قارنه (على القول الراجح).
3 - أن الأكبر مخرج عن الملة الإسلامية، وأما الأصغر فلا يخرج منها، ولذا فمن أحكامه: أن يعامل معاملة المسلمين؛ فيناكح، وتؤكل ذبيحته ويرث ويورث، ويصلى عليه ويدفن في مقابر المسلمين.
4 - أن الشرك الأكبر صاحبه خالد مخلد في النار، وأما الأصغر فلا يخلد في النار وإن دخلها كسائر مرتكبي الكبائر.
5 - أن الشرك الأكبر يحل الأنفس والأموال، بعكس الشرك الأصغر، فإن صاحبه مسلم مؤمن ناقص الإيمان، فاسق من حيث الحكم الديني.
ويجتمعان في:
استحقاق صاحبهما الوعيد، وأنهما من أكبر الكبائر من الذنوب.
ما هو الشرك الخفي؟ وهل هو من الشرك الأكبر أو من الأصغر؟
تعريف الشرك الخفي: سبق معنا في تعريف الشرك الأصغر بأن الشرك الخفي أحد نوعي الشرك الأصغر عند بعض العلماء، وبناء على ذلك عرفوه بقولهم: ما ينتابه الإنسان في أقواله أو أعماله في بعض الفترات من غير أن يعلم أنه شرك.
وقيل: هو ما خفي من حقائق إرادة القلوب، وأقوال اللسان مما فيه تسوية
3 - أن الأكبر مخرج عن الملة الإسلامية، وأما الأصغر فلا يخرج منها، ولذا فمن أحكامه: أن يعامل معاملة المسلمين؛ فيناكح، وتؤكل ذبيحته ويرث ويورث، ويصلى عليه ويدفن في مقابر المسلمين.
4 - أن الشرك الأكبر صاحبه خالد مخلد في النار، وأما الأصغر فلا يخلد في النار وإن دخلها كسائر مرتكبي الكبائر.
5 - أن الشرك الأكبر يحل الأنفس والأموال، بعكس الشرك الأصغر، فإن صاحبه مسلم مؤمن ناقص الإيمان، فاسق من حيث الحكم الديني.
ويجتمعان في:
استحقاق صاحبهما الوعيد، وأنهما من أكبر الكبائر من الذنوب.
ما هو الشرك الخفي؟ وهل هو من الشرك الأكبر أو من الأصغر؟
تعريف الشرك الخفي: سبق معنا في تعريف الشرك الأصغر بأن الشرك الخفي أحد نوعي الشرك الأصغر عند بعض العلماء، وبناء على ذلك عرفوه بقولهم: ما ينتابه الإنسان في أقواله أو أعماله في بعض الفترات من غير أن يعلم أنه شرك.
وقيل: هو ما خفي من حقائق إرادة القلوب، وأقوال اللسان مما فيه تسوية
এর সাথে তুলনা করুন (অগ্রগণ্য মতানুসারে)।
৩ - বড় শিরক ইসলাম থেকে বহিষ্কারকারী, পক্ষান্তরে ছোট শিরক ইসলাম থেকে বের করে দেয় না। আর এ কারণেই এর বিধান হলো: তার সাথে মুসলিমদের ন্যায় আচরণ করা হবে; তার সাথে বিবাহ সম্পন্ন করা যাবে, তার জবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া যাবে, সে উত্তরাধিকার লাভ করবে এবং তাকেও উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে এবং মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
৪ - বড় শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে, কিন্তু ছোট শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করলেও অন্যান্য কবিরা গুনাহগারদের মতো সেখানে চিরস্থায়ী হবে না।
৫ - বড় শিরক জান ও মালকে বৈধ করে দেয়, যা ছোট শিরকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; কেননা এতে লিপ্ত ব্যক্তি একজন মুসলিম মুমিন হলেও তার ঈমান অপূর্ণাঙ্গ এবং ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী সে ফাসিক।
এবং উভয় শিরক যে বিষয়ে একীভূত হয়:
উভয় ক্ষেত্রে লিপ্ত ব্যক্তিই শাস্তির হুমকির উপযুক্ত এবং তারা উভয়ই পাপসমূহের মধ্যে অন্যতম বড় কবিরা গুনাহ।
গোপন শিরক (শিরক-এ-খফি) কী? এবং এটি কি বড় শিরকের অন্তর্ভুক্ত নাকি ছোট শিরকের অন্তর্ভুক্ত?
গোপন শিরকের সংজ্ঞা: ছোট শিরকের সংজ্ঞার আলোচনায় আমরা ইতিপূর্বে জেনেছি যে, কোনো কোনো আলেমের মতে গোপন শিরক হলো ছোট শিরকেরই একটি প্রকার। এর ভিত্তিতে তারা এর সংজ্ঞায় বলেছেন: এটি হলো মানুষের কথা বা কাজের মধ্যে মাঝেমধ্যে এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটা যা যে শিরক—তা সে বুঝতে পারে না।
আবার বলা হয়েছে: এটি হলো অন্তরের সংকল্প এবং জবানের উচ্চারণের এমন কিছু সূক্ষ্ম বিষয়, যাতে (আল্লাহর সাথে অন্যের) সমতা বিধানের বিষয়টি নিহিত থাকে।
৩ - বড় শিরক ইসলাম থেকে বহিষ্কারকারী, পক্ষান্তরে ছোট শিরক ইসলাম থেকে বের করে দেয় না। আর এ কারণেই এর বিধান হলো: তার সাথে মুসলিমদের ন্যায় আচরণ করা হবে; তার সাথে বিবাহ সম্পন্ন করা যাবে, তার জবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া যাবে, সে উত্তরাধিকার লাভ করবে এবং তাকেও উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে এবং মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
৪ - বড় শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে, কিন্তু ছোট শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করলেও অন্যান্য কবিরা গুনাহগারদের মতো সেখানে চিরস্থায়ী হবে না।
৫ - বড় শিরক জান ও মালকে বৈধ করে দেয়, যা ছোট শিরকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; কেননা এতে লিপ্ত ব্যক্তি একজন মুসলিম মুমিন হলেও তার ঈমান অপূর্ণাঙ্গ এবং ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী সে ফাসিক।
এবং উভয় শিরক যে বিষয়ে একীভূত হয়:
উভয় ক্ষেত্রে লিপ্ত ব্যক্তিই শাস্তির হুমকির উপযুক্ত এবং তারা উভয়ই পাপসমূহের মধ্যে অন্যতম বড় কবিরা গুনাহ।
গোপন শিরক (শিরক-এ-খফি) কী? এবং এটি কি বড় শিরকের অন্তর্ভুক্ত নাকি ছোট শিরকের অন্তর্ভুক্ত?
গোপন শিরকের সংজ্ঞা: ছোট শিরকের সংজ্ঞার আলোচনায় আমরা ইতিপূর্বে জেনেছি যে, কোনো কোনো আলেমের মতে গোপন শিরক হলো ছোট শিরকেরই একটি প্রকার। এর ভিত্তিতে তারা এর সংজ্ঞায় বলেছেন: এটি হলো মানুষের কথা বা কাজের মধ্যে মাঝেমধ্যে এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটা যা যে শিরক—তা সে বুঝতে পারে না।
আবার বলা হয়েছে: এটি হলো অন্তরের সংকল্প এবং জবানের উচ্চারণের এমন কিছু সূক্ষ্ম বিষয়, যাতে (আল্লাহর সাথে অন্যের) সমতা বিধানের বিষয়টি নিহিত থাকে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 177)