{وَإِذَا مَسَّ الْإِنْسَانَ ضُرٌّ دَعَا رَبَّهُ مُنِيبًا إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَا خَوَّلَهُ نِعْمَةً مِنْهُ نَسِيَ مَا كَانَ يَدْعُو إِلَيْهِ مِنْ قَبْلُ وَجَعَلَ لِلَّهِ أَنْدَادًا} [الزمر: 8] (1) وقال تعالى مخبرا عن حال المشركين: {هُوَ الَّذِي يُسَيِّرُكُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ حَتَّى إِذَا كُنْتُمْ فِي الْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِمْ بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ وَفَرِحُوا بِهَا جَاءَتْهَا رِيحٌ عَاصِفٌ وَجَاءَهُمُ الْمَوْجُ مِنْ كُلِّ مَكَانٍ وَظَنُّوا أَنَّهُمْ أُحِيطَ بِهِمْ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ لَئِنْ أَنْجَيْتَنَا مِنْ هَذِهِ لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ - فَلَمَّا أَنْجَاهُمْ إِذَا هُمْ يَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا بَغْيُكُمْ عَلَى أَنْفُسِكُمْ مَتَاعَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ثُمَّ إِلَيْنَا مَرْجِعُكُمْ فَنُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ} [يونس: 22 - 23] (2) وقال عز من قائل: {وَإِذَا غَشِيَهُمْ مَوْجٌ كَالظُّلَلِ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ فَلَمَّا نَجَّاهُمْ إِلَى الْبَرِّ فَمِنْهُمْ مُقْتَصِدٌ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا كُلُّ خَتَّارٍ كَفُورٍ} [لقمان: 32] (3) .
هذا الإله الذي أوجد الكون من عدم، وخلق الإنسان في أحسن تقويم، وركز في فطرته عبوديته والاستسلام له، وأذعنت العقول لربوبيته وألوهيته، وأجمعت الأمم على الاعتراف بربوبيته. . . لا بد أن يكون واحدا في ربوبيته وألوهيته، فكما أنه لا شريك له في الخلق، فكذلك لا شريك له في ألوهيته، والأدلة على ذلك كثيرة منها (4) .
1 - ليس في هذا الكون إلا إله واحد هو الخالق الرازق، ولا يجلب النفع ويدفع الضر إلا هو، ولو كان في هذا الكون إله آخر لكان--------------------------------------------
(1) سورة الزمر، الآية: 8.
(2) سورة يونس، الآية: 22، 23.
(3) سورة لقمان، الآية: 32.
(4) ينظر من التوسع كتاب التوحيد تأليف الإمام المجدد محمد بن عبد الوهاب رحمه الله.
هذا الإله الذي أوجد الكون من عدم، وخلق الإنسان في أحسن تقويم، وركز في فطرته عبوديته والاستسلام له، وأذعنت العقول لربوبيته وألوهيته، وأجمعت الأمم على الاعتراف بربوبيته. . . لا بد أن يكون واحدا في ربوبيته وألوهيته، فكما أنه لا شريك له في الخلق، فكذلك لا شريك له في ألوهيته، والأدلة على ذلك كثيرة منها (4) .
1 - ليس في هذا الكون إلا إله واحد هو الخالق الرازق، ولا يجلب النفع ويدفع الضر إلا هو، ولو كان في هذا الكون إله آخر لكان--------------------------------------------
(1) سورة الزمر، الآية: 8.
(2) سورة يونس، الآية: 22، 23.
(3) سورة لقمان، الآية: 32.
(4) ينظر من التوسع كتاب التوحيد تأليف الإمام المجدد محمد بن عبد الوهاب رحمه الله.
"আর যখন মানুষকে কোনো দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে তার রবের কাছে একাগ্রচিত্তে ফিরে এসে তাঁকে ডাকে। অতঃপর যখন তিনি তাঁর পক্ষ থেকে তাকে কোনো নেয়ামত দান করেন, তখন সে ইতিপূর্বে যা নিয়ে তাঁকে ডেকেছিল তা ভুলে যায় এবং সে আল্লাহর জন্য সমকক্ষ দাঁড় করায়।" [আজ-জুমার: ৮] (১) আর আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের অবস্থা সম্পর্কে সংবাদ দিয়ে বলেন: "তিনিই তোমাদেরকে স্থলে ও জলে ভ্রমণ করান। এমনকি তোমরা যখন জলযানে থাকো এবং সেগুলো যখন অনুকূল বাতাসের মাধ্যমে তাদের (আরোহীদের) নিয়ে চলতে থাকে আর তারা তাতে আনন্দিত হয়, তখন তাতে প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাস এসে পড়ে এবং সবদিক থেকে তাদের কাছে ঢেউ আসতে থাকে আর তারা নিশ্চিত ধারণা করে যে, তারা পরিবেষ্টিত হয়ে পড়েছে, তখন তারা আল্লাহকে ডাকার সময় আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে বলে: আপনি যদি আমাদের এ থেকে উদ্ধার করেন, তবে অবশ্যই আমরা কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হব। কিন্তু যখনই তিনি তাদের উদ্ধার করেন, তখনই তারা পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহ শুরু করে। হে মানুষ! তোমাদের এ বিদ্রোহ তো কেবল তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই। এটি দুনিয়ার জীবনের ভোগ মাত্র, এরপর আমাদের কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। তখন আমরা তোমাদেরকে জানিয়ে দেব যা তোমরা করছিলে।" [ইউনুস: ২২ - ২৩] (২) আর মহা পরাক্রমশালী সত্তা বলেন: "আর যখন পাহাড়ের মতো ঢেউ তাদেরকে ঢেকে ফেলে, তখন তারা আল্লাহকে তাঁর প্রতি আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে উদ্ধার করে স্থলে নিয়ে আসেন, তখন তাদের কেউ কেউ সরল পথে থাকে। আর আমাদের নিদর্শনাবলীকে কেবল সেই অস্বীকার করে যে চরম বিশ্বাসঘাতক ও অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ।" [লুকমান: ৩২] (৩) ।
এই ইলাহ, যিনি মহাবিশ্বকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে এনেছেন, মানুষকে সৃষ্টি করেছেন সর্বোত্তম গঠনে এবং তাঁর ইবাদত ও তাঁর প্রতি আত্মসমর্পণের বিষয়টি তার ফিতরাতে (স্বভাবে) প্রোথিত করে দিয়েছেন। বিবেকসমূহ তাঁর রুবুবিয়াত (প্রভুত্ব) ও উলুহিয়াতের (উপাস্য হওয়ার যোগ্যতা) প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছে এবং সকল জাতি তাঁর রুবুবিয়াতকে স্বীকার করার ব্যাপারে একমত হয়েছে। . . তাঁকে অবশ্যই তাঁর রুবুবিয়াত ও উলুহিয়াতে একক হতে হবে। সুতরাং সৃষ্টির ক্ষেত্রে যেমন তাঁর কোনো শরিক নেই, তেমনি তাঁর উলুহিয়াতেও তাঁর কোনো শরিক নেই। এর প্রমাণ অনেক, যার মধ্যে রয়েছে (৪) ।
১ - এই মহাবিশ্বে একমাত্র ইলাহ ব্যতীত আর কেউ নেই, যিনি স্রষ্টা ও রিজিকদাতা। তিনি ব্যতীত আর কেউ কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং অকল্যাণ দূর করতে পারে না। যদি এই মহাবিশ্বে অন্য কোনো ইলাহ থাকত তবে--------------------------------------------
(১) সূরা আজ-জুমার, আয়াত: ৮।
(২) সূরা ইউনুস, আয়াত: ২২, ২৩।
(৩) সূরা লুকমান, আয়াত: ৩২।
(৪) বিস্তারিত জানার জন্য ইমাম মুজাদ্দিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) রচিত 'কিতাবুত তাওহীদ' দেখা যেতে পারে।
এই ইলাহ, যিনি মহাবিশ্বকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে এনেছেন, মানুষকে সৃষ্টি করেছেন সর্বোত্তম গঠনে এবং তাঁর ইবাদত ও তাঁর প্রতি আত্মসমর্পণের বিষয়টি তার ফিতরাতে (স্বভাবে) প্রোথিত করে দিয়েছেন। বিবেকসমূহ তাঁর রুবুবিয়াত (প্রভুত্ব) ও উলুহিয়াতের (উপাস্য হওয়ার যোগ্যতা) প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছে এবং সকল জাতি তাঁর রুবুবিয়াতকে স্বীকার করার ব্যাপারে একমত হয়েছে। . . তাঁকে অবশ্যই তাঁর রুবুবিয়াত ও উলুহিয়াতে একক হতে হবে। সুতরাং সৃষ্টির ক্ষেত্রে যেমন তাঁর কোনো শরিক নেই, তেমনি তাঁর উলুহিয়াতেও তাঁর কোনো শরিক নেই। এর প্রমাণ অনেক, যার মধ্যে রয়েছে (৪) ।
১ - এই মহাবিশ্বে একমাত্র ইলাহ ব্যতীত আর কেউ নেই, যিনি স্রষ্টা ও রিজিকদাতা। তিনি ব্যতীত আর কেউ কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং অকল্যাণ দূর করতে পারে না। যদি এই মহাবিশ্বে অন্য কোনো ইলাহ থাকত তবে--------------------------------------------
(১) সূরা আজ-জুমার, আয়াত: ৮।
(২) সূরা ইউনুস, আয়াত: ২২, ২৩।
(৩) সূরা লুকমান, আয়াত: ৩২।
(৪) বিস্তারিত জানার জন্য ইমাম মুজাদ্দিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) রচিত 'কিতাবুত তাওহীদ' দেখা যেতে পারে।
(খণ্ড: 2) (পৃষ্ঠা: 20)