يقول شيخ الإسلام ابن تيمية: «وقد اتفق أهل السنة من العلماء، والعباد، والأمراء، والأجناد على أن يقولوا: أبو بكر، ثم عمر، ثم عثمان، ثم علي رضي الله عنهم» .(1)
ويقول أيضاً: «ويقرون بما تواتر به النقل عن أمير المؤمنين علي ابن أبي طالب رضي الله عنه من أن خير هذه الأمة بعد نبيها أبو بكر ثم
عمر، ويثلثون بعثمان، ويربعون بعلي رضي الله عنهم كما دلت عليه
الآثار» .(2)
ويقول ابن أبي العز: «وترتيب الخلفاء الراشدين رضي الله عنهم
أجمعين في الفضل كترتيبهم في الخلافة» .(3)
وبهذا يظهر الحق في هذه المسألة وبراءة ابن عمر رضي الله عنهما من مطاعن هذا الرافضي وكشف كذبه وتزويره في كلام هذا الصحابي الجليل لمّا لم يجد في كلامه ما يطعن به عليه.--------------------------------------------
(1) مجموع الفتاوى 3/406.
(2) مجموع الفتاوى 3/153.
(3) شرح الطحاوية ص727.
ويقول أيضاً: «ويقرون بما تواتر به النقل عن أمير المؤمنين علي ابن أبي طالب رضي الله عنه من أن خير هذه الأمة بعد نبيها أبو بكر ثم
عمر، ويثلثون بعثمان، ويربعون بعلي رضي الله عنهم كما دلت عليه
الآثار» .(2)
ويقول ابن أبي العز: «وترتيب الخلفاء الراشدين رضي الله عنهم
أجمعين في الفضل كترتيبهم في الخلافة» .(3)
وبهذا يظهر الحق في هذه المسألة وبراءة ابن عمر رضي الله عنهما من مطاعن هذا الرافضي وكشف كذبه وتزويره في كلام هذا الصحابي الجليل لمّا لم يجد في كلامه ما يطعن به عليه.--------------------------------------------
(1) مجموع الفتاوى 3/406.
(2) مجموع الفتاوى 3/153.
(3) شرح الطحاوية ص727.
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন: «উলামা, আবিদ, উমারা (শাসকগোষ্ঠী) এবং সৈনিকদের মধ্য থেকে আহলে সুন্নাত এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, তাঁরা বলবেন: আবু বকর, অতঃপর উমর, অতঃপর উসমান, অতঃপর আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)»।(১)
তিনি আরও বলেন: «আমীরুল মুমিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মুতাওয়াতির বর্ণনার মাধ্যমে যা সাব্যস্ত হয়েছে তাঁরা তা স্বীকার করেন যে, এই উম্মতের নবীর পরে সর্বোত্তম হলেন আবু বকর, অতঃপর
উমর। তাঁরা তৃতীয় স্থানে উসমানকে এবং চতুর্থ স্থানে আলীকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) স্থলাভিষিক্ত করেন, যেমনটি বিভিন্ন
আছার বা বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে»।(২)
ইবনুল আবিল ইযয বলেন: «খুলাফায়ে রাশেদীনের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম
আজমাঈন) মর্যাদার ক্রমধারা তাঁদের খিলাফতের ক্রমধারার অনুরূপ»।(৩)
এর মাধ্যমেই এই মাসআলায় সত্য প্রকাশিত হয় এবং এই রাফেযীর অপবাদ থেকে ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নির্দোষিতা প্রমাণিত হয়। সেইসাথে এই মহান সাহাবীর বক্তব্যের ব্যাপারে উক্ত ব্যক্তির মিথ্যাচার ও জালিয়াতি উম্মোচিত হয়, যেহেতু সে তাঁর বক্তব্যের মধ্যে তাঁকে অভিযুক্ত করার মতো কিছুই পায়নি।--------------------------------------------
(১) মাজমুউল ফাতাওয়া ৩/৪০৬।
(২) মাজমুউল ফাতাওয়া ৩/১৫৩।
(৩) শারহুত ত্বহাবীয়া, পৃষ্ঠা ৭২৭।
তিনি আরও বলেন: «আমীরুল মুমিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মুতাওয়াতির বর্ণনার মাধ্যমে যা সাব্যস্ত হয়েছে তাঁরা তা স্বীকার করেন যে, এই উম্মতের নবীর পরে সর্বোত্তম হলেন আবু বকর, অতঃপর
উমর। তাঁরা তৃতীয় স্থানে উসমানকে এবং চতুর্থ স্থানে আলীকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) স্থলাভিষিক্ত করেন, যেমনটি বিভিন্ন
আছার বা বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে»।(২)
ইবনুল আবিল ইযয বলেন: «খুলাফায়ে রাশেদীনের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম
আজমাঈন) মর্যাদার ক্রমধারা তাঁদের খিলাফতের ক্রমধারার অনুরূপ»।(৩)
এর মাধ্যমেই এই মাসআলায় সত্য প্রকাশিত হয় এবং এই রাফেযীর অপবাদ থেকে ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নির্দোষিতা প্রমাণিত হয়। সেইসাথে এই মহান সাহাবীর বক্তব্যের ব্যাপারে উক্ত ব্যক্তির মিথ্যাচার ও জালিয়াতি উম্মোচিত হয়, যেহেতু সে তাঁর বক্তব্যের মধ্যে তাঁকে অভিযুক্ত করার মতো কিছুই পায়নি।--------------------------------------------
(১) মাজমুউল ফাতাওয়া ৩/৪০৬।
(২) মাজমুউল ফাতাওয়া ৩/১৫৩।
(৩) শারহুত ত্বহাবীয়া, পৃষ্ঠা ৭২৭।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 361)