فيه ما سبق من الاعتراضات، ثم ليس كل شرك أصغر جاء في النصوص تسميته شركًا، فهناك أفراد من الشرك الأصغر لم يأت تسميتها في النصوص شركًا.
4 - (هو تسوية غير الله بالله في هيئة العمل، أو أقوال اللسان، فالشرك في هيئة العمل هو الرياء، والشرك في أقوال اللسان: هو الألفاظ التي فيها معنى التسوية بين الله وغيره، كقوله: ما شاء الله وشئت، … وقوله: عبد الحارث ونحو ذلك).
5 - (هو مراعاة غير الله تعالى معه في بعض الأمور).
6 - لا يعرّف، وإنما يذكر بالأمثلة.
وهذا الأخير هو ما أرتضيه؛ لأن تعريف مثل هذا النوع من الشرك غير منضبط لكثرة أفراده وتنوعه.
مصدر تسمية هذا النوع من الشرك بالشرك الأصغر:
جاءت نصوص الشرع بتسميته شركًا أصغر، ومما يدل عليه الحديث الذي رواه الإمام أحمد عن محمود بن لبيد: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((إن أخوف ما أخاف عليكم الشرك الأصغر))، قالوا: وما الشرك الأصغر يا رسول الله؟ قال: ((الرياء، يقول الله تعالى يوم القيامة، إذا جازى الناس بأعمالهم:
4 - (هو تسوية غير الله بالله في هيئة العمل، أو أقوال اللسان، فالشرك في هيئة العمل هو الرياء، والشرك في أقوال اللسان: هو الألفاظ التي فيها معنى التسوية بين الله وغيره، كقوله: ما شاء الله وشئت، … وقوله: عبد الحارث ونحو ذلك).
5 - (هو مراعاة غير الله تعالى معه في بعض الأمور).
6 - لا يعرّف، وإنما يذكر بالأمثلة.
وهذا الأخير هو ما أرتضيه؛ لأن تعريف مثل هذا النوع من الشرك غير منضبط لكثرة أفراده وتنوعه.
مصدر تسمية هذا النوع من الشرك بالشرك الأصغر:
جاءت نصوص الشرع بتسميته شركًا أصغر، ومما يدل عليه الحديث الذي رواه الإمام أحمد عن محمود بن لبيد: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((إن أخوف ما أخاف عليكم الشرك الأصغر))، قالوا: وما الشرك الأصغر يا رسول الله؟ قال: ((الرياء، يقول الله تعالى يوم القيامة، إذا جازى الناس بأعمالهم:
এতে পূর্বোক্ত আপত্তিগুলো বিদ্যমান। তাছাড়া, শরিয়তের দলিলাদিতে সমস্ত শিরকে আসগরকেই 'শিরক' হিসেবে নামকরণ করা হয়নি; বরং শিরকে আসগরের এমন কিছু শাখা রয়েছে যেগুলোকে দলিলে স্পষ্টভাবে শিরক বলা হয়নি।
৪ - (এটি হলো কাজের ধরন অথবা জবানের বক্তব্যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে আল্লাহর সমতুল্য করা। কাজের ধরনের ক্ষেত্রে শিরক হলো রিয়া বা লোক-দেখানো আমল, আর জবানের বক্তব্যের ক্ষেত্রে শিরক হলো এমন সব শব্দ যাতে আল্লাহ ও অন্য কারো মাঝে সমতা বিধানের অর্থ পাওয়া যায়; যেমন কারো উক্তি: 'আল্লাহ যা চান এবং আপনি যা চান', … এবং তার উক্তি: 'আবদুল হারিস' ইত্যাদি)।
৫ - (এটি হলো কোনো কোনো বিষয়ে আল্লাহ তাআলার সাথে অন্য কারো প্রতি খেয়াল রাখা)।
৬ - এর কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই, বরং একে উদাহরণের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
আর এই শেষোক্ত বিষয়টিই আমি গ্রহণ করছি; কারণ শিরকের এই প্রকারের শাখা-প্রশাখা ও বৈচিত্র্য এতো বেশি যে, এর কোনো ধরাবাঁধা সংজ্ঞা প্রদান করা দুরূহ।
শিরকের এই প্রকারকে শিরকে আসগর হিসেবে নামকরণের উৎস:
শরয়ি দলিলসমূহে একে শিরকে আসগর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর প্রমাণ হলো ইমাম আহমাদ কর্তৃক মাহমুদ ইবনে লাবিদ থেকে বর্ণিত হাদিস: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের ব্যাপারে আমি যা সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হলো শিরকে আসগর।" সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, শিরকে আসগর কী? তিনি বললেন: "রিয়া (লোক-দেখানো ইবাদত)। কিয়ামতের দিন যখন মহান আল্লাহ মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিদান দেবেন, তখন তিনি বলবেন:
৪ - (এটি হলো কাজের ধরন অথবা জবানের বক্তব্যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে আল্লাহর সমতুল্য করা। কাজের ধরনের ক্ষেত্রে শিরক হলো রিয়া বা লোক-দেখানো আমল, আর জবানের বক্তব্যের ক্ষেত্রে শিরক হলো এমন সব শব্দ যাতে আল্লাহ ও অন্য কারো মাঝে সমতা বিধানের অর্থ পাওয়া যায়; যেমন কারো উক্তি: 'আল্লাহ যা চান এবং আপনি যা চান', … এবং তার উক্তি: 'আবদুল হারিস' ইত্যাদি)।
৫ - (এটি হলো কোনো কোনো বিষয়ে আল্লাহ তাআলার সাথে অন্য কারো প্রতি খেয়াল রাখা)।
৬ - এর কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই, বরং একে উদাহরণের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
আর এই শেষোক্ত বিষয়টিই আমি গ্রহণ করছি; কারণ শিরকের এই প্রকারের শাখা-প্রশাখা ও বৈচিত্র্য এতো বেশি যে, এর কোনো ধরাবাঁধা সংজ্ঞা প্রদান করা দুরূহ।
শিরকের এই প্রকারকে শিরকে আসগর হিসেবে নামকরণের উৎস:
শরয়ি দলিলসমূহে একে শিরকে আসগর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এর প্রমাণ হলো ইমাম আহমাদ কর্তৃক মাহমুদ ইবনে লাবিদ থেকে বর্ণিত হাদিস: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের ব্যাপারে আমি যা সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হলো শিরকে আসগর।" সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, শিরকে আসগর কী? তিনি বললেন: "রিয়া (লোক-দেখানো ইবাদত)। কিয়ামতের দিন যখন মহান আল্লাহ মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিদান দেবেন, তখন তিনি বলবেন:
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 167)