مقدمة
لا أدري أترى وريقاتي هذه فجراً تشرق بعده أم تبقى حبيسة الدفتر فأُحرم أجرها وبركتها؟
لقد مرت عليّ السنون وأنا أقلب صفحات الكتب .. أتفكر وأتساءل .. أقرأ وأدوّن .. أضيف وأمحو .. تلتها أخرى عجاف أملت عليّ أن تبقى خواطري وأفكاري بعيدة عن القلم الذي يدوّنها ويصيغها ويسبك عباراتها.
فكنت أتصفح كل يوم ما دوّنته في دفتري لعل الله الفتاح العليم يفتح على قلبي فتحاً تجيش به مشاعري وتتوقد فيه أفكاري فأسل قلمي من غمده وأسطر ما أختزنته حافظتي بالأريحية التي ينبغي أن أسطرها به.
ثم شاء الله تعالى أن تتجمع لدي الخواطر من جديد، ويسيل حبر القلم على الورق ليسطر لك أيها القارئ هذه الكلمات.
فهذه رسالة نسجتها لك الزهور، عنوانها المحبة وموضوعها طلب الحقيقة.
فالحقيقة اليوم ومنذ زمن بعيد باتتْ حبيسة التعصب والإدعاء ..
وكلٌّ يدّعي وصلاً بليلى وليلى لا تُقر لهم بذاك
وأحسب أنّ كتابي هذا سيُرضي أقواماً ويسخط آخرين، شأنه شأن الحقيقة المجردة ترضي الباحثين المتجردين وتُسخط المتعصبين المنحازين.
لكني على يقين مِنْ أَنَّ الكلمة الحرة التي لا تعرف الزيف هي شمعة تضيء أبداً .. فإن كُتِب لي أن أُعادى فأي صاحب كلمة حق يَسلم في زماننا فضلاً عن من مضى.
محمد الخضر
لا أدري أترى وريقاتي هذه فجراً تشرق بعده أم تبقى حبيسة الدفتر فأُحرم أجرها وبركتها؟
لقد مرت عليّ السنون وأنا أقلب صفحات الكتب .. أتفكر وأتساءل .. أقرأ وأدوّن .. أضيف وأمحو .. تلتها أخرى عجاف أملت عليّ أن تبقى خواطري وأفكاري بعيدة عن القلم الذي يدوّنها ويصيغها ويسبك عباراتها.
فكنت أتصفح كل يوم ما دوّنته في دفتري لعل الله الفتاح العليم يفتح على قلبي فتحاً تجيش به مشاعري وتتوقد فيه أفكاري فأسل قلمي من غمده وأسطر ما أختزنته حافظتي بالأريحية التي ينبغي أن أسطرها به.
ثم شاء الله تعالى أن تتجمع لدي الخواطر من جديد، ويسيل حبر القلم على الورق ليسطر لك أيها القارئ هذه الكلمات.
فهذه رسالة نسجتها لك الزهور، عنوانها المحبة وموضوعها طلب الحقيقة.
فالحقيقة اليوم ومنذ زمن بعيد باتتْ حبيسة التعصب والإدعاء ..
وكلٌّ يدّعي وصلاً بليلى وليلى لا تُقر لهم بذاك
وأحسب أنّ كتابي هذا سيُرضي أقواماً ويسخط آخرين، شأنه شأن الحقيقة المجردة ترضي الباحثين المتجردين وتُسخط المتعصبين المنحازين.
لكني على يقين مِنْ أَنَّ الكلمة الحرة التي لا تعرف الزيف هي شمعة تضيء أبداً .. فإن كُتِب لي أن أُعادى فأي صاحب كلمة حق يَسلم في زماننا فضلاً عن من مضى.
محمد الخضر
ভূমিকা
আমি জানি না আমার এই নাতিদীর্ঘ পাণ্ডুলিপিগুলো এমন কোনো উষালোকের মুখ দেখবে কি না যার পর সূর্যোদয় ঘটবে, নাকি এগুলো খাতায় বন্দি হয়েই রবে আর আমি এর সওয়াব ও বরকত থেকে বঞ্চিত হব?
দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়েছে কিতাবের পাতা উল্টাতে উল্টাতে... চিন্তামগ্ন হয়েছি, প্রশ্ন জেগেছে মনে... পাঠ করেছি ও তা লিপিবদ্ধ করেছি... কখনো নতুন কিছু যুক্ত করেছি, কখনোবা মুছে ফেলেছি। অতঃপর এল কিছু রুক্ষ ও অনুর্বর সময়, যা আমাকে বাধ্য করল যেন আমার ভাবনা ও চিন্তাগুলো সেই কলম থেকে দূরে থাকে যা সেগুলোকে নথিবদ্ধ করে, সুশৃঙ্খল রূপ দান করে এবং শব্দশৈলীতে গেঁথে তোলে।
প্রতিদিন আমি আমার খাতায় লিপিবদ্ধ কথাগুলো উল্টে দেখতাম, এই আশায় যে—হয়তো মহাজ্ঞানী ও মহাবিজয়ী আল্লাহ আমার হৃদয়ে এমন এক প্রজ্ঞার দুয়ার উন্মোচন করবেন, যাতে আমার অনুভূতিগুলো উথলে উঠবে এবং চিন্তাগুলো প্রজ্জ্বলিত হবে; ফলে আমি আমার কলমকে কোষমুক্ত করব এবং আমার স্মৃতিতে সঞ্চিত জ্ঞানকে সেই স্বতঃস্ফূর্ততার সাথে লিপিবদ্ধ করব, যা কাম্য।
অতঃপর আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমার চিন্তাগুলো পুনরায় পুঞ্জীভূত হলো এবং কলমের কালি কাগজের বুকে ঝরতে শুরু করল—হে পাঠক! আপনার জন্য এই শব্দমালা রচনা করতে।
এটি এমন এক পত্র যা আপনার জন্য পুষ্পরাজি দিয়ে গাঁথা হয়েছে; যার শিরোনাম হলো ‘ভালোবাসা’ আর বিষয়বস্তু হলো ‘সত্যের অন্বেষণ’।
কেননা সত্য আজ এবং সুদীর্ঘকাল যাবৎ গোঁড়ামি ও অসার দাবির বেড়াজালে বন্দি হয়ে আছে...
প্রত্যেকেই লায়লার সাথে সম্পর্কের দাবি করে, অথচ লায়লা তাদের কারো দাবি স্বীকার করে না।
আমি মনে করি, আমার এই গ্রন্থটি একদল মানুষকে সন্তুষ্ট করবে আর অন্যদের করবে রুষ্ট। এটিই হলো নিরাবরণ সত্যের ধর্ম—যা নিরপেক্ষ গবেষকদের তুষ্ট করে আর পক্ষপাতদুষ্ট সংকীর্ণমনাদের ক্ষুব্ধ করে।
তবে আমি নিশ্চিত যে, কৃত্রিমতামুক্ত স্বাধীন বাক্য হলো এমন এক প্রদীপ যা চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকে। আর যদি আমার ভাগ্যে শত্রুতার শিকার হওয়া লেখা থাকে, তবে বর্তমান যুগে সত্যের পথে চলা কোন ব্যক্তিটিই বা নিরাপদ রয়েছে? পূর্বসূরিদের কথা তো বলাই বাহুল্য।
মুহাম্মদ আল-খিদর
আমি জানি না আমার এই নাতিদীর্ঘ পাণ্ডুলিপিগুলো এমন কোনো উষালোকের মুখ দেখবে কি না যার পর সূর্যোদয় ঘটবে, নাকি এগুলো খাতায় বন্দি হয়েই রবে আর আমি এর সওয়াব ও বরকত থেকে বঞ্চিত হব?
দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়েছে কিতাবের পাতা উল্টাতে উল্টাতে... চিন্তামগ্ন হয়েছি, প্রশ্ন জেগেছে মনে... পাঠ করেছি ও তা লিপিবদ্ধ করেছি... কখনো নতুন কিছু যুক্ত করেছি, কখনোবা মুছে ফেলেছি। অতঃপর এল কিছু রুক্ষ ও অনুর্বর সময়, যা আমাকে বাধ্য করল যেন আমার ভাবনা ও চিন্তাগুলো সেই কলম থেকে দূরে থাকে যা সেগুলোকে নথিবদ্ধ করে, সুশৃঙ্খল রূপ দান করে এবং শব্দশৈলীতে গেঁথে তোলে।
প্রতিদিন আমি আমার খাতায় লিপিবদ্ধ কথাগুলো উল্টে দেখতাম, এই আশায় যে—হয়তো মহাজ্ঞানী ও মহাবিজয়ী আল্লাহ আমার হৃদয়ে এমন এক প্রজ্ঞার দুয়ার উন্মোচন করবেন, যাতে আমার অনুভূতিগুলো উথলে উঠবে এবং চিন্তাগুলো প্রজ্জ্বলিত হবে; ফলে আমি আমার কলমকে কোষমুক্ত করব এবং আমার স্মৃতিতে সঞ্চিত জ্ঞানকে সেই স্বতঃস্ফূর্ততার সাথে লিপিবদ্ধ করব, যা কাম্য।
অতঃপর আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমার চিন্তাগুলো পুনরায় পুঞ্জীভূত হলো এবং কলমের কালি কাগজের বুকে ঝরতে শুরু করল—হে পাঠক! আপনার জন্য এই শব্দমালা রচনা করতে।
এটি এমন এক পত্র যা আপনার জন্য পুষ্পরাজি দিয়ে গাঁথা হয়েছে; যার শিরোনাম হলো ‘ভালোবাসা’ আর বিষয়বস্তু হলো ‘সত্যের অন্বেষণ’।
কেননা সত্য আজ এবং সুদীর্ঘকাল যাবৎ গোঁড়ামি ও অসার দাবির বেড়াজালে বন্দি হয়ে আছে...
প্রত্যেকেই লায়লার সাথে সম্পর্কের দাবি করে, অথচ লায়লা তাদের কারো দাবি স্বীকার করে না।
আমি মনে করি, আমার এই গ্রন্থটি একদল মানুষকে সন্তুষ্ট করবে আর অন্যদের করবে রুষ্ট। এটিই হলো নিরাবরণ সত্যের ধর্ম—যা নিরপেক্ষ গবেষকদের তুষ্ট করে আর পক্ষপাতদুষ্ট সংকীর্ণমনাদের ক্ষুব্ধ করে।
তবে আমি নিশ্চিত যে, কৃত্রিমতামুক্ত স্বাধীন বাক্য হলো এমন এক প্রদীপ যা চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকে। আর যদি আমার ভাগ্যে শত্রুতার শিকার হওয়া লেখা থাকে, তবে বর্তমান যুগে সত্যের পথে চলা কোন ব্যক্তিটিই বা নিরাপদ রয়েছে? পূর্বসূরিদের কথা তো বলাই বাহুল্য।
মুহাম্মদ আল-খিদর
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 11)