أُبَشِّرُ اَلنَّاسَ؟ قَالَ: لَا تُبَشِّرْهُمْ فَيَتَّكِلُوا»(1)(2).--------------------------------------------
(1) أخرجه البخاري (2856)، ومسلم (30).
(2) فيه مسائل:
الأولى: الحكمة في خلق الجن والإنس. الثانية: أن العبادة هي التوحيد؛ لأن الخصومة فيه.
الثالثة: أن من لم يأت به لم يعبد الله، ففيه معنى قوله: {وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ}.
الرابعة: الحكمة في إرسال الرسل. الخامسة: أن الرسالة عمّت كل أمة. السادسة: أن دين الأنبياء واحد.
السابعة: المسألة الكبيرة أن عبادة الله لا تحصل إلا بالكفر بالطاغوت، ففيه معنى قوله: {فَمَنْ يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ}.
الثامنة: أن الطاغوت عام في كل ما عُبد من دون الله.
التاسعة: عظم شأن الآيات الثلاث المحكمات في سورة الأنعام عند السلف.
العاشرة: الآيات المحكمات في سورة الإسراء، وفيها ثماني عشرة مسألة، بدأها الله بقوله: {وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا}. وختمها بقوله: {ذَلِكَ مِمَّا أَوْحَى إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ الْحِكْمَةِ وَلَا تَجْعَلْ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتُلْقَى فِي جَهَنَّمَ مَلُومًا مَدْحُورًا}، ونبهنا اللهُ على شأن هذه المسائل بقوله: {ذَلِكَ مِمَّا أَوْحَى إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ الْحِكْمَةِ}.
الحادية عشرة: آية سورة النساء التي تسمى آية الحقوق العشرة، بدأها الله تعالى بقوله: {وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا}.
الثانية عشرة: التنبيه على وصية رسول الله صلى الله عليه وسلم عند موته. الثالثة عشرة: معرفة حق الله علينا.
الرابعة عشرة: معرفة حق العباد عليه إذا أدوا حقه. الخامسة عشرة: أن هذه المسألة لا يعرفها أكثر الصحابة.
السادسة عشرة: جواز كتمان العلم للمصلحة. السابعة عشرة: استحباب بشارة المسلم بما يسره.
الثامنة عشرة: الخوف من الاتكال على سعة رحمة الله. التاسعة عشرة: قول المسؤول عما لا يعلم: «الله ورسوله أعلم».
العشرون: جواز تخصيص بعض الناس بالعلم دون بعض. الحادية والعشرون: تواضعه صلى الله عليه وسلم؛ لركوب الحمار مع الإرداف عليه.
الثانية والعشرون: جواز الإرداف على الدابة. الثالثة والعشرون: فضيلة معاذ بن جبل. الرابعة والعشرون: عظم شأن هذه المسألة.
(1) أخرجه البخاري (2856)، ومسلم (30).
(2) فيه مسائل:
الأولى: الحكمة في خلق الجن والإنس. الثانية: أن العبادة هي التوحيد؛ لأن الخصومة فيه.
الثالثة: أن من لم يأت به لم يعبد الله، ففيه معنى قوله: {وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ}.
الرابعة: الحكمة في إرسال الرسل. الخامسة: أن الرسالة عمّت كل أمة. السادسة: أن دين الأنبياء واحد.
السابعة: المسألة الكبيرة أن عبادة الله لا تحصل إلا بالكفر بالطاغوت، ففيه معنى قوله: {فَمَنْ يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ}.
الثامنة: أن الطاغوت عام في كل ما عُبد من دون الله.
التاسعة: عظم شأن الآيات الثلاث المحكمات في سورة الأنعام عند السلف.
العاشرة: الآيات المحكمات في سورة الإسراء، وفيها ثماني عشرة مسألة، بدأها الله بقوله: {وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا}. وختمها بقوله: {ذَلِكَ مِمَّا أَوْحَى إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ الْحِكْمَةِ وَلَا تَجْعَلْ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتُلْقَى فِي جَهَنَّمَ مَلُومًا مَدْحُورًا}، ونبهنا اللهُ على شأن هذه المسائل بقوله: {ذَلِكَ مِمَّا أَوْحَى إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ الْحِكْمَةِ}.
الحادية عشرة: آية سورة النساء التي تسمى آية الحقوق العشرة، بدأها الله تعالى بقوله: {وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا}.
الثانية عشرة: التنبيه على وصية رسول الله صلى الله عليه وسلم عند موته. الثالثة عشرة: معرفة حق الله علينا.
الرابعة عشرة: معرفة حق العباد عليه إذا أدوا حقه. الخامسة عشرة: أن هذه المسألة لا يعرفها أكثر الصحابة.
السادسة عشرة: جواز كتمان العلم للمصلحة. السابعة عشرة: استحباب بشارة المسلم بما يسره.
الثامنة عشرة: الخوف من الاتكال على سعة رحمة الله. التاسعة عشرة: قول المسؤول عما لا يعلم: «الله ورسوله أعلم».
العشرون: جواز تخصيص بعض الناس بالعلم دون بعض. الحادية والعشرون: تواضعه صلى الله عليه وسلم؛ لركوب الحمار مع الإرداف عليه.
الثانية والعشرون: جواز الإرداف على الدابة. الثالثة والعشرون: فضيلة معاذ بن جبل. الرابعة والعشرون: عظم شأن هذه المسألة.
আমি কি মানুষকে সুসংবাদ দিব? তিনি বললেন: «তাদের সুসংবাদ দিও না, অন্যথায় তারা এর ওপর ভরসা করে বসে থাকবে»(১)(২).--------------------------------------------
(১) বুখারি (২৮৫৬) ও মুসলিম (৩০) এটি বর্ণনা করেছেন।
(২) এতে কতগুলো বিষয় রয়েছে:
প্রথম: জিন ও মানব সৃষ্টির হিকমত। দ্বিতীয়: ইবাদত হলো তাওহিদ; কেননা এই তাওহিদ নিয়েই যত বিরোধ।
তৃতীয়: যে ব্যক্তি তাওহিদ নিয়ে আসেনি সে আল্লাহর ইবাদত করেনি, এতে আল্লাহর বাণীর অর্থ নিহিত রয়েছে: {আর তোমরা তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করি}।
চতুর্থ: রাসূল প্রেরণের হিকমত। পঞ্চম: রিসালাত সকল উম্মতের জন্য ব্যাপক ছিল। ষষ্ঠ: নবীদের দ্বীন অভিন্ন।
সপ্তম: বড় বিষয়টি হলো, তাগুতকে অস্বীকার করা ছাড়া আল্লাহর ইবাদত সাব্যস্ত হয় না; আর এতে আল্লাহর বাণীর অর্থ নিহিত রয়েছে: {সুতরাং যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে}।
অষ্টম: আল্লাহ ছাড়া যারই ইবাদত করা হয়, তার ক্ষেত্রে 'তাগুত' শব্দটি ব্যাপক।
নবম: সালাফদের নিকট সূরা আল-আন'আমের তিনটি মুহকাম (সুস্পষ্ট) আয়াতের গুরুত্ব।
দশম: সূরা আল-ইসরা-এর মুহকাম আয়াতসমূহ, যাতে আঠারোটি বিষয় রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে এটি শুরু করেছেন: {আপনার রব ফয়সালা দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া আর কারো ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে}। আর শেষ করেছেন তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {এগুলো সেই হিকমতের অন্তর্ভুক্ত যা আপনার রব আপনার প্রতি ওহী করেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহ স্থির করবেন না, অন্যথায় আপনি নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন}। আর আল্লাহ তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে আমাদের এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করেছেন: {এগুলো সেই হিকমতের অন্তর্ভুক্ত যা আপনার রব আপনার প্রতি ওহী করেছেন}।
একাদশ: সূরা আন-নিসা-এর সেই আয়াত যাকে দশটি হকের আয়াত বলা হয়। আল্লাহ তা'আলা তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে এটি শুরু করেছেন: {তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না}।
দ্বাদশ: মৃত্যুকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওসিয়তের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ। ত্রয়োদশ: আমাদের ওপর আল্লাহর হক সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।
চতুর্দশ: বান্দারা যদি আল্লাহর হক আদায় করে তবে তাঁর ওপর বান্দাদের হক সম্পর্কে জ্ঞান লাভ। পঞ্চদশ: অধিকাংশ সাহাবী এই বিষয়টি জানতেন না।
ষোড়শ: কল্যাণের স্বার্থে জ্ঞান গোপন রাখার বৈধতা। সপ্তদশ: মুসলমানকে আনন্দদায়ক বিষয়ের সুসংবাদ দেওয়া মুস্তাহাব।
অষ্টাদশ: আল্লাহর রহমতের প্রশস্ততার ওপর অতি-ভরসা করার ভয়। উনবিংশ: যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি যদি না জানেন তবে তাঁর এ কথা বলা: «আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত»।
বিংশ: অন্যকে বাদ দিয়ে বিশেষ কিছু মানুষকে জ্ঞান প্রদানের বৈধতা। একবিংশ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিনয়; কেননা তিনি গাধার পিঠে চড়েছেন এবং পেছনে একজনকে বসিয়েছেন।
দ্বাবিংশ: সওয়ারির ওপর পেছনে কাউকে বসানো জায়েজ। ত্রয়োবিংশ: মুয়াজ ইবনে জাবালের মর্যাদা। চতুবিংশ: এই মাসআলাটির গুরুত্ব।
(১) বুখারি (২৮৫৬) ও মুসলিম (৩০) এটি বর্ণনা করেছেন।
(২) এতে কতগুলো বিষয় রয়েছে:
প্রথম: জিন ও মানব সৃষ্টির হিকমত। দ্বিতীয়: ইবাদত হলো তাওহিদ; কেননা এই তাওহিদ নিয়েই যত বিরোধ।
তৃতীয়: যে ব্যক্তি তাওহিদ নিয়ে আসেনি সে আল্লাহর ইবাদত করেনি, এতে আল্লাহর বাণীর অর্থ নিহিত রয়েছে: {আর তোমরা তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করি}।
চতুর্থ: রাসূল প্রেরণের হিকমত। পঞ্চম: রিসালাত সকল উম্মতের জন্য ব্যাপক ছিল। ষষ্ঠ: নবীদের দ্বীন অভিন্ন।
সপ্তম: বড় বিষয়টি হলো, তাগুতকে অস্বীকার করা ছাড়া আল্লাহর ইবাদত সাব্যস্ত হয় না; আর এতে আল্লাহর বাণীর অর্থ নিহিত রয়েছে: {সুতরাং যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে}।
অষ্টম: আল্লাহ ছাড়া যারই ইবাদত করা হয়, তার ক্ষেত্রে 'তাগুত' শব্দটি ব্যাপক।
নবম: সালাফদের নিকট সূরা আল-আন'আমের তিনটি মুহকাম (সুস্পষ্ট) আয়াতের গুরুত্ব।
দশম: সূরা আল-ইসরা-এর মুহকাম আয়াতসমূহ, যাতে আঠারোটি বিষয় রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে এটি শুরু করেছেন: {আপনার রব ফয়সালা দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া আর কারো ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে}। আর শেষ করেছেন তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {এগুলো সেই হিকমতের অন্তর্ভুক্ত যা আপনার রব আপনার প্রতি ওহী করেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহ স্থির করবেন না, অন্যথায় আপনি নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন}। আর আল্লাহ তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে আমাদের এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করেছেন: {এগুলো সেই হিকমতের অন্তর্ভুক্ত যা আপনার রব আপনার প্রতি ওহী করেছেন}।
একাদশ: সূরা আন-নিসা-এর সেই আয়াত যাকে দশটি হকের আয়াত বলা হয়। আল্লাহ তা'আলা তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে এটি শুরু করেছেন: {তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না}।
দ্বাদশ: মৃত্যুকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওসিয়তের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ। ত্রয়োদশ: আমাদের ওপর আল্লাহর হক সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।
চতুর্দশ: বান্দারা যদি আল্লাহর হক আদায় করে তবে তাঁর ওপর বান্দাদের হক সম্পর্কে জ্ঞান লাভ। পঞ্চদশ: অধিকাংশ সাহাবী এই বিষয়টি জানতেন না।
ষোড়শ: কল্যাণের স্বার্থে জ্ঞান গোপন রাখার বৈধতা। সপ্তদশ: মুসলমানকে আনন্দদায়ক বিষয়ের সুসংবাদ দেওয়া মুস্তাহাব।
অষ্টাদশ: আল্লাহর রহমতের প্রশস্ততার ওপর অতি-ভরসা করার ভয়। উনবিংশ: যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি যদি না জানেন তবে তাঁর এ কথা বলা: «আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত»।
বিংশ: অন্যকে বাদ দিয়ে বিশেষ কিছু মানুষকে জ্ঞান প্রদানের বৈধতা। একবিংশ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিনয়; কেননা তিনি গাধার পিঠে চড়েছেন এবং পেছনে একজনকে বসিয়েছেন।
দ্বাবিংশ: সওয়ারির ওপর পেছনে কাউকে বসানো জায়েজ। ত্রয়োবিংশ: মুয়াজ ইবনে জাবালের মর্যাদা। চতুবিংশ: এই মাসআলাটির গুরুত্ব।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 36)