الباب الخامس: ذكر فيه الرد على الاستدلال بحديث النهي عن لبس الذهب إلا مقطعا، وكونه حديثا ضعيفا، وما حمل عليه على فرض صحته.
الباب السادس: ذكر فيه الرد على المحرم بفعل أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها.
وختم الكتاب بذكر رد بعض علماء الهند على القائل بتحريم الذهب المحلق للنساء.
والكتاب جيد في بابه، وفيه مباحث علمية مهمة تحتاجها الداعية، خاصة إذا واجهت من أخذت بهذه الفتوى الشاذة، وهو يعد مرجعا مهما للذين ألفوا في هذا الباب ممن جاء بعد المؤلف.
إلا أنه يؤخذ عليه شدة عبارته -أحيانا - وقسوته في رده على المخالف، وكان بإمكانه -حفظه الله- أن يبين الخطأ دون حاجة إلى الشدة والقسوة.
والكتاب صالح للباحثات، ومن تأثرت بتلك الفتوى الشاذة، والله أعلم.
الباب السادس: ذكر فيه الرد على المحرم بفعل أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها.
وختم الكتاب بذكر رد بعض علماء الهند على القائل بتحريم الذهب المحلق للنساء.
والكتاب جيد في بابه، وفيه مباحث علمية مهمة تحتاجها الداعية، خاصة إذا واجهت من أخذت بهذه الفتوى الشاذة، وهو يعد مرجعا مهما للذين ألفوا في هذا الباب ممن جاء بعد المؤلف.
إلا أنه يؤخذ عليه شدة عبارته -أحيانا - وقسوته في رده على المخالف، وكان بإمكانه -حفظه الله- أن يبين الخطأ دون حاجة إلى الشدة والقسوة.
والكتاب صالح للباحثات، ومن تأثرت بتلك الفتوى الشاذة، والله أعلم.
পঞ্চম অধ্যায়: এখানে বিচ্ছিন্ন টুকরো ছাড়া স্বর্ণ পরিধান নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কিত হাদিস দ্বারা দলীল প্রদানের খণ্ডন এবং হাদিসটি দুর্বল হওয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে; আর হাদিসটি যদি সহিহ ধরে নেওয়া হয় তবে সেটির ব্যাখ্যা কী হবে তাও বর্ণিত হয়েছে।
ষষ্ঠ অধ্যায়: এখানে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার আমলের মাধ্যমে যারা স্বর্ণ হারাম বলেন, তাদের প্রতিউত্তর উল্লেখ করা হয়েছে।
আর গ্রন্থটি সমাপ্ত করা হয়েছে নারীদের জন্য গোলাকার স্বর্ণালঙ্কার হারামের প্রবক্তার বিরুদ্ধে ভারতের কতিপয় আলেমদের জবাব প্রদানের মাধ্যমে।
গ্রন্থটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং এতে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইলমি আলোচনা রয়েছে যা একজন নারী দাঈর জন্য প্রয়োজন, বিশেষ করে যখন তিনি এমন কারো সম্মুখীন হন যিনি এই শায বা বিচ্ছিন্ন ফতোয়াটি গ্রহণ করেছেন। এছাড়া এটি লেখকের পরবর্তী সময়ে যারা এই বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত।
তবে গ্রন্থটির ওপর একটি আপত্তি হলো—মাঝে মাঝে এর ভাষা অত্যন্ত কঠোর এবং বিরোধীদের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে রুক্ষতা পরিলক্ষিত হয়। অথচ তিনি (আল্লাহ তাকে হেফাযত করুন) কঠোরতা ও রুক্ষতা অবলম্বন না করেই ভুলটি ধরিয়ে দিতে পারতেন।
গ্রন্থটি নারী গবেষক এবং যারা এই শায ফতোয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন তাদের জন্য উপযোগী। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
ষষ্ঠ অধ্যায়: এখানে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার আমলের মাধ্যমে যারা স্বর্ণ হারাম বলেন, তাদের প্রতিউত্তর উল্লেখ করা হয়েছে।
আর গ্রন্থটি সমাপ্ত করা হয়েছে নারীদের জন্য গোলাকার স্বর্ণালঙ্কার হারামের প্রবক্তার বিরুদ্ধে ভারতের কতিপয় আলেমদের জবাব প্রদানের মাধ্যমে।
গ্রন্থটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং এতে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইলমি আলোচনা রয়েছে যা একজন নারী দাঈর জন্য প্রয়োজন, বিশেষ করে যখন তিনি এমন কারো সম্মুখীন হন যিনি এই শায বা বিচ্ছিন্ন ফতোয়াটি গ্রহণ করেছেন। এছাড়া এটি লেখকের পরবর্তী সময়ে যারা এই বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত।
তবে গ্রন্থটির ওপর একটি আপত্তি হলো—মাঝে মাঝে এর ভাষা অত্যন্ত কঠোর এবং বিরোধীদের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে রুক্ষতা পরিলক্ষিত হয়। অথচ তিনি (আল্লাহ তাকে হেফাযত করুন) কঠোরতা ও রুক্ষতা অবলম্বন না করেই ভুলটি ধরিয়ে দিতে পারতেন।
গ্রন্থটি নারী গবেষক এবং যারা এই শায ফতোয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন তাদের জন্য উপযোগী। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 13)