حكم التبرع بالأعضاء بعد الموت
السؤال
توجد جمعيات في كثير من الأماكن تدعوا أعضاءها لكتابة تنازل عن أعضائه عند وفاته، فما حكم التبرع بالأعضاء مقابل المال؟
الجواب
لقد أعطاك الله هذا الجسد وليست هذه عطية تمليك، فأنت لا تملك بدنك هذه عارية، فالله عز وجل أعطاك النعمة والصحة والعافية والأعضاء للمنفعة، ولست أنت تملكها، والدليل أنه لا يجوز لك أن تنتحر مثلاً، ولا يجوز للإنسان أن يعتدي على هذا البناء الذي بناه الله عز وجل، وهو هذا البدن والصحة والعافية ليست ملكاً لك، هذه عارية ملك لله، أما دورك أنت فلك الانتفاع بها فقط، أما أن تبيع كلية، وتبيع العين، وتبيع أعضاءك، فليس الإنسان هو عبارة عن قطع غيار بشرية حتى يمتهن بهذه الصورة، وقد اختلف العلماء المعاصرون في هذه المسألة، لكن الذي أعلمه والله أعلم أنه لا يجوز التصرف في الأعضاء؛ لأن الله عز وجل منحك إياها على سبيل الانتفاع بها، وأنت لست تملكها في الحقيقة حتى تبيعها أو تتبرع بها، وفي كتاب للدكتور عبد السلام السكري حفظه الله (حكم نقل الأعضاء البشرية) وهو كتاب جيد في بابه انتهى فيه إلى عدم جواز بيع الأعضاء البشرية، وكذلك كتاب للشيخ الغماري على صوفيته رحمه الله، لكنه أجاد أيضاً في هذا الكتاب، وانتهى فيه إلى المنع، وهناك فتوى من المجمع الفقهي من السعودية يبيح الانتفاع بالأعضاء بشروط.
السؤال
توجد جمعيات في كثير من الأماكن تدعوا أعضاءها لكتابة تنازل عن أعضائه عند وفاته، فما حكم التبرع بالأعضاء مقابل المال؟
الجواب
لقد أعطاك الله هذا الجسد وليست هذه عطية تمليك، فأنت لا تملك بدنك هذه عارية، فالله عز وجل أعطاك النعمة والصحة والعافية والأعضاء للمنفعة، ولست أنت تملكها، والدليل أنه لا يجوز لك أن تنتحر مثلاً، ولا يجوز للإنسان أن يعتدي على هذا البناء الذي بناه الله عز وجل، وهو هذا البدن والصحة والعافية ليست ملكاً لك، هذه عارية ملك لله، أما دورك أنت فلك الانتفاع بها فقط، أما أن تبيع كلية، وتبيع العين، وتبيع أعضاءك، فليس الإنسان هو عبارة عن قطع غيار بشرية حتى يمتهن بهذه الصورة، وقد اختلف العلماء المعاصرون في هذه المسألة، لكن الذي أعلمه والله أعلم أنه لا يجوز التصرف في الأعضاء؛ لأن الله عز وجل منحك إياها على سبيل الانتفاع بها، وأنت لست تملكها في الحقيقة حتى تبيعها أو تتبرع بها، وفي كتاب للدكتور عبد السلام السكري حفظه الله (حكم نقل الأعضاء البشرية) وهو كتاب جيد في بابه انتهى فيه إلى عدم جواز بيع الأعضاء البشرية، وكذلك كتاب للشيخ الغماري على صوفيته رحمه الله، لكنه أجاد أيضاً في هذا الكتاب، وانتهى فيه إلى المنع، وهناك فتوى من المجمع الفقهي من السعودية يبيح الانتفاع بالأعضاء بشروط.
মৃত্যুর পর অঙ্গদানের বিধান
প্রশ্ন
অনেক স্থানে এমন কিছু সমিতি রয়েছে যারা তাদের সদস্যদের মৃত্যুর সময় তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হস্তান্তরের জন্য লিখিত সম্মতি দিতে আহ্বান জানায়। অর্থের বিনিময়ে অঙ্গদানের বিধান কী?
উত্তর
আল্লাহ আপনাকে এই দেহ দান করেছেন এবং এটি মালিকানা স্বত্বে প্রদান করা কোনো উপহার নয়। সুতরাং আপনি আপনার দেহের মালিক নন, এটি একটি আমানত। মহান আল্লাহ আপনাকে নিয়ামত, স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং এই অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন, আপনি এগুলোর মালিক নন। এর প্রমাণ হলো, উদাহরণস্বরূপ আপনার জন্য আত্মহত্যা করা বৈধ নয়। আর মানুষের জন্য বৈধ নয় মহান আল্লাহর তৈরি এই কাঠামোর ওপর কোনো প্রকার সীমালঙ্ঘন করা। এই দেহ, স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা আপনার মালিকানাধীন নয়, বরং এগুলো আল্লাহর মালিকানাধীন একটি আমানত। আপনার ভূমিকা কেবল তা থেকে উপকৃত হওয়া। আর কিডনি বিক্রি করা, চোখ বিক্রি করা বা আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করা—মানুষ কোনো ‘মানবীয় খুচরা যন্ত্রাংশ’ নয় যে তাকে এইভাবে অবমাননা করা হবে। বর্তমান সময়ের আলেমগণ এই বিষয়ে মতভেদ করেছেন। তবে আমি যা জানি—আর আল্লাহই ভালো জানেন—তা হলো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষেত্রে এজাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ মহান আল্লাহ আপনাকে এগুলো ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দান করেছেন, আর প্রকৃতপক্ষে আপনি এগুলোর মালিক নন যে আপনি তা বিক্রি করবেন বা দান করবেন। ডক্টর আবদুস সালাম আল-সুক্কারী (হাফিজাহুল্লাহ)-এর ‘মানব অঙ্গ স্থানান্তরের বিধান’ নামক একটি কিতাব রয়েছে; এটি এই বিষয়ের ওপর একটি উত্তম কিতাব। সেখানে তিনি মানব অঙ্গ বিক্রয় নাজায়েজ হওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। অনুরূপভাবে শেখ আল-গুমারী—তাঁর সুফিবাদী মতাদর্শ থাকা সত্ত্বেও (রাহিমাহুল্লাহ)—একটি কিতাব লিখেছেন এবং তিনিও এতে চমৎকার আলোচনা করেছেন এবং এটি নিষিদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। আর সৌদি আরবের ইসলামি ফিকহ একাডেমি থেকে একটি ফতোয়া রয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে উপকৃত হওয়াকে বৈধতা দেয়।
প্রশ্ন
অনেক স্থানে এমন কিছু সমিতি রয়েছে যারা তাদের সদস্যদের মৃত্যুর সময় তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হস্তান্তরের জন্য লিখিত সম্মতি দিতে আহ্বান জানায়। অর্থের বিনিময়ে অঙ্গদানের বিধান কী?
উত্তর
আল্লাহ আপনাকে এই দেহ দান করেছেন এবং এটি মালিকানা স্বত্বে প্রদান করা কোনো উপহার নয়। সুতরাং আপনি আপনার দেহের মালিক নন, এটি একটি আমানত। মহান আল্লাহ আপনাকে নিয়ামত, স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং এই অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন, আপনি এগুলোর মালিক নন। এর প্রমাণ হলো, উদাহরণস্বরূপ আপনার জন্য আত্মহত্যা করা বৈধ নয়। আর মানুষের জন্য বৈধ নয় মহান আল্লাহর তৈরি এই কাঠামোর ওপর কোনো প্রকার সীমালঙ্ঘন করা। এই দেহ, স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা আপনার মালিকানাধীন নয়, বরং এগুলো আল্লাহর মালিকানাধীন একটি আমানত। আপনার ভূমিকা কেবল তা থেকে উপকৃত হওয়া। আর কিডনি বিক্রি করা, চোখ বিক্রি করা বা আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করা—মানুষ কোনো ‘মানবীয় খুচরা যন্ত্রাংশ’ নয় যে তাকে এইভাবে অবমাননা করা হবে। বর্তমান সময়ের আলেমগণ এই বিষয়ে মতভেদ করেছেন। তবে আমি যা জানি—আর আল্লাহই ভালো জানেন—তা হলো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষেত্রে এজাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ মহান আল্লাহ আপনাকে এগুলো ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দান করেছেন, আর প্রকৃতপক্ষে আপনি এগুলোর মালিক নন যে আপনি তা বিক্রি করবেন বা দান করবেন। ডক্টর আবদুস সালাম আল-সুক্কারী (হাফিজাহুল্লাহ)-এর ‘মানব অঙ্গ স্থানান্তরের বিধান’ নামক একটি কিতাব রয়েছে; এটি এই বিষয়ের ওপর একটি উত্তম কিতাব। সেখানে তিনি মানব অঙ্গ বিক্রয় নাজায়েজ হওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। অনুরূপভাবে শেখ আল-গুমারী—তাঁর সুফিবাদী মতাদর্শ থাকা সত্ত্বেও (রাহিমাহুল্লাহ)—একটি কিতাব লিখেছেন এবং তিনিও এতে চমৎকার আলোচনা করেছেন এবং এটি নিষিদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। আর সৌদি আরবের ইসলামি ফিকহ একাডেমি থেকে একটি ফতোয়া রয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে উপকৃত হওয়াকে বৈধতা দেয়।
(খণ্ড: 20) (পৃষ্ঠা: 32)