الباب السادس: في العقيقة وأحكامها، وهو أطول أبواب الكتاب، قسمه المؤلف اثنين وعشرين فصلا، ذكر فيها مشروعية العقيقة، ومن أين اشتقت، ووقتها، وفضل ذبحها، واختلاف عقيقة الذكر عن الأنثى، وحكمتها، وطبخها، وكسر عظمها، وسنها، وجنسها، والشركة فيها، ومصرفها، ومن لم يعق عنه والداه كيف يفعل؟ وحكم جلدها وسواقطها، وما يقال عند ذبحها، واختصاصها بالأسابيع.
الباب السابع: في حلق رأس الصبي والتصدق بوزنه ذهبا، وألحق به حكم القزع، ومعناه.
الباب الثامن: تسمية المولود، وفيه عشرة فصول، في وقت التسمية، وما يستحب وما يكره منها، وفي تغييرها لمصلحة، وفي جواز تكني الصغير، وفي كون التسمية حقا للأب، وحكم التسمية باسم النبي صلى الله عليه وسلم، والتكني بكنيته، وحكم التسمية بأكثر من اسم، وارتباط الاسم بالمسمى، وكون الناس يدعون يوم القيامة بأسمائهم وأسماء آبائهم.
وهذا الباب أمتع أبواب الكتاب وأكثرها فائدة في أحكام الصغير وحقوقه.
الباب التاسع: في ختان المولود، وفيه أربعة عشر فصلا، في معناه واشتقاقه، وأول من اختتن، ومشروعية الختان، ووقته، وحكمته، وفوائده، وقدره، وهل يعم الذكر والأنثى؟ وحكم جناية الخاتن وسراية الختان، وبعض أحكام الأقلف، ومتى يسقط الختان، وختان النبي صلى الله عليه وسلم، والحكمة التي من أجلها يعاد بنو آدم غرلا.
الباب السابع: في حلق رأس الصبي والتصدق بوزنه ذهبا، وألحق به حكم القزع، ومعناه.
الباب الثامن: تسمية المولود، وفيه عشرة فصول، في وقت التسمية، وما يستحب وما يكره منها، وفي تغييرها لمصلحة، وفي جواز تكني الصغير، وفي كون التسمية حقا للأب، وحكم التسمية باسم النبي صلى الله عليه وسلم، والتكني بكنيته، وحكم التسمية بأكثر من اسم، وارتباط الاسم بالمسمى، وكون الناس يدعون يوم القيامة بأسمائهم وأسماء آبائهم.
وهذا الباب أمتع أبواب الكتاب وأكثرها فائدة في أحكام الصغير وحقوقه.
الباب التاسع: في ختان المولود، وفيه أربعة عشر فصلا، في معناه واشتقاقه، وأول من اختتن، ومشروعية الختان، ووقته، وحكمته، وفوائده، وقدره، وهل يعم الذكر والأنثى؟ وحكم جناية الخاتن وسراية الختان، وبعض أحكام الأقلف، ومتى يسقط الختان، وختان النبي صلى الله عليه وسلم، والحكمة التي من أجلها يعاد بنو آدم غرلا.
ষষ্ঠ অধ্যায়: আকিকা ও এর বিধানাবলি প্রসঙ্গে। এটি গ্রন্থের দীর্ঘতম অধ্যায়, লেখক একে বাইশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত করেছেন। এতে তিনি আকিকার শরয়ি ভিত্তি, এর শব্দমূল বা নামকরণ কোথা থেকে এসেছে, এর সময়, পশু জবাই করার ফজিলত, পুত্র ও কন্যার আকিকার মধ্যকার পার্থক্য, এর হিকমত বা তাৎপর্য, এর রান্না ও হাড় ভাঙার বিধান, পশুর বয়স ও প্রকার, এতে অংশীদারিত্বের বিধান, এর ব্যয়ের খাত এবং যার পিতামাতা তার আকিকা করেননি সে কী করবে—এসব বিষয় উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া এর চামড়া ও উপজাত অংশের বিধান, জবাইয়ের সময় যা পাঠ করতে হয় এবং প্রতি সাত দিনের হিসাব অনুযায়ী এর বিশেষত্ব আলোচনা করা হয়েছে।
সপ্তম অধ্যায়: শিশুর মাথা মুণ্ডন করা এবং তার ওজনের সমপরিমাণ স্বর্ণ সদকা করা প্রসঙ্গে। এর সাথে মাথার কিছু অংশ মুণ্ডন ও কিছু অংশ ছেড়ে দেওয়ার (কাযা) বিধান ও এর অর্থ যুক্ত করা হয়েছে।
অষ্টম অধ্যায়: নবজাতকের নামকরণ। এতে দশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে: নামকরণের সময়, যেসব নাম রাখা মুস্তাহাব ও মাকরূহ, কোনো কল্যাণের প্রয়োজনে নাম পরিবর্তন, শিশুর উপনাম রাখা বৈধ হওয়া, নামকরণ পিতার অধিকার হওয়া, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে নামকরণ ও তাঁর উপনাম গ্রহণ করার বিধান, একাধিক নাম রাখার বিধান, নামের সাথে নামধারীর সম্পর্ক এবং কিয়ামতের দিন মানুষকে তাদের নিজেদের ও তাদের পিতাদের নামে ডাকা হওয়ার বিষয়টি।
এই অধ্যায়টি গ্রন্থের সবচেয়ে উপভোগ্য অধ্যায় এবং শিশুর বিধান ও তার অধিকারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উপকারী।
নবম অধ্যায়: নবজাতকের খতনা। এতে চৌদ্দটি পরিচ্ছেদ রয়েছে: এর অর্থ ও ব্যুৎপত্তি, সর্বপ্রথম যিনি খতনা করেছেন, খতনার শরয়ি ভিত্তি, এর সময়, হিকমত, উপকারিতা ও পরিমাণ এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই কি না। এ ছাড়া খতনাকারীর অনিচ্ছাকৃত অপরাধ ও খতনার ক্ষত থেকে সৃষ্ট সমস্যার বিধান, খতনা না করা ব্যক্তির কিছু বিধান, কখন খতনার আবশ্যকতা রহিত হয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খতনা এবং যে হিকমতের কারণে কিয়ামতের দিন আদম সন্তানকে খতনাবিহীন অবস্থায় পুনরুত্থিত করা হবে।
সপ্তম অধ্যায়: শিশুর মাথা মুণ্ডন করা এবং তার ওজনের সমপরিমাণ স্বর্ণ সদকা করা প্রসঙ্গে। এর সাথে মাথার কিছু অংশ মুণ্ডন ও কিছু অংশ ছেড়ে দেওয়ার (কাযা) বিধান ও এর অর্থ যুক্ত করা হয়েছে।
অষ্টম অধ্যায়: নবজাতকের নামকরণ। এতে দশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে: নামকরণের সময়, যেসব নাম রাখা মুস্তাহাব ও মাকরূহ, কোনো কল্যাণের প্রয়োজনে নাম পরিবর্তন, শিশুর উপনাম রাখা বৈধ হওয়া, নামকরণ পিতার অধিকার হওয়া, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে নামকরণ ও তাঁর উপনাম গ্রহণ করার বিধান, একাধিক নাম রাখার বিধান, নামের সাথে নামধারীর সম্পর্ক এবং কিয়ামতের দিন মানুষকে তাদের নিজেদের ও তাদের পিতাদের নামে ডাকা হওয়ার বিষয়টি।
এই অধ্যায়টি গ্রন্থের সবচেয়ে উপভোগ্য অধ্যায় এবং শিশুর বিধান ও তার অধিকারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উপকারী।
নবম অধ্যায়: নবজাতকের খতনা। এতে চৌদ্দটি পরিচ্ছেদ রয়েছে: এর অর্থ ও ব্যুৎপত্তি, সর্বপ্রথম যিনি খতনা করেছেন, খতনার শরয়ি ভিত্তি, এর সময়, হিকমত, উপকারিতা ও পরিমাণ এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই কি না। এ ছাড়া খতনাকারীর অনিচ্ছাকৃত অপরাধ ও খতনার ক্ষত থেকে সৃষ্ট সমস্যার বিধান, খতনা না করা ব্যক্তির কিছু বিধান, কখন খতনার আবশ্যকতা রহিত হয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খতনা এবং যে হিকমতের কারণে কিয়ামতের দিন আদম সন্তানকে খতনাবিহীন অবস্থায় পুনরুত্থিত করা হবে।
(খণ্ড: 3) (পৃষ্ঠা: 60)