حكم اتباع الهوى
السؤال
ما معنى هذه الآية: {أَفَرَأَيْتَ مَنِ اتَّخَذَ إِلَهَهُ هَوَاهُ} [الجاثية:23]؟ وهل كل من اتبع هواه كافر؟
الجواب
إذا اتبع هواه فعمل الكفر فقد كفر، وإذا اتبع هواه فعمل معصية فإنه يكون عاصياً، فاتباع الهوى قد يصل به إلى الكفر، فيكذب الله أو يكذب رسوله أو يعبد غير الله، فيفعل ناقضاً من نواقض الإسلام فيكون كافراً، وقد يتبع الهوى فيعصي، كأن يزني أو يشرب الخمر ولا يستحله، فيكون عاصياً ومرتكباً لكبيرة.
السؤال
ما معنى هذه الآية: {أَفَرَأَيْتَ مَنِ اتَّخَذَ إِلَهَهُ هَوَاهُ} [الجاثية:23]؟ وهل كل من اتبع هواه كافر؟
الجواب
إذا اتبع هواه فعمل الكفر فقد كفر، وإذا اتبع هواه فعمل معصية فإنه يكون عاصياً، فاتباع الهوى قد يصل به إلى الكفر، فيكذب الله أو يكذب رسوله أو يعبد غير الله، فيفعل ناقضاً من نواقض الإسلام فيكون كافراً، وقد يتبع الهوى فيعصي، كأن يزني أو يشرب الخمر ولا يستحله، فيكون عاصياً ومرتكباً لكبيرة.
প্রবৃত্তি অনুসরণের বিধান
প্রশ্ন
এই আয়াতের অর্থ কী: {আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে নিজের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছে} [আল-জাছিয়াহ: ২৩]? আর যে ব্যক্তিই আপন প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে কি কাফির?
উত্তর
যদি সে তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে কুফরির কাজ করে, তবে সে কাফির হয়ে যাবে। আর যদি সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করে কোনো নাফরমানি বা পাপের কাজ করে, তবে সে গুনাহগার হবে। সুতরাং প্রবৃত্তির অনুসরণ অনেক সময় তাকে কুফরি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, ফলে সে আল্লাহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে অথবা তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে অথবা আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করে; অর্থাৎ ইসলামের কোনো একটি ভঙ্গকারী কাজ করে ফেলে, ফলে সে কাফির হয়ে যায়। আবার কখনো সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করে গুনাহে লিপ্ত হয়, যেমন ব্যভিচার করা বা মদ পান করা—অথচ সে এটাকে বৈধ মনে করে না; এমতাবস্থায় সে গুনাহগার এবং কবিরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে।
প্রশ্ন
এই আয়াতের অর্থ কী: {আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে তার প্রবৃত্তিকে নিজের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছে} [আল-জাছিয়াহ: ২৩]? আর যে ব্যক্তিই আপন প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে কি কাফির?
উত্তর
যদি সে তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে কুফরির কাজ করে, তবে সে কাফির হয়ে যাবে। আর যদি সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করে কোনো নাফরমানি বা পাপের কাজ করে, তবে সে গুনাহগার হবে। সুতরাং প্রবৃত্তির অনুসরণ অনেক সময় তাকে কুফরি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, ফলে সে আল্লাহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে অথবা তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে অথবা আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করে; অর্থাৎ ইসলামের কোনো একটি ভঙ্গকারী কাজ করে ফেলে, ফলে সে কাফির হয়ে যায়। আবার কখনো সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করে গুনাহে লিপ্ত হয়, যেমন ব্যভিচার করা বা মদ পান করা—অথচ সে এটাকে বৈধ মনে করে না; এমতাবস্থায় সে গুনাহগার এবং কবিরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে।
(খণ্ড: 12) (পৃষ্ঠা: 13)