الصفة إلى موصوفها، وتقتضي هذه الإضافة قيام هذه المعاني بالمضاف إليه واختصاصه بها، وهذا فرق بدهي.
فهذه شبه المعتزلة العقلية، وهي موجودة الآن ومنتشرة في الكتب والمؤلفات.
সম্মানসূচক সম্বন্ধের সংশয় এবং এর খণ্ডন
মুতাযিলাদের সংশয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তারা বলে: আল্লাহর কালাম (বাণী) মাখলূক বা সৃষ্টি, তবে একে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে সম্মান ও মর্যাদা প্রদানের উদ্দেশ্যে। যেমনটি উটনীকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর উটনী’, এবং যেমনটি বায়তুল হারামকে (কাবা) আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর ঘর’, এবং যেমনটি বান্দাকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর বান্দা’, এবং যেমনটি রাসূলকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর রাসূল’, এবং যেমনটি ঈসাকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর রূহ’; সুতরাং এগুলো হলো সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য কৃত সম্বন্ধ।
এই সংশয়ের জবাবে বলা হয় যে, এটি জাহমিয়া ও মুতাযিলাদের পক্ষ থেকে একটি বিভ্রান্তি ও সত্য গোপন করার প্রচেষ্টা মাত্র। কারণ ‘ইযাফাত’ বা সম্বন্ধ দুই প্রকার: প্রথম প্রকার: এমন সব স্বতন্ত্র সত্তার সম্বন্ধ যা নিজে নিজেই বিদ্যমান থাকতে পারে, যেমন—বান্দা, রাসূল এবং উটনী। এগুলো স্রষ্টার দিকে তাঁর সৃষ্টির সম্বন্ধ করার অন্তর্ভুক্ত; যেহেতু তা স্বতন্ত্র অস্তিত্বসম্পন্ন একটি সত্তা। এই সম্বন্ধটি সেই বিষয়ের সম্মান ও মর্যাদার দাবি রাখে, যার কারণে ঐ সম্বন্ধযুক্ত বিষয়টি অন্যান্য সৃষ্টি থেকে বিশেষ গুণাবলীতে পৃথক হয়ে থাকে।
দ্বিতীয় প্রকার: এমন সব অর্থ ও গুণাবলীর সম্বন্ধ যা স্বতন্ত্রভাবে নিজে নিজে অবস্থান করতে পারে না, বরং এগুলো অবস্থানের জন্য অবশ্যই কোনো না কোনো আধার বা সত্তার প্রয়োজন হয়। এটি হলো গুণীর দিকে তাঁর গুণের সম্বন্ধ। এই প্রকার সম্বন্ধের দাবি হলো, এই অর্থ বা গুণগুলো সেই সত্তার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট। আর এটি একটি স্বতঃসিদ্ধ পার্থক্য।
এগুলোই হলো মুতাযিলাদের বিভিন্ন যৌক্তিক সংশয়, যা বর্তমানেও বিদ্যমান এবং বিভিন্ন বই-পুস্তক ও রচনার মধ্যে ছড়িয়ে আছে।
মুতাযিলাদের সংশয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তারা বলে: আল্লাহর কালাম (বাণী) মাখলূক বা সৃষ্টি, তবে একে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে সম্মান ও মর্যাদা প্রদানের উদ্দেশ্যে। যেমনটি উটনীকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর উটনী’, এবং যেমনটি বায়তুল হারামকে (কাবা) আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর ঘর’, এবং যেমনটি বান্দাকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর বান্দা’, এবং যেমনটি রাসূলকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর রাসূল’, এবং যেমনটি ঈসাকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়েছে: ‘আল্লাহর রূহ’; সুতরাং এগুলো হলো সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য কৃত সম্বন্ধ।
এই সংশয়ের জবাবে বলা হয় যে, এটি জাহমিয়া ও মুতাযিলাদের পক্ষ থেকে একটি বিভ্রান্তি ও সত্য গোপন করার প্রচেষ্টা মাত্র। কারণ ‘ইযাফাত’ বা সম্বন্ধ দুই প্রকার: প্রথম প্রকার: এমন সব স্বতন্ত্র সত্তার সম্বন্ধ যা নিজে নিজেই বিদ্যমান থাকতে পারে, যেমন—বান্দা, রাসূল এবং উটনী। এগুলো স্রষ্টার দিকে তাঁর সৃষ্টির সম্বন্ধ করার অন্তর্ভুক্ত; যেহেতু তা স্বতন্ত্র অস্তিত্বসম্পন্ন একটি সত্তা। এই সম্বন্ধটি সেই বিষয়ের সম্মান ও মর্যাদার দাবি রাখে, যার কারণে ঐ সম্বন্ধযুক্ত বিষয়টি অন্যান্য সৃষ্টি থেকে বিশেষ গুণাবলীতে পৃথক হয়ে থাকে।
দ্বিতীয় প্রকার: এমন সব অর্থ ও গুণাবলীর সম্বন্ধ যা স্বতন্ত্রভাবে নিজে নিজে অবস্থান করতে পারে না, বরং এগুলো অবস্থানের জন্য অবশ্যই কোনো না কোনো আধার বা সত্তার প্রয়োজন হয়। এটি হলো গুণীর দিকে তাঁর গুণের সম্বন্ধ। এই প্রকার সম্বন্ধের দাবি হলো, এই অর্থ বা গুণগুলো সেই সত্তার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট। আর এটি একটি স্বতঃসিদ্ধ পার্থক্য।
এগুলোই হলো মুতাযিলাদের বিভিন্ন যৌক্তিক সংশয়, যা বর্তমানেও বিদ্যমান এবং বিভিন্ন বই-পুস্তক ও রচনার মধ্যে ছড়িয়ে আছে।
(খণ্ড: 17) (পৃষ্ঠা: 18)